রিজিক বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ২ দোয়া

মানবজীবনে উত্থান-পতন, লাভ-ক্ষতি কিংবা অভাব-অনটন আসা অত্যন্ত স্বাভাবিক। অনেক সময় কঠোর পরিশ্রম করার পরেও মানুষ আর্থিক সংকটে পড়ে যায় এবং ঋণের জালে জড়িয়ে পড়ে। ইসলামে এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য যেমন হালাল উপায়ে চেষ্টার তাগিদ দেওয়া হয়েছে, তেমনি আল্লাহর দরবারে প্রার্থনার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁর সাহাবিদের এমন কিছু বিশেষ দোয়া শিখিয়েছেন, যা নিয়মিত পাঠ করলে আল্লাহ তাআলা অতি দ্রুত অভাব-অনটন দূর করে দেন এবং কল্পনাতীত স্থান থেকে রিজিকের ব্যবস্থা করে দেন। নিচে অভাব থেকে মুক্তির অত্যন্ত শক্তিশালী দুটি দোয়া অর্থসহ তুলে ধরা হলো:
কোরআনে অভাব দূর করার দোয়া
رَبَّنَاۤ اَنۡزِلۡ عَلَیۡنَا مَآئِدَۃً مِّنَ السَّمَآءِ تَكُوۡنُ لَنَا عِیۡدًا لِّاَوَّلِنَا وَ اٰخِرِنَا وَ اٰیَۃً مِّنۡكَ ۚ وَ ارۡزُقۡنَا وَ اَنۡتَ خَیۡرُ الرّٰزِقِیۡنَ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা রাব্বানা আনজিল আলাইনা মায়িদাতাম মিনাস সামায়ি তাকানু লানা ঈদান লিআওয়ালিনা ওয়াআখিরিনা ওয়া আয়াতাম মিনকা। ওয়ার জুকনা ওয়া আনতা খাইরুর রজিকিন।
অর্থ: হে আল্লাহ, হে আমাদের রব, আসমান থেকে আমাদের প্রতি খাবারসহ দস্তরখান নাজিল করুন, যা আমাদের জন্য আনন্দের কারণ হবে; আমাদের পূর্ববর্তী ও পরবর্তীদের জন্যও। আর আপনার পক্ষ থেকে এক নিদর্শন হবে। এছাড়া আমাদের রিজিক দান করুন, আপনিই শ্রেষ্ঠ রিজিকদাতা। (সুরা মায়েদা ১১৪)
হাদিস থেকে অভাব দূর হওয়া দোয়া
হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে আছে, নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি বেশি বেশি এই দোয়াটি পাঠ করবে তার অভাব-অনটন দূর হয়ে যাবে।
اللّهُمَّ إنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْفَقْرِ، وَالْقِلَّةِ، وَالذِّلَّةِ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ أَنْ أَظْلِمَ أو أُظْلَمَ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল ফাকরি, ওয়াল কিল্লাতি, ওয়াজজিল্লাতি, ওয়া আউজুবিকা মিন আন আজলিমা আও উজলিমা। (বুখারি ১৫৪৪)
অর্থ: হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই দরিদ্রতা থেকে এবং আপনার কম দয়া থেকে ও অসম্মান থেকে এবং আমি আপনার কাছে আরও আশ্রয় চাচ্ছি, কাউকে জুলুম করা থেকে অথবা কারও দ্বারা অত্যাচারিত হওয়া থেকে।
ভোরের আকাশ/জেআ