শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

“মেঘ ছোঁয়া পাহাড়ে—বাংলার দার্জিলিংয়ের রঙিন ভ্রমণকথা”

ফিচার ডেষ্ক

প্রকাশ : ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৩:০৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বান্দরবান জেলার পাহাড়ির প্রান্তরে লুকিয়ে আছে এক অপরূপ গ্রাম— দার্জিলিং পাড়া। ছোট হলেও নৈসর্গিক সৌন্দর্যে ভরা এই গ্রামটি বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে এক বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। এখানে পাহাড়, ঘন বন, ছোট নদী, ঝরনা এবং রঙিন ছোট্ট ঘরগুলো একত্রে এমন এক দৃশ্য তৈরি করেছে, যা চোখে অবিস্মরণীয় ছাপ ফেলে।

ছবি: সংগৃহীত

বান্দরবান হচ্ছে শৈল শহর। আমাদের দার্জিলিং। পাহাড় আর পাহাড়। পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে সৌন্দর্য লুকানো। ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর বসবাস। চোখে পড়বে তাদের বিভিন্ন কার্যক্রম। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও। যেতে যেতে সুর ভাসে বিভিন্ন উপজাতীয়দের গান। মজার না? আবার রোমাঞ্চ! পাহাড় পেরিয়ে বিভিন্ন লোকেশনে প্রাকৃতিক দৃশ্য সত্যিই মনোরম লাগে। পাহাড়ের ভাঁজে পাহাড়ি ফুল। রংবেরঙের ফুল মোহিত করে। দেয় দৃষ্টিসুখ।

ছবি: সংগৃহীত

গ্রামের স্থাপত্যও এক ধরনের নৈসর্গিক সামঞ্জস্য বজায় রাখে। সব ঘর পাহাড়ের ঢালানিতে সুন্দরভাবে সাজানো, যেন প্রতিটি বাড়ি নিজস্ব ছন্দে পাহাড়ের সঙ্গে মিলিয়ে গেছে। এই কারণে অনেক ভ্রমণকারী এই গ্রামকে ‘বাংলাদেশের দার্জিলিং’ বলে অভিহিত করেন। প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের এই সুন্দর সমন্বয় পর্যটকদের মনকে স্পর্শ করে।  

গ্রামের মানুষরা আন্তরিকতার একটি আলাদা উদাহরণ। তারা শুধু অতিথিকে হাসিমুখে স্বাগত জানায় না, বরং নিজেদের দৈনন্দিন জীবন এবং ছোট গল্প শেয়ার করে। এই বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ এবং প্রকৃতির সৌন্দর্য একসঙ্গে মিলে দার্জিলিং পাড়াকে একটি শান্তিপূর্ণ স্বর্গরাজ্যে রূপান্তরিত করেছে। শহরের ব্যস্ততা ও ভিড় থেকে দূরে এসে এই গ্রামের মানুষদের আন্তরিকতা একজন ভ্রমণকারীর মনকে সান্ত্বনা দেয়।

ছবি: সংগৃহীত

ছোট পাহাড়ি নদী, ঝরনা এবং সবুজ মাঠের মিলন দার্জিলিং পাড়াকে দিয়েছে এক অনন্য পরিচয়। গ্রামের প্রতিটি পদক্ষেপে মনে হবে যেন আপনি কোনো স্বপ্নের গল্পের মধ্যে হেঁটে চলেছেন। বসন্তের সময় এখানে বিভিন্ন বন্য ফুল ফোটে, পাহাড়ের বাতাসে একটি প্রাকৃতিক সুগন্ধ ভেসে আসে। বর্ষার সময় ঝরনাগুলো পূর্ণ প্রবাহে থাকে এবং নদীগুলো শান্তভাবে বয়ে চলে, যা গ্রামটিকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।

দার্জিলিং পাড়ার প্রতিটি সকাল কেবল চোখ নয়, মনকেও সতেজ করে। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে পাহাড়ের ওপর লাল ও সোনালী আলো পড়ার দৃশ্য এক আলাদা মোহ সৃষ্টি করে। যারা প্রকৃতির কাছাকাছি শান্তি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য খুঁজছেন, তাদের জন্য এই গ্রাম এক অনন্য অভিজ্ঞতা।

যদি সত্যিই আপনি প্রকৃতির কাছে এসে শান্তি, সৌন্দর্য এবং আধ্যাত্মিক প্রশান্তি অনুভব করতে চান—দার্জিলিং পাড়া আপনার জন্য অপেক্ষা করছে। একবার এখানে এসে দেখলেই বুঝবেন, কেন এই গ্রামকে বাংলাদেশের ‘দার্জিলিং’ বলা হয়।

ভোরের আকাশ/তা.কা


 

 

 

বাংলার দার্জিলিং

শেয়ার করুন: