শিরোনাম
৪ ডিসেম্বর হচ্ছে না মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষাএকনেকে ৫৮ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদনচীনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারের আহ্বান রাষ্ট্রপতিরপ্রযুক্তিনির্ভর ও আন্তর্জাতিক মানের ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীজাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে স্মারক ডাক টিকেট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রীসোনার ভরিতে বাড়লো ৩ হাজার ৩২৪ টাকাতেহরানে ট্রাম্পকে হত্যার অঙ্গীকার সংবলিত বিলবোর্ড ও ব্যানার উন্মোচনডিসেম্বরে নির্ধারণ হবে পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরি৪ ডিসেম্বর হচ্ছে না মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষাএকনেকে ৫৮ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদনচীনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারের আহ্বান রাষ্ট্রপতিরপ্রযুক্তিনির্ভর ও আন্তর্জাতিক মানের ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীজাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে স্মারক ডাক টিকেট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রীসোনার ভরিতে বাড়লো ৩ হাজার ৩২৪ টাকাতেহরানে ট্রাম্পকে হত্যার অঙ্গীকার সংবলিত বিলবোর্ড ও ব্যানার উন্মোচনডিসেম্বরে নির্ধারণ হবে পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরি

ক্যান্ডিপ্রেমীদের জন্য বিশেষ দিন আজ

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৪:৪৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ক্যান্ডি মানেই মিষ্টি স্বাদ আর শৈশবের রঙিন স্মৃতি। চকোলেট, টফি, লজেন্স কিংবা জেলি ক্যান্ডি—নাম শুনলেই অনেকের মনে পড়ে ছোটবেলার নানা আনন্দের মুহূর্ত। ক্যান্ডির প্রতি মানুষের এই ভালোবাসা উদ্‌যাপন করতে প্রতিবছর ৪ নভেম্বর পালিত হয় ক্যান্ডি দিবস।

কেন পালিত হয় ক্যান্ডি দিবস?

ক্যান্ডি দিবস মূলত বিভিন্ন ধরনের মিষ্টি ও ক্যান্ডির প্রতি মানুষের ভালোবাসা উদ্‌যাপনের একটি উপলক্ষ। শৈশবে স্কুল থেকে ফেরার পথে দোকান থেকে ক্যান্ডি কেনা, জন্মদিনে চকোলেট পাওয়া কিংবা বাবার কাছে আবদার করে পছন্দের মিষ্টি খাওয়ার স্মৃতি অনেকের কাছেই বিশেষ।

শুধু শিশুরাই নয়, বড়দের কাছেও ক্যান্ডি বেশ জনপ্রিয়। বিভিন্ন স্বাদের ক্যান্ডি অনেকের মন ভালো করার পাশাপাশি পুরোনো দিনের স্মৃতিও ফিরিয়ে আনে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জনপ্রিয় ক্যান্ডি

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নানা ধরনের ক্যান্ডি জনপ্রিয়। যুক্তরাষ্ট্রে রিসেস পিনাট বাটার কাপ ও এমঅ্যান্ডএমস বেশ পরিচিত। কানাডায় কিটক্যাটের চাহিদা রয়েছে। ডেনমার্কে হারিবোর তৈরি গামি বিয়ার জনপ্রিয়।

অন্যদিকে, যুক্তরাজ্যে ক্যাডবেরি চকোলেট, রাশিয়ায় অ্যালপেন গোল্ড এবং চিলিতে অ্যামব্রোসোলি ব্র্যান্ডের বিভিন্ন ধরনের চকোলেট ও ফলের ক্যান্ডি বেশ পরিচিত।

ক্যান্ডির ইতিহাস কত পুরোনো?

ক্যান্ডির ইতিহাস বেশ প্রাচীন। ত্রয়োদশ শতকের শুরুর দিকে আরবি ‘কান্দি’ শব্দটি ফরাসি ভাষার মাধ্যমে ইংরেজিতে প্রবেশ করে। শব্দটির অর্থ চিনির তৈরি বা চিনিযুক্ত।

প্রাচীনকাল থেকেই মধু দিয়ে বিভিন্ন ধরনের মিষ্টি খাবার তৈরি করা হতো। মিসরীয়, আরব ও চীনারা ফল সংরক্ষণের জন্য মিষ্টি আবরণ ব্যবহার করতেন। আদা ও খেজুরের মতো ফলও মিষ্টি করে সংরক্ষণ করা হতো।

পরবর্তী সময়ে দক্ষিণ আমেরিকার অ্যাজটেক ও মায়া সভ্যতার মানুষ কোকো দিয়ে পানীয় তৈরি করতেন। স্প্যানিশরা কোকো ইউরোপে নিয়ে যাওয়ার পর চকোলেট জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ১৮৪৭ সালে প্রথম চকোলেট বার তৈরি হয় বলে জানা যায়।

উনিশ শতকের শুরুর দিকে লেমন ড্রপ ও পেপারমিন্টের মতো শক্ত ক্যান্ডি জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করে। এরপর ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন অঞ্চলে গড়ে ওঠে ক্যান্ডির দোকান ও উৎপাদন প্রতিষ্ঠান।

যেভাবে উদযাপন করবেন দিনটি

আরও পড়ুন

নতুন ল্যান্ডফিল নির্মাণে ১২০ কোটি টাকা দিচ্ছে জাইকা

ক্যান্ডি দিবস উদযাপনে বড় কোনো আয়োজনের প্রয়োজন নেই। নিজের পছন্দের ক্যান্ডি কিনে খেতে পারেন। চাইলে নতুন কোনো স্বাদের ক্যান্ডিও চেখে দেখতে পারেন।

এছাড়া পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘরেই তৈরি করতে পারেন নানা স্বাদের মিষ্টি। শিশুদের সঙ্গে মিষ্টি তৈরির আয়োজনও হতে পারে আনন্দের উপলক্ষ। প্রিয়জনকে এক প্যাকেট ক্যান্ডি উপহার দিয়েও দিনটিকে বিশেষ করে তুলতে পারেন।

ভোরের আকাশ/জেআ

শেয়ার করুন: