শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

গ্রিন টি-এর ১০টি প্রমাণ-ভিত্তিক স্বাস্থ্য উপকারিতা

ফিচার ডেস্ক

প্রকাশ : ৭ আগস্ট ২০২৫, ১২:২৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
গ্রিন টি-এর ১০টি প্রমাণ-ভিত্তিক স্বাস্থ্য উপকারিতা
গ্রিন টি-এর ১০টি প্রমাণ-ভিত্তিক স্বাস্থ্য উপকারিতা

গ্রিন টি কেবল তার স্বাদেই অনন্য নয়, বরং এর অসংখ্য স্বাস্থ্য উপকারিতার জন্য বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়।

হৃদ্‌রোগ প্রতিরোধ থেকে ওজন নিয়ন্ত্রণ পর্যন্ত—গ্রিন টি হয়ে উঠেছে স্বাস্থ্যকর জীবনের নির্ভরযোগ্য অংশ। চলুন জেনে নিই এর ১০টি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত স্বাস্থ্য উপকারিতা।

১. অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উৎস: গ্রিন টি পলিফেনল–সমৃদ্ধ, বিশেষ করে EGCG (Epigallocatechin Gallate)। এটি শরীরের কোষকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে রক্ষা করে, প্রদাহ কমায় এবং বার্ধক্য বিলম্বিত করে।

২. হৃদ্‌রোগ প্রতিরোধে সহায়ক: গ্রিন টি-তে থাকা ক্যাটেচিন এলডিএল কোলেস্টেরল কমায় এবং রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি কমিয়ে হৃদ্‌রোগের আশঙ্কা হ্রাস করে।

৩. ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে: গ্রিন টি-তে থাকা ক্যাফেইন ও ক্যাটেচিন মেটাবলিজম বাড়িয়ে চর্বি পোড়াতে সাহায্য করে। এটি অতিরিক্ত চর্বি ঝরাতে সহায়ক।

৪. ক্যানসার প্রতিরোধে সম্ভাব্য উপকারী: গবেষণায় দেখা গেছে, গ্রিন টি–তে থাকা EGCG কিছু নির্দিষ্ট ধরনের ক্যানসারের কোষ বৃদ্ধির হার কমাতে পারে। তবে মানুষের ক্ষেত্রে আরও গবেষণা প্রয়োজন।

৫. মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ায়: গ্রিন টি-র ক্যাফেইন ও এল-থিয়ানিন মিলে মনোযোগ, স্মৃতি ও মানসিক স্বচ্ছতা বাড়ায়। এল-থিয়ানিন মানসিক চাপও কমায়।

৬. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক: গ্রিন টি ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বাড়ায় এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে, যা টাইপ-২ ডায়াবেটিস ব্যবস্থাপনায় সহায়ক।

৭. ত্বকের জন্য ভালো: গ্রিন টি-তে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বককে দূষণ ও রোদ থেকে রক্ষা করে, বার্ধক্য প্রতিরোধ করে এবং ব্রণ কমাতে সাহায্য করে।

৮. প্রদাহ রোধ করে: গ্রিন টি শরীরের দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহ কমাতে সহায়তা করে। এটি আর্থ্রাইটিস বা হৃদ্‌রোগজনিত প্রদাহ হ্রাসে কার্যকর।

৯. মুখ ও দাঁতের স্বাস্থ্য রক্ষা করে: গ্রিন টি–তে থাকা ক্যাটেচিন মুখের ব্যাকটেরিয়া দমন করে, দাঁতের ক্ষয় ও মুখের দুর্গন্ধ প্রতিরোধ করে।

১০. মানসিক চাপ কমায়: গ্রিন টি-র এল-থিয়ানিন মস্তিষ্কে প্রশান্তি সৃষ্টি করে, চাপ কমায় এবং ঘুমে সহায়তা করে—ক্যাফেইনের উদ্দীপক প্রভাবকে ভারসাম্য দেয়।

ভোরের আকাশ/তাকা

উপকারিতাচাফিচার

শেয়ার করুন: