শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মহাবিশ্ব বোঝার চাবিকাঠি আলোকবর্ষ

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ১৬ জুন ২০২৬, ৫:০৭ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

মহাকাশ নিয়ে সাধারণ মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। তবে এই কৌতূহল মেটাতে গিয়ে অনেকেই ভুল করে ফেলেন একটি শব্দ নিয়ে—তা হলো "লাইট ইয়ার" বা "আলোকবর্ষ"। অনেকেই মনে করেন, "লাইট ইয়ার" মানে এক বছর সময়। চিকিৎসাবিজ্ঞান বা সাধারণ গণিতের মতো এটিকে অনেকে সময়ের একক মনে করেন। আসলে এটি সময়ের একক নয়, মহাকাশের বিশাল দূরত্ব মাপার জন্য ব্যবহৃত একটি একক।

এক আলোকবর্ষের সহজ হিসাব
বিজ্ঞান বলছে, আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লাখ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে। এই অবিশ্বাস্য গতিতে এক বছরে আলো যতটা পথ পাড়ি দেয়, সেটাই হলো এক আলোকবর্ষ। এটি কিলোমিটারে হিসাব করলে দাঁড়ায় প্রায় ৯.৫ লাখ কোটি কিলোমিটার (৯.৪৬১ ট্রিলিয়ন কিলোমিটার)! মহাকাশের বিশালতায় কিলোমিটার বা মাইলের মতো সাধারণ এককগুলো একেবারেই অর্থহীন, তাই বিজ্ঞানীরা এই বিশাল একক ব্যবহার করেন।

আরও পড়ুন

শান্তির ঠিকানা দিলেন প্রভা

দূরত্বের বাস্তব রূপ: ৪.২ বছর আগের আলো
মহাকাশ কতটা বিশাল, তার একটি উদাহরণ হলো আমাদের সবচেয়ে কাছের তারা "প্রক্সিমা সেন্টোরাই"। এই তারাটি আমাদের পৃথিবী থেকে প্রায় ৪.২ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত। এর মানে হলো, সেখান থেকে আলো আমাদের পৃথিবীতে আসতে সময় লাগে ৪.২ বছর। ফলে, আমরা যখন এই তারাটিকে দেখি, আসলে আমরা ৪.২ বছর আগের ছবি দেখি।

রাতের আকাশের টাইম মেশিন
একটি মজার কিন্তু গভীর তথ্য হলো, রাতের আকাশে আমরা হাজার হাজার বছর আগের আলো দেখি। অনেক তারা এতটাই দূরে যে, তাদের আলো আমাদের কাছে পৌঁছাতে হাজার হাজার বা লক্ষ লক্ষ বছর লেগে যায়। ফলে, আমরা যে তারাটিকে দেখছি, সেটি এখন আসলে আছে কিনা, আমরা জানি না! হয়তো অনেক আগেই তারাটি ধ্বংস হয়ে গেছে, কিন্তু তার আলো এখনো আমাদের পৃথিবীতে এসে পৌঁছাচ্ছে। মহাকাশ যেন এক জীবন্ত ‘টাইম মেশিন’, যেখানে অতীত আর বর্তমানের মিলন ঘটে প্রতিনিয়ত।

ভোরের আকাশ/জেআ

মহাকাশআলোকবর্ষজ্যোতির্বিজ্ঞান

শেয়ার করুন: