শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

নামাজরত অবস্থায় ওজু ভঙ্গ হলে যা করবেন

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ১ জুন ২০২৬, ২:৩৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

নামাজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো পবিত্রতা বা ওজু। ওজু ছাড়া নামাজ শুদ্ধ হয় না। তবে অনেক সময় নামাজরত অবস্থায় কারও ওজু ভেঙে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে কী করণীয়—এ বিষয়ে ইসলামী শরিয়তে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে।

ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী, নামাজের মধ্যে ওজু ভেঙে গেলে নামাজ আর অব্যাহত রাখা যাবে না। সঙ্গে সঙ্গে নামাজ থেকে বের হয়ে যেতে হবে এবং নতুন করে ওজু করতে হবে। এরপর পুনরায় নামাজ আদায় করতে হবে।

ধর্মীয় বিশেষজ্ঞরা বলেন, যদি নামাজরত অবস্থায় বাতাস বের হওয়া, প্রস্রাবের ফোঁটা বের হওয়া, রক্তপাত বা অন্য কোনো কারণে ওজু ভেঙে যায়, তাহলে সেই নামাজ বাতিল হয়ে যায়। এ অবস্থায় নামাজ চালিয়ে যাওয়া জায়েজ নয়।

নামাজে ওজু ছুটে গেলে করণীয়

  • সঙ্গে সঙ্গে নামাজ থেকে বের হয়ে আসতে হবে।
  • নতুন করে পূর্ণাঙ্গ ওজু করতে হবে।
  • ওজু সম্পন্ন করার পর শুরু থেকে নামাজ আদায় করতে হবে।
  • জামাতে নামাজ আদায় করলে নীরবে কাতার ত্যাগ করা উত্তম।
  • ওজু করার পর সুযোগ থাকলে পুনরায় জামাতে শরিক হওয়া যেতে পারে।

জামাতে নামাজের ক্ষেত্রে

যদি কোনো মুসল্লির ওজু ভেঙে যায়, তাহলে তিনি অন্যদের বিরক্ত না করে ধীরে ধীরে কাতার থেকে বের হয়ে যাবেন। নতুন ওজু করে ফিরে এসে যদি জামাত চলমান থাকে, তাহলে অবশিষ্ট অংশে শরিক হতে পারবেন। পরে বাকি রাকাতগুলো পূরণ করে নিতে হবে।

সন্দেহ হলে কী করবেন?

অনেক সময় ওজু ভেঙেছে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হতে পারে। এ ক্ষেত্রে ইসলামের বিধান হলো, নিশ্চিতভাবে ওজু ভাঙার প্রমাণ না পাওয়া পর্যন্ত ওজু বহাল আছে বলে গণ্য হবে। শুধু সন্দেহের কারণে নামাজ ভেঙে দেওয়া উচিত নয়।

ইসলামের শিক্ষা

আরও পড়ুন

বিশ্বকাপ মিশনে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছেছে আর্জেন্টিনা দল

আলেমদের মতে, নামাজের শুদ্ধতা রক্ষার জন্য ওজুর প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। তাই নামাজের আগে যথাযথভাবে ওজু করা এবং ওজু ভঙ্গের কারণগুলো সম্পর্কে সচেতন থাকা প্রত্যেক মুসল্লির দায়িত্ব।

নামাজ ইসলামের অন্যতম প্রধান ইবাদত। তাই এর শর্ত ও বিধানগুলো যথাযথভাবে মেনে চললে ইবাদত আরও পরিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য হওয়ার আশা করা যায়।

ভোরের আকাশ/জে,আ

ইসলাম ধর্মনামাজপবিত্রতানামাজের বিধানধর্মীয় শিক্ষাওজু

শেয়ার করুন: