শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

জমির পর্চা সম্পর্কে যা জানা জরুরি

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ১৪ জুলাই ২০২৬, ২:১১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

জমির মালিকানা যাচাই, কেনাবেচা, নামজারি কিংবা আদালতে আইনি প্রক্রিয়ায় জমির দলিলের পাশাপাশি পর্চা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নথি। একসময় এই নথি সংগ্রহ করা ছিল বেশ সময়সাপেক্ষ। তবে বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে ঘরে বসেই অনলাইনে জমির পর্চা খুঁজে দেখা এবং আবেদন করে সংগ্রহ করা সম্ভব।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী ইশরাত হাসানের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জমির পর্চা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো তুলে ধরা হলো—

জমির পর্চা কী?

জমির পর্চা হলো খতিয়ানের একটি প্রাথমিক বা খসড়া কপি, যা জমির বর্তমান মালিক বা দখলদারের তথ্য বহন করে। জমি ক্রয়-বিক্রয়, ব্যাংক ঋণ গ্রহণ, নামজারি (মিউটেশন) এবং জমি-সংক্রান্ত বিরোধে আদালতে এটি গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। পর্চা না থাকলে জমির মালিকানা প্রমাণে আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে।

কেন গুরুত্বপূর্ণ?

পর্চা জমির মালিকানা যাচাইয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নথি। এটি জমির প্রকৃত মালিক, দাগ নম্বর, খতিয়ান এবং সংশ্লিষ্ট তথ্য নিশ্চিত করতে সহায়তা করে। এছাড়া সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে জমি-সংক্রান্ত কাজেও এর প্রয়োজন হয়।

অনলাইনে যেভাবে পর্চা খুঁজবেন

বর্তমানে নির্দিষ্ট মৌজা, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর কিংবা মালিকের নাম ব্যবহার করে অনলাইনে জমির পর্চা অনুসন্ধান করা যায়। এ জন্য-

  • ই-পর্চা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে।
  • বিভাগ, জেলা, উপজেলা ও মৌজা নির্বাচন করতে হবে।
  • এরপর খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর অথবা মালিকের নাম দিয়ে অনুসন্ধান করতে হবে।
  • তথ্য সঠিক হলে সংশ্লিষ্ট জমির খতিয়ানের বিস্তারিত তথ্য দেখা যাবে।

অনলাইনে আবেদন করতে যা লাগবে

অনলাইনে পর্চা সংগ্রহের জন্য আবেদন করার সময় প্রয়োজন হবে-

  • বিভাগ, জেলা, উপজেলা ও মৌজার তথ্য 
  • খতিয়ান নম্বর বা দাগ নম্বর
  • জমির মালিকের নাম
  • আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি)
  • সচল মোবাইল নম্বর
  • অনলাইনে ফি পরিশোধের ব্যবস্থা
  • সার্টিফাইড কপি যেভাবে পাওয়া যাবে।

প্রথমে অনলাইনে সংশ্লিষ্ট খতিয়ান খুঁজে বের করতে হবে। এরপর নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে আবেদন করতে হবে। আবেদন অনুমোদিত হলে সার্টিফাইড কপি অনলাইনে ডাউনলোড করা যাবে অথবা ডাকযোগে আবেদনকারীর ঠিকানায় পাঠানো হবে। এই কপি আইনি কাজে গ্রহণযোগ্য।

পর্চা ও খতিয়ানের পার্থক্য

আরও পড়ুন

আগামী ৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস, দক্ষিণাঞ্চলে অতিভারী বর্ষণের শঙ্কা

খতিয়ান হলো জমির পূর্ণাঙ্গ সরকারি রেকর্ড, যেখানে মালিকানা, দাগ নম্বর, জমির শ্রেণি, অংশ এবং খাজনাসহ বিস্তারিত তথ্য সংরক্ষিত থাকে। অন্যদিকে, পর্চা হলো সেই খতিয়ানের ব্যবহারযোগ্য একটি কপি, যা মূলত তথ্য যাচাই ও প্রাথমিক প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জমির মালিকানা সংক্রান্ত যেকোনো লেনদেন বা আইনি প্রক্রিয়ার আগে পর্চা ও খতিয়ানের তথ্য যাচাই করা উচিত। বর্তমানে অনলাইন সেবার মাধ্যমে সহজেই এসব নথি সংগ্রহ করা সম্ভব হওয়ায় জমি-সংক্রান্ত সেবাও হয়েছে আরও সহজ ও দ্রুত।

ভোরের আকাশ/জেআ

জমির খতিয়ানভূমি রেকর্ডভূমি মন্ত্রণালয়

শেয়ার করুন: