শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ইন্টারনেট ও ডেটা সেন্টার সচল রাখতে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহের দাবি

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ৩ এপ্রিল ২০২৬, ৮:৩০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে জ্বালানি সংকটের প্রভাব বাংলাদেশেও স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে। দেশের টেলিযোগাযোগ, ইন্টারনেট ও ডেটা সেন্টারের সেবা মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এ অবস্থায় এসব সেবা সচল রাখতে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনটি এ তথ্য জানিয়েছে।

বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ বিবৃতিতে বলেন, টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক, মোবাইল অপারেটর, ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার এবং ডেটা সেন্টারগুলো এখন দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর অংশ। এই সেবাগুলো সচল রাখতে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। জ্বালানি সংকটের কারণে যদি এসব সেবা ব্যাহত হয়, তাহলে দেশের অর্থনীতি, অনলাইন শিক্ষা, ই-কমার্স এবং সরকারি ডিজিটাল সেবাসমূহ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে অনেক এলাকায় টাওয়ার, নেটওয়ার্ক স্টেশন ও ডেটা সেন্টারগুলো পর্যাপ্ত জ্বালানি না পাওয়ায় সেবা বিঘ্নিত হচ্ছে। ফলে গ্রাহকরা দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারকে জরুরি ভিত্তিতে টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি খাতকে ‘অগ্রাধিকারভিত্তিক সেবা’ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে এবং এসব খাতে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।

জ্বালানি নিয়ে পাঁচটি সুপারিশ জানিয়েছে সংগঠনটি। সেগুলো হলো—
১. টেলিযোগাযোগ, ইন্টারনেট ও ডেটা সেন্টার খাতকে জরুরি সেবা হিসেবে ঘোষণা করা।
২. মোবাইল টাওয়ার, এক্সচেঞ্জ ও ডেটা সেন্টারে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা।
৩. বিকল্প জ্বালানি (যেমন: সৌর শক্তি, ব্যাটারি ব্যাকআপ) ব্যবহারে প্রণোদনা প্রদান।
৪. জ্বালানি সরবরাহে বিশেষ কোটা বা অগ্রাধিকার বরাদ্দ নিশ্চিত করা।
৫. নিয়মিত মনিটরিং ও সমন্বয়ের মাধ্যমে সেবা বিঘ্ন রোধ করা।

বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন মনে করে, ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে এই খাতগুলোকে সচল রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

ভোরের আকাশ/এনউব

ইন্টারনেট ও ডেটা

শেয়ার করুন: