শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মুসাফিরের সুন্নত নামাজ আদায়: ইসলামের বিধান কী?

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ২৫ আগস্ট ২০২৬, ৮:০২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ইসলামি শরিয়তের বিধান অনুযায়ী, সফরকালে (ভ্রমণ অবস্থায়) চার রাকাতবিশিষ্ট ফরজ নামাজগুলো সংক্ষেপ বা ‘কসর’ (দুই রাকাত) করে পড়া আবশ্যক (ওয়াজিব)। তবে সফর অবস্থায় সুন্নত নামাজের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি ও সময়ের ওপর ভিত্তি করে কিছু শিথিলতা ও নির্দেশনা রয়েছে।

সুন্নত নামাজ পড়ার নিয়ম ও বিধান

সফর অবস্থায় সুন্নত নামাজের বিধান মূলত মুসাফিরের ব্যস্ততা, ক্লান্তি ও পরিভ্রমণের পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে:

স্বাভাবিক বা তাড়াহুড়োর মুহূর্তে (চলন্ত সফর): যদি সফররত ব্যক্তি গাড়ি, ট্রেন, বিমান বা অন্য কোনো বাহনের জন্য তাড়াহুড়োয় থাকেন কিংবা প্রচণ্ড পরিশ্রান্ত ও ব্যস্ত থাকেন, তবে ফজর ছাড়া অন্য কোনো নামাজের সুন্নতে মুয়াক্কাদা পড়া থেকে অব্যাহতি পাওয়া যায়। এমতাবস্থায় কেবল কসর (ফরজ) নামাজ পড়ে নেওয়া যথেষ্ট এবং এতে কোনো গুনাহ হবে না।

অবস্থানকালীন বা আরামের মুহূর্তে (অবস্থানরত সফর): যদি মুসাফির কোনো গন্তব্যে পৌঁছানোর পর স্থির হন, শান্তিতে অবস্থান করেন কিংবা তাড়াহুড়ো ও ক্লান্তিমুক্ত থাকেন, তবে ফরজ নামাজের আগের ও পরের সুন্নতে মুয়াক্কাদাগুলো পড়ে নেওয়া উত্তম ও সওয়াবের কাজ।

ফজরের দুই রাকাত সুন্নতে মুয়াক্কাদা: ফজরের সুন্নতের গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। তাই মুসাফির চরম বিপদে না পড়লে সফর অবস্থাতেও ফজরের সুন্নতে মুয়াক্কাদা ছাড়বেন না, বরং সুযোগ থাকলে তা পড়ে নেওয়া উচিত।

বিতর ও অন্যান্য নফল নামাজ: সুন্নতে গায়রে মুয়াক্কাদা ও নফল নামাজের ক্ষেত্রে মুসাফির ইচ্ছা করলে পড়তে পারেন, আবার সুযোগ না থাকলে ছেড়েও দিতে পারেন। তবে এশার ফরজ ও সুন্নতের পর তিন রাকাত ‘বিতর’ নামাজ পড়া সবার জন্য আবশ্যক (ওয়াজিব), এটি সফর অবস্থাতেও কোনোভাবে ত্যাগ করা যাবে না।

মনে রাখার মতো বিষয়

আরও পড়ুন

দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর পাল্টা প্রশ্ন ‘শুট দ্য মেসেঞ্জার’ প্রবণতা: টিআইবি

সুন্নত বা নফল নামাজে কোনো 'কসর' (সংক্ষেপ) নেই। অর্থাৎ মুসাফির যদি কোনো সুন্নত বা নফল নামাজ পড়েন, তবে তা পুরো দুই বা চার রাকাতই আদায় করতে হবে; ফরজের মতো তা দুই রাকাত করে সংক্ষেপ করা যাবে না।

সফর অবস্থায় ইসলামি শরিয়ত বান্দার ওপর সহজতা বজায় রেখেছে। তাড়াহুড়ো থাকলে ফরজ ও বিতর আদায় করলেই চলবে, তবে স্থির ও শান্ত পরিবেশে থাকলে ফজরের সুন্নতের পাশাপাশি অন্যান্য ওয়াক্তের সুন্নতে মুয়াক্কাদা আদায় করাই উত্তম।

ভোরের আকাশ/জেআ

শেয়ার করুন: