শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

১ লক্ষাধিক মানুষের অংশগ্রহণের অনুষ্ঠিত হলো বিশ্বের ১ম পাগলাপ্রেনার মহাসম্মেলন

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৮:০৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

এক লক্ষাধিক মানুষের অংশগ্রহণের সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হলো বিশ্বের ১ম পাগলাপ্রেনার মহাসম্মেলন। কোচ কাঞ্চনের পাগলাপ্রেনার মহাসম্মেলনে যোগ দিতে নিবন্ধন করেছিলেন ১ লাখের বেশি মানুষ। দেশের নানা প্রান্ত থেকে লাইভ অনলাইনে তারা অংশগ্রহণ করেন। উদ্যোক্তা ছাড়াও নিবন্ধনকারীদের মধ্যে রয়েছে কর্পোরেট প্রফশনালস, শিক্ষক, লেখক, আর্টিস্ট, গায়ক, ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার, আইনজীবী, গৃহিণী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ। এই মহাসম্মেলনের নেতৃত্ব দিয়েছেন কোচ কাঞ্চন, যিনি বাংলাদেশের ১ম  আন্তর্জাতিকভাবে সার্টিফাইড হ্যাপিনেস কোচ, বেস্টসেলার লেখক এবং পাগলাপ্রেনার মুভমেন্ট (PaglaPreneur Movement)–এর প্রবর্তক।

পাগল ছাড়া দুনিয়া চলে না-- এই লাইনটাই যেন বাস্তবতা পেল কোচ কাঞ্চনের এই আয়োজনে। বাংলাদেশের উদ্যোক্তা ও ইনোভেটিভ মানুষের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় যুক্ত হলো পাগলাপ্রেনার মহাসম্মেলন এর মাধ্যমে।

কোচ কাঞ্চন এই আয়োজনে পাগলা আইডেন্টিটিকে একটি বিপ্লব হিসেবে ঘোষণা করেন। এতদিন যাদের পাগল বলে দমিয়ে রাখা হত। তারা এখন এই শব্দটাই নিজেদের শক্তি হিসেবে ব্যবহার করবে। পাগলাপ্রেনার মানে শুধু পাগলামী নয়, এটি বিশ্বকে পজিটিভলি পাল্টে দেয়ার অবশেসন। পাগলাপ্রেনার হলেন সেই ব্যক্তি, যিনি নিজের পাগলাটে বা অদ্ভুত আইডিয়াকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য জানপ্রাণ দিয়ে লড়ে যান।  

দুনিয়া বদলে দেয়া প্রতিটা মানুষই ছিলেন পাগল। আইনস্টাইন, এডিসন, নেলসন ম্যান্ডেলা, স্টিভ জবস থেকে আজকের এলন মাস্ক কিংবা রিচার্ড ব্রানসন সবাই তাদের পাগলামি দিয়েই বিশ্বে ইমপ্যাক্ট তৈরি করেছেন।

পাগল’ এবং ‘এন্ট্রাপ্রেনিউর’ শব্দের ফিউশনে কোচ কাঞ্চন এই শব্দটি তৈরি করেন। পাগলাপ্রেনার মানে শুধু উদ্যোক্তা নয়। পাগলাপ্রেনার হতে পারে একজন ডাক্তার, যে প্রথাগত চেম্বারের চিন্তা ছেড়ে গ্রামের মানুষের জন্য ফ্রি ক্লিনিক খোলেন। পাগলাপ্রেনার হতে পারে একজন শিক্ষক, যে সেকেলে স্কুল সিস্টেমকে চ্যালেঞ্জ করে তার ছাত্রদের ‘আউট অফ দ্য বক্স’ চিন্তা করতে শেখায়। পাগলাপ্রেনার হতে পারে একজন গায়ক, যে সস্তার জনপ্রিয়তার পেছনে না ছুটে নিজের মৌলিক ধরণ তৈরি করে পৃথিবীকে তাক লাগিয়ে দেয়। এমনকি পাগলাপ্রেনার হতে পারে সেই মা, যে তার সন্তানকে জিপিএ-৫ পাওয়ার প্রতিযোগিতায় না নামিয়ে একজন ‘সোলফুল মানুষ’ হিসেবে বড় করার সাহস দেখায়। পাগলাপ্রেনার মানে যে অন্যকে জিতানোর জন্য নিজেকে উজার করে দেন।

অনুষ্ঠানে কোচ কাঞ্চনের বলেন, “পাগলাদের ডিকশনারিতে অসম্ভব বলে কিছু নেই। লোকে যাকে পাগলামী বলে উপহাস করে, আমি তাকেই ফিউচার বলে বিশ্বাস করি। কারণ পৃথিবীর সব বড় পরিবর্তন কোনো না কোনো 'পাগলা' মানুষের হাত ধরেই এসেছে। তাই কথা হবে একটাই, তোরা যে যাই বলিস ভাই, আমার পাগলাপ্রেনার হওয়া চাই।”

ভোরের আকাশ/তা.কা

 

পাগলাপ্রেনার মহাসম্মেলন

শেয়ার করুন: