শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

অতিথি পাখির আগমনে মুখরিত হাকালুকি হাওর

ফিচার ডেষ্ক

প্রকাশ : ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ৪:১২ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

হাকালুকি হাওর বাংলাদেশের বৃহত্তম মিঠা পানির জলাভূমিগুলোর মধ্যে অন্যতম, যা শীতকালে সাইবেরিয়া ও অন্যান্য অঞ্চল থেকে আসা হাজার হাজার অতিথি পাখির নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে পরিচিত, যেখানে বিভিন্ন প্রজাতির জলচর পাখি বিচরণ করে, তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অবৈধ শিকার ও পরিবেশগত অবক্ষয়ের কারণে পাখির আগমন সংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে, যদিও এটি এখনও পাখি দেখা ও জীববৈচিত্র্য উপভোগের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান।

ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ মিঠাপানির হাওর হাকালুকি এখন অতিথি পাখির কলতানে মুখরিত। আর এসব অতিথি পাখি দেখতে পাখিপ্রেমীরা দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এসে প্রতিদিন ভিড় করছেন হাকালুকি হাওরে। অতিথি পাখিরা কখনও জলকেলি, কখনও খাদ্যের সন্ধানে এক বিল থেকে অন্য বিলে ওড়াউড়ি করছে। আর তাদের কলকাকলিতে অদ্ভুত এক মোহনীয় পরিবেশের সৃষ্টি হচ্ছে। এখনও প্রতি রাতে ঝাঁকে ঝাঁকে অতিথি পাখি হাকালুকি হাওরে আসছে।

ছবি: সংগৃহীত

হাকালুকি হাওরের আয়তন ১৮ হাজার ১১৫ হেক্টর। মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলার পাঁচটি উপজেলাজুড়ে এর বিস্তৃতি। হাওরের বেশিরভাগ অংশই পড়েছে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায়। সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ এলাকায় পড়েছে হাওরের ১৫ শতাংশ। এ হাওরে সব মিলিয়ে ২৩৮টি বিল রয়েছে, যেগুলো বালিহাঁস, চিতিহাঁস, সরালি, চখাচকি, নীল শিরসহ নানা প্রজাতির অতিথি পাখির বিচরণক্ষেত্র। তবে হাওরের বাইয়া, হাওরখাল, গজুয়া, রঞ্চি ও কালাপানি জলাশয়েই বেশি দেখা মেলে এসব অতিথি পাখির।

বাংলাদেশ বার্ড ক্লাব সূত্রে জানা যায়, গত বছর হাকালুকির ৪০টি বিলে পাখিশুমারিতে ৫০ প্রজাতির ৫৮ হাজার ২৮৯টি পাখির দেখা মিলেছে। ৩৭ হাজার ৩৩৮টি বিভিন্ন প্রজাতির হাঁস ও এক হাজার ৪৭৩টি সৈকত পাখি পাওয়া যায়।

হাওর পারের গ্রামগুলোর মানুষের এখন ঘুম ভাঙে অতিথি পাখির কলতানে। সেই সঙ্গে প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে শত শত পর্যটক হাকালুকি হাওরে এসে প্রকৃতির এ নয়নাভিরাম দৃশ্যে মুগ্ধ হচ্ছেন।

ছবি: সংগৃহীত

হাকালুকি হাওর রক্ষণাবেক্ষণে উন্নয়ন সংস্থা সিএনআরএসের আশিঘর গ্রাম সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি হেলাল উদ্দিন বলেন, শীতের শুরু থেকেই নানা প্রজাতির অতিথি পাখি হাকালুকি হাওরে আসছে। বাংলাদেশ বার্ড ক্লাবের সভাপতি ড. ইনাম আল হক বলেন, কয়েক বছর ধরে পাখির আগমন কমে গেছে। গত বছর পাখিশুমারিতে বিলুপ্ত প্রজাতির কোনো পাখি পাওয়া যায়নি।

ফেঞ্চুগঞ্জের ইউএনও এএসএম জাহিদুর রহমান বলেন, পাখির খাবার কমে যাওয়া, ফাঁদ পেতে পাখি শিকার, মানুষের উপদ্রবের কারণে কয়েক বছর ধরে অতিথি পাখির সংখ্যা কমছে। অতিথি পাখি সংরক্ষণে হাওর এলাকার জনসাধারণকে আরও সচেতন হতে হবে।

ভোরের আকাশ/তা.কা

 

অতিথি পাখিহাকালুকি হাওর

শেয়ার করুন: