শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

‘অভদ্র’ বলে পরিচিত স্পষ্টবাদীরাই কি বেশি সৎ?

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ১৫ জুন ২০২৬, ৬:১২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

আমাদের আধুনিক সমাজে ‘ভদ্রতা’র এক অদ্ভুত সংজ্ঞায়ন চলছে। সামাজিকতা রক্ষা আর সবার চোখে ভালো সাজার প্রতিযোগিতায় আমরা অনেকেই এখন নিজস্বতা হারিয়ে ফেলছি। কিন্তু সম্প্রতি এক মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক বিতর্কে একটি দাবি বেশ জোরালো হয়ে উঠেছে— “মুখোশধারী ভদ্র হওয়ার চেয়ে স্পষ্টবাদী অভদ্র হওয়া অনেক ভালো।”

মুখোশধারী ভদ্রতা: এক বিষাক্ত শান্ত্বনা

মনোবিদদের মতে, মুখোশধারী ভদ্ররা হলেন সেই সব মানুষ যারা ভেতরে একরকম আর বাইরে আরেকরকম। তারা তর্কে জড়ান না ঠিকই, কিন্তু আড়ালে ষড়যন্ত্র বা নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করেন। এই ধরনের ‘প্যাসিভ অ্যাগ্রেসিভ’ আচরণ একটি সম্পর্কের জন্য দীর্ঘমেয়াদী ক্যান্সারের মতো। সামনে মিষ্টি হাসি আর পেছনে সমালোচনা—এই কৃত্রিমতা সমাজের নৈতিক ভিত্তিকে দুর্বল করে দিচ্ছে। মানুষ যখন তার অপছন্দ বা দ্বিমত চেপে রেখে কেবল লোকদেখানো ভদ্রতা করে, তখন সেখানে বিশ্বাসের কোনো জায়গা থাকে না।

স্পষ্টবাদিতা কি সত্যিই অভদ্রতা?

অন্যদিকে, যারা সরাসরি কথা বলেন বা নিজের অপছন্দের বিষয়টি মুখের ওপর স্পষ্ট করে জানান, সমাজ প্রায়ই তাদের গায়ে ‘অভদ্র’ তকমা এঁটে দেয়। কিন্তু একটু গভীরভাবে চিন্তা করলে দেখা যায়, এই ‘অভদ্রতা’ আসলে এক ধরণের সততা। স্পষ্টবাদী মানুষগুলো অন্তত ধোঁয়াশা তৈরি করে না। তারা যা ভাবেন, তা-ই প্রকাশ করেন। এতে সাময়িকভাবে কারো মনে কষ্ট লাগলেও, দিনশেষে সেখানে কোনো কপটতা থাকে না। একটি স্পষ্ট ‘না’ হাজারো মিথ্যে ‘হ্যাঁ’-র চেয়ে অনেক বেশি সম্মানজনক।

বিশ্বাসের মানদণ্ড

আরও পড়ুন

বাংলা চলচ্চিত্রের উজ্জ্বল নক্ষত্র শাবানা

একজন স্পষ্টবাদী মানুষের ওপর আপনি অন্তত বিশ্বাস রাখতে পারেন যে, তিনি আপনার ক্ষতি করতে চাইলে তা আপনার অগোচরে করবেন না। কিন্তু একজন মুখোশধারী ভদ্র মানুষের প্রকৃত রূপ চেনা দায়। সমাজ এখন ধীরে ধীরে বুঝতে শুরু করেছে যে, কৃত্রিম ভদ্রতার চেয়ে অপ্রিয় সত্য এবং স্পষ্ট অবস্থান সম্পর্কের গভীরতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে।

ভদ্রতা একটি অলঙ্কার হওয়া উচিত, কোনো আবরণ নয়। ব্যক্তিত্বের বলিষ্ঠতা আসে সত্য বলার সাহস থেকে। তাই লোকদেখানো ভদ্রতার আবরণে নিজেকে লুকিয়ে না রেখে, স্পষ্ট কথা বলার সাহস অর্জন করাই ব্যক্তিত্বের প্রকৃত পরিচয়। কারণ, স্পষ্টবাদিতা সাময়িক তিক্ততা তৈরি করলেও, দীর্ঘমেয়াদে তা সম্মান ও স্বচ্ছতা বজায় রাখে।

ভোরের আকাশ/জেআ

মনোবিজ্ঞানভদ্রতাঅভদ্রতাসামাজিক আচরণ

শেয়ার করুন: