শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

একদিনের ভ্রমণে ঘুরে আসুন লালবাগ কেল্লায়

ফিচার ডেস্ক

প্রকাশ : ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৩:১৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

লালবাগ কেল্লা (lalbag kella) রাজধানী ঢাকার দক্ষিণে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে বংশাল থানার লালবাগ নামক জায়গায় অবস্থিত। লালবাগ কেল্লার প্রাচীন নাম ছিল ‘কিল্লা আওরঙ্গবাদ’। ৩০০ বছরেরও বেশি বয়স এই কেল্লার। প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন হিসেবে লালবাগ কেল্লার আজও কালের সাক্ষী বহন করছে।

ছবি: সংগৃহীত

লালবাগ কেল্লা বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থাপনা। এটি পুরান ঢাকার লালবাগ এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত। লালবাগ কেল্লার ইতিহাস অত্যন্ত রোমাঞ্চকর ও নানা ঘটনা প্রবাহে পরিপূর্ণ।

প্রথমে সম্রাট আওরঙ্গজেব এই দুর্গের নির্মাণের পরিকল্পনা করেন।কিন্তু তার পুত্র যুবরাজ শাহজাদা আজম ১৬৭৮ খ্রিষ্টাব্দে এর নির্মাণ কাজ শুরু করেন। শুরুতে এই দুর্গের নাম রাখা হয়েছিল আওরঙ্গবাদ কেল্লা। তবে ১৬৮৪ সালে সুবেদার শায়েস্তা খাঁনের কন্যা পরী বিবি মারা যাওয়ার পর দুর্গের নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে ১৮৪৪ সালে এলাকাটির নাম পরিবর্তন করে আওরঙ্গবাদ থেকে লালবাগ রাখা হয় এবং একইসঙ্গে কেল্লার নামও লালবাগ কেল্লা হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।

ছবি: সংগৃহীত

বর্তমানে এই কেল্লাটি বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন স্থান।লালবাগ কেল্লার প্রধান তিনটি স্থাপনার মধ্যে অন্যতম হল পরী বিবির সমাধি। এটি একটি বর্গাকৃতির মার্বেল পাথর দ্বারা নির্মিত সমাধি সৌধ। যার প্রত্যেক বাহুর দৈর্ঘ্য ২০.২ মিটার।

এর উপরে তামার পাত দিয়ে মোড়ানো একটি কৃত্রিম গম্বুজ রয়েছে। দুর্গটি এখন একটি জাদুঘর হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। যা সুবেদার শায়েস্তা খাঁনের বাসভবন ও দরবার হল হিসেবে ব্যবহৃত হত। কেল্লার তিনটি ফটক থাকলেও দুইটি ফটক বন্ধ রাখা হয়েছে।

ছবি: সংগৃহীত

এ ছাড়া এখানে রয়েছে লালবাগ দুর্গ মসজিদ, একটি সুন্দর ফোয়ারা, দেওয়ান-ই-আম, পানির ট্যাংক, তৎকালীন যুদ্ধে ব্যবহৃত কামান ও তোপ সহ নানা ঐতিহাসিক নিদর্শন।

বর্তমানে লালবাগ কেল্লা প্রতিদিন পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত থাকে। তবে এটি সাপ্তাহিক রবিবার বন্ধ থাকে ও সোমবার অর্ধদিবসের জন্য বন্ধ থাকে। বিশেষ সরকারি ছুটির দিনেও কেল্লা বন্ধ থাকে। তাই এখানে যাওয়ার আগে সময়সূচী যাচাই করে নেয়া উচিত।

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকার অভ্যন্তরে যেকোনো স্থান থেকে লালবাগ কেল্লায় যাওয়া সহজ। আপনি গুলিস্তান গোলাপ শাহ মাজার থেকে রিকশা, সিএনজি বা লেগুনায় করে কেল্লায় পৌঁছাতে পারবেন। যদি আপনি সদরঘাট থেকে আসেন, তবে রিকশা বা লেগুনায় বাবুবাজার ব্রিজ হয়ে লালবাগ কেল্লায় যেতে পারেন। লালবাগ কেল্লার ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও সৌন্দর্য দেখে একদিনের ভ্রমণ নিশ্চিতভাবে আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা প্রদান করবে।

ভোরের আকাশ/তা.কা

লালবাগ কেল্লা

শেয়ার করুন: