ফোনের ব্যাটারি বাঁচাতে আজই বন্ধ করুন এই ৫ সেটিংস

স্মার্টফোনে নানা ধরনের আধুনিক ফিচার থাকলেও সব সময় সব ফিচার চালু রাখার প্রয়োজন হয় না। অনেকেই অজান্তেই এমন কিছু সেটিংস চালু রাখেন, যা ফোনের ব্যাটারি দ্রুত শেষ হওয়ার অন্যতম কারণ। কয়েকটি সহজ পরিবর্তনের মাধ্যমে ব্যাটারির ব্যাকআপ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো সম্ভব।
১. অপ্রয়োজনে ওয়াই-ফাই ও ব্লুটুথ চালু রাখা
ব্যবহার না করলেও ওয়াই-ফাই ও ব্লুটুথ চালু থাকলে ফোন আশপাশের নেটওয়ার্ক ও ডিভাইস খুঁজতে থাকে। এতে অপ্রয়োজনীয়ভাবে ব্যাটারি খরচ হয়। প্রয়োজন শেষ হলে এগুলো বন্ধ রাখাই ভালো।
২. কুইক শেয়ার সবসময় চালু রাখা
স্যামসাংয়ের কুইক শেয়ার ফিচার দ্রুত ফাইল আদান-প্রদানে কাজে লাগে। তবে এটি চালু থাকলে ফোন সারাক্ষণ কাছাকাছি থাকা ডিভাইস খুঁজতে থাকে, ফলে ব্যাটারির ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। ব্যবহার না করলে ফিচারটি বন্ধ রাখুন।
৩. অতিরিক্ত হ্যাপটিক ফিডব্যাক ব্যবহার
কীবোর্ডে টাইপ করা বা বিভিন্ন কাজের সময় যে কম্পন (ভাইব্রেশন) অনুভূত হয়, সেটিই হ্যাপটিক ফিডব্যাক। প্রতিবার কম্পনের জন্য ফোনের মোটর কাজ করে, যা দীর্ঘমেয়াদে ব্যাটারি বেশি খরচ করে। প্রয়োজন না হলে এটি বন্ধ রাখতে পারেন।
৪. ব্যাকগ্রাউন্ডে অ্যাপ চালু রাখা
অনেক অ্যাপ ব্যবহার না করলেও ব্যাকগ্রাউন্ডে ডেটা সিঙ্ক ও আপডেট করতে থাকে। এতে ব্যাটারি দ্রুত শেষ হয়। প্রয়োজন নেই এমন অ্যাপের ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাকটিভিটি সীমিত করে দিন।
৫. সবসময় লোকেশন চালু রাখা
ডিসপ্লের পর সবচেয়ে বেশি ব্যাটারি খরচ করে লোকেশন বা জিপিএস। অনেক অ্যাপ ব্যাকগ্রাউন্ডেও অবস্থান ব্যবহার করে। তাই প্রয়োজন ছাড়া লোকেশন বন্ধ রাখুন এবং শুধুমাত্র প্রয়োজনের সময় চালু করুন।
এ ছাড়া স্ক্রিনের উজ্জ্বলতা কমিয়ে রাখা, অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ বন্ধ রাখা এবং প্রয়োজন হলে পাওয়ার সেভিং মোড ব্যবহার করলে ফোনের ব্যাটারির স্থায়িত্ব আরও বাড়ানো সম্ভব।
ভোরের আকাশ/এনএ