শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

১৭ ফেব্রুয়ারি সূর্যগ্রহণ, দেখা যাবে যেসব এলাকায়

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৫২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি আকাশে ঘটতে যাচ্ছে একটি বিরল জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনা—বলয়াকার সূর্যগ্রহণ, যা অনেকের কাছে ‘রিং অব ফায়ার’ নামে পরিচিত। তবে বাংলাদেশের আকাশে এই দৃশ্য দেখা যাবে না। শুধু বাংলাদেশই নয়, প্রতিবেশী ভারত থেকেও গ্রহণটি পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে না।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, বলয়াকার সূর্যগ্রহণ ঘটে তখন, যখন চাঁদ সূর্য ও পৃথিবীর মাঝামাঝি অবস্থানে আসে, কিন্তু পৃথিবী থেকে তার দূরত্ব তুলনামূলক বেশি থাকে।
ইসরায়েলের অস্ত্রে ‘বাষ্পীভূত’ হাজারো ফিলিস্তিনিইসরায়েলের অস্ত্রে ‘বাষ্পীভূত’ হাজারো ফিলিস্তিনি। এ কারণে চাঁদ সূর্যকে পুরোপুরি আড়াল করতে পারে না। ফলে সূর্যের চারপাশে আগুনের বলয়ের মতো উজ্জ্বল বৃত্ত দেখা যায়। এই মনোমুগ্ধকর দৃশ্যই ‘রিং অব ফায়ার’ নামে পরিচিত।

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা জানিয়েছে, গ্রহণটি আন্তর্জাতিক সময় অনুযায়ী সকাল ৭টা ১ মিনিটে (ইউটিসি) শুরু হবে। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী সেটি হবে দুপুর ১টা ১ মিনিটের দিকে। বলয়াকার অংশটি সর্বোচ্চ প্রায় ২ মিনিট ২০ সেকেন্ড পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। তবে এই সময়সীমা নির্ভর করবে পর্যবেক্ষণের নির্দিষ্ট অবস্থানের ওপর। এই গ্রহণ পৃথিবীর খুব সীমিত অঞ্চলে দৃশ্যমান হবে। প্রধানত অ্যান্টার্কটিকার কিছু দুর্গম এলাকায় বলয়াকার অংশ দেখা যাবে। পাশাপাশি দক্ষিণ আফ্রিকার কয়েকটি দেশ এবং দক্ষিণ আমেরিকার নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলে আংশিক সূর্যগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করা যেতে পারে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো, বিশেষ করে বাংলাদেশ ও ভারত, এই গ্রহণপথের বাইরে থাকায় এখানকার মানুষ সরাসরি তা দেখতে পারবেন না।

বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিয়েছেন, সূর্যগ্রহণ দেখার ক্ষেত্রে চোখের সুরক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গ্রহণ দৃশ্যমান এমন এলাকায় অবস্থানকারীদের অবশ্যই আইএসও ১২৩১২-২ মানসম্পন্ন অনুমোদিত সূর্যগ্রহণ চশমা ব্যবহার করতে হবে। খালি চোখে কিংবা সাধারণ সানগ্লাস পরে সূর্যের দিকে তাকানো বিপজ্জনক এবং এতে চোখের স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে।

ভোরের আকাশ/এসএইচ
 

সূর্যগ্রহণ

শেয়ার করুন: