শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

গ্রোক প্রকল্পের জন্য ১২ বিলিয়ন ডলার ঋণ নেবে ইলন মাস্কের এক্স-এআই

তথ্য প্রযুক্তি ডেস্ক

প্রকাশ : ১২ আগস্ট ২০২৫, ৯:২৫ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
গ্রোক প্রকল্পের জন্য ১২ বিলিয়ন ডলার ঋণ নেবে ইলন মাস্কের এক্স-এআই
গ্রোক প্রকল্পের জন্য ১২ বিলিয়ন ডলার ঋণ নেবে ইলন মাস্কের এক্স-এআই

ইলন মাস্কের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংস্থা এক্স-এআই নতুন গ্রোক চ্যাটবট প্রকল্পের জন্য প্রায় ১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ সংগ্রহের পরিকল্পনা করছে। এই তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।

মাস্কের ঘনিষ্ঠ সহযোগী অ্যান্টোনিও গ্রাসিয়াস পরিচালিত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ভ্যালর ইক্যুইটি পার্টনার্স ঋণ সংগ্রহের এই উদ্যোগে নেতৃত্ব দিচ্ছে। তারা ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে।

এই অর্থ দিয়ে বিপুল পরিমাণ এনভিডিয়ার আধুনিক জিবি২০০ ও জিবি৩০০ সিরিজের গ্রাফিক্স চিপ কেনা হবে, যা ব্যবহার করে একটি বৃহৎ ডেটা সেন্টার গড়ে তোলা হবে। এ ডেটা সেন্টারে এক্স-এআই-এর নিজস্ব চ্যাটবট "গ্রোক"-এর প্রশিক্ষণ ও পরিচালনা করা হবে।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই প্রকল্পে প্রাথমিকভাবে ৫ লাখ ৫০ হাজার গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট (জিপিইউ) যুক্ত থাকবে, যা এক্স-এআই-এর বর্তমান ডেটা ক্লাস্টারের প্রায় দ্বিগুণ। ইলন মাস্ক নিজেই নিশ্চিত করেছেন, বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির ডেটা ক্লাস্টারে ২ লাখ ৩০ হাজার জিপিইউ কাজ করছে।

মাস্কের মতে, নতুন সুপারক্লাস্টার চালু হলে এক্স-এআই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতায় অনেকখানি এগিয়ে থাকবে।

সংবাদমাধ্যমের তথ্যে দেখা গেছে, শুধুমাত্র ২০২৫ সালের জন্য এক্স-এআই-এর সম্ভাব্য খরচ দাঁড়াতে পারে ১৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ঋণদাতারা ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঋণের মেয়াদ সীমিত ও পরিমাণ নির্দিষ্ট করার প্রস্তাব দিয়েছেন। তবে এক্স-এআই বা ভ্যালর ইক্যুইটির পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য আসেনি।

বিশ্বব্যাপী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার খাতে বিনিয়োগের ধুম পড়ে চলেছে। OpenAI, Google, চীনের DeepSeek-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলো কড়া প্রতিদ্বন্দ্বিতা তৈরি করেছে। এই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে শক্তিশালী কম্পিউটিং ও আধুনিক সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং অপরিহার্য।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্বজুড়ে এআই খাতের বাণিজ্যিক আগ্রহ বাড়লেও, এত বড় ঋণ নিয়ে ঝুঁকি কতটা সার্থক হবে, সেটাই এখন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

সূত্র: ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল

ভোরের আকাশ//হ.র

শেয়ার করুন: