শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বিদেশে পাচার হওয়া ৪০ হাজার কোটি টাকার সম্পদের তথ্য প্রধান উপদেষ্টার হাতে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৭ আগস্ট ২০২৫, ১০:৫৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
বিদেশে পাচার হওয়া ৪০ হাজার কোটি টাকার সম্পদের তথ্য প্রধান উপদেষ্টার হাতে
বিদেশে পাচার হওয়া ৪০ হাজার কোটি টাকার সম্পদের তথ্য প্রধান উপদেষ্টার হাতে

বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকার সম্পদের সন্ধান পেয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি)। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত পাঁচটি দেশের সাতটি শহরে অনুসন্ধান চালিয়ে এ তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

রবিবার (১৭ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে এই তথ্য তুলে ধরেন এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান ও সিআইসির মহাপরিচালক আহসান হাবিব।

এ সময় আরও জানানো হয়, অন্তত ৯টি দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা টাকার বিনিময়ে ৩৫২টি পাসপোর্ট সংগ্রহ করেছেন। এসব দেশ হলো—অ্যান্টিগুয়া অ্যান্ড বারবুডা, অস্ট্রিয়া, ডমেনিকা, গ্রেনেডা, সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস, নর্থ মেসিডোনিয়া, মালটা, সেন্ট লুসিয়া ও তুরস্ক।

সিআইসির মহাপরিচালক জানান, দেশে বসেই বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহের পর প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে তাদের গোয়েন্দারা বিদেশে গিয়ে সরেজমিনে অনুসন্ধান চালান। এখন পর্যন্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে ৩৪৬টি সম্পত্তির খোঁজ মিলেছে। এটি কেবল অনুসন্ধানের আংশিক চিত্র।

তিনি বলেন, "বিদেশে পাচার হওয়া সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে বাংলাদেশের অনুকূলে নিয়ে আসা এবং অর্থপাচারে জড়িতদের শাস্তি নিশ্চিত করতেই সিআইসি কাজ করছে। এ প্রক্রিয়ায় ইতোমধ্যে ছয়টিরও বেশি আন্তর্জাতিক সংস্থা সহযোগিতা করছে। এখন পর্যন্ত যা পাওয়া গেছে, তা কেবল ‘টিপ অব দ্য আইসবার্গ’। সামনে আরও অনেক তথ্য উন্মোচিত হবে।"

অর্থ পাচারে জড়িতরা অতীতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডাটাবেজে নিজেদের প্রভাব খাটিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গায়েব করেছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে মুছে ফেলা সেই তথ্য উদ্ধারে সক্ষমতা অর্জন করেছে সিআইসি।

বিস্তারিত শুনে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, "অর্থ পাচারের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে। দুদক, সিআইসি, পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে। এমন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ আর দেশের সম্পদ লুট করে বিদেশে সম্পত্তি গড়তে সাহস না পায়।"

তিনি আরও বলেন, "এটি ভয়াবহ দেশদ্রোহিতার শামিল। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সুন্দর দেশ গড়তে হলে অবশ্যই এই লুটেরাদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। দেশের সম্পদ কীভাবে লুটপাট হয়েছে, তা জাতির সামনে প্রকাশ করতে হবে। এজন্য সব সংস্থাকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।"

প্রধান উপদেষ্টা সিআইসিকে অনুসন্ধান অব্যাহত রাখার নির্দেশ দেন এবং আরও বেশি দেশে তদন্ত বিস্তৃত করার আহ্বান জানান। তিনি আশ্বস্ত করেন, "দেশের সম্পদ ফেরাতে সরকারের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।"

ভোরের আকাশ//হ.র

অর্থ পাচারঅবৈধ সম্পদপ্রধান উপদেষ্টা

শেয়ার করুন: