চলতি অর্থবছরের জন্য সরকারের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (আরএডিপি) অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি)। মূল এডিপির তুলনায় এতে প্রায় ১৩ শতাংশ কাটছাঁট করা হয়েছে, যার ফলে মোট বরাদ্দ কমে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ কোটি টাকা। এই কাটছাঁটের পরিমাণ প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা।সোমবার (১২ জানুয়ারি) শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সংশোধিত এডিপিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, সংশোধিত এডিপিতে সরকারি অর্থায়ন এবং বিদেশি ঋণ ও অনুদান—উভয় খাতেই উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বরাদ্দ কমানো হয়েছে। সরকারি অর্থায়নের অংশে বরাদ্দ কমেছে ১৬ হাজার কোটি টাকা, যা মূল বরাদ্দের তুলনায় প্রায় ১১ শতাংশ। অন্যদিকে বিদেশি ঋণ ও অনুদানের ক্ষেত্রে কাটছাঁট হয়েছে ১৪ হাজার কোটি টাকা, যা প্রায় ১৬ শতাংশের বেশি।ফলে সরকারি অর্থায়ন নেমে এসেছে ১ লাখ ২৮ হাজার কোটি টাকায়, আর বিদেশি ঋণ ও অনুদান কমে হয়েছে ৭২ হাজার কোটি টাকা।পরিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তারা জানান, সংশোধিত এডিপিতে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর চাহিদাই ছিল তুলনামূলকভাবে কম। সংশোধনের সময় তারা মোট বরাদ্দ চেয়েছিল প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা। এর পেছনে অন্যতম কারণ হিসেবে উঠে এসেছে চলতি অর্থবছরে প্রকল্প বাস্তবায়নের ধীরগতি।অনেক প্রকল্পে দীর্ঘদিন ধরে প্রকল্প পরিচালক না থাকা, নতুন পরিচালক নিয়োগে বিলম্ব এবং বড় কয়েকটি প্রকল্প সরকারিভাবে পুনর্মূল্যায়নের আওতায় থাকা—এসব কারণে প্রকল্প ব্যয় কম চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি চলতি বছর নির্বাচন বছর হওয়ায় মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোও তুলনামূলকভাবে রক্ষণশীল অবস্থান নিয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।খাতভিত্তিক বরাদ্দের দিকে তাকালে দেখা যায়, সংশোধিত এডিপিতে সবচেয়ে বেশি অর্থ পেয়েছে পরিবহন ও যোগাযোগ খাত। এই খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৩৮ হাজার ৫০৯ কোটি টাকা, যা মোট এডিপির প্রায় এক-পঞ্চমাংশ। এর পরেই রয়েছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত, যেখানে বরাদ্দ হয়েছে ২৬ হাজার ১৮৬ কোটি টাকা।এছাড়া বাসস্থান ও কমিউনিটি সুবিধা, শিক্ষা এবং স্থানীয় সরকার ও গ্রামীণ উন্নয়ন খাতও উল্লেখযোগ্য বরাদ্দ পেয়েছে।তবে সংশোধিত এডিপিতে সবচেয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছে স্বাস্থ্যখাত। দুর্বল বাস্তবায়ন সক্ষমতার কারণে এই খাতে বরাদ্দ প্রায় ৭৪ শতাংশ কমানো হয়েছে। মূল এডিপিতে যেখানে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ ছিল ১৮ হাজার ১৪৮ কোটি টাকা, সেখানে সংশোধনের পর তা নেমে এসেছে মাত্র ৪ হাজার ৭১৮ কোটি টাকায়। শিক্ষা খাতেও বড় ধরনের কাটছাঁট হয়েছে। এই খাতে বরাদ্দ কমানো হয়েছে প্রায় ৩৫ শতাংশ।পরিবহন ও যোগাযোগ খাত মূল এডিপিতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পেলেও সংশোধিত এডিপিতে এখানেও প্রায় ৩৫ শতাংশ অর্থ কমানো হয়েছে। একইভাবে সামাজিক সুরক্ষা খাতে বরাদ্দ কমে এসেছে উল্লেখযোগ্যভাবে। এই খাতে মূল এডিপিতে বরাদ্দ ছিল ২ হাজার ১৮ কোটি টাকা, যা সংশোধনের পর কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৫৪৫ কোটি টাকায়।বিদ্যুৎ খাতে বরাদ্দ কমানো হয়েছে প্রায় ১৯ শতাংশ, আর কৃষি খাতে কমেছে প্রায় ২১ শতাংশ। তবে ব্যতিক্রম হিসেবে উঠে এসেছে পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন ও পানি সম্পদ খাত। সংশোধিত এডিপিতে এই খাতে বরাদ্দ প্রায় ২০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে।মন্ত্রণালয় ও বিভাগভিত্তিক বরাদ্দের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি অর্থ পেয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। এই বিভাগের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৩৭ হাজার ৫৩৪ কোটি টাকা, যদিও এটি মূল এডিপির তুলনায় কিছুটা কম। এরপর রয়েছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং বিদ্যুৎ বিভাগ। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোও উল্লেখযোগ্য বরাদ্দ পেয়েছে।সংশোধিত এডিপিতে বিশেষ উন্নয়ন সহায়তার জন্যও আলাদা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা ও করপোরেশনগুলোর নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলো যুক্ত করলে সংশোধিত এডিপির মোট আকার দাঁড়ায় প্রায় ২ লাখ ৮ হাজার কোটি টাকা।এই সংশোধিত এডিপিতে মোট ১ হাজার ৩৩০টি প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে বিনিয়োগ প্রকল্পের সংখ্যাই বেশি। পরিকল্পনা কমিশন জানিয়েছে, চলতি অর্থবছরে এসব প্রকল্পের মধ্য থেকে ২৮৬টি প্রকল্প শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।ভোরের আকাশ/মো.আ.
৫ দিন আগে
আইপিএল ইস্যুতে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসায় কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দিন। একইভাবে ভারতের সঙ্গে বিভিন্ন ব্যবসায়ী কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলছে বলেও জানান তিনি।রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে নতুন আমদানি নীতি আদেশ সংক্রান্ত এক বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, সামগ্রিকভাবে আমরা উদার বাণিজ্যে বিশ্বাসী। সব দেশের সঙ্গে আমাদের সেভাবেই বাণিজ্য কার্যক্রম চালু রয়েছে। যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত না হয়, সে পর্যন্ত আমরা সুনির্দিষ্ট কোনো দ্বিপক্ষীয় সিদ্ধান্ত নিই না।তবে তিনি জানান, ভারতের সঙ্গে আমাদের বিভিন্ন ধরনের বাণিজ্যিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, এটার কোনো প্রভাব এসেছে কি না সেটা দেখছি।এসময় বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান বলেন, দৈনন্দিন ঘটনাগুলো দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে তেমন প্রভাব ফেলে না। তবে, গত মে মাসে ভারত বিভিন্ন স্থলবন্দর বন্ধ করে দেওয়ায় বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে আমাদের রপ্তানি কমেছে। কিন্তু আমরা সে ধরনের পাল্টা পদক্ষেপ নিইনি।তিনি বলেন, আমাদের অভ্যন্তরীণ সরবরাহ ও জোগান ঠিক রাখার জন্য ভারতে পাট রপ্তানি বন্ধের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। অন্য দেশের ক্ষতি করার জন্য কিছু করা হয়নি।বাণিজ্য সচিব বলেন, আমাদের নীতিগুলো দেশের অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে নেওয়া। আরেকটি দেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্য কখনও করা হয়নি।ভোরের আকাশ/এসএইচ
৬ দিন আগে
বেনাপোল কাস্টমস হাউসে চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে লক্ষমাত্রার বিপরীতে রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে প্রায় ১ হাজার ১৩ কোটি টাকা। বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা এবং মিথ্যা ঘোষনায় রাজস্ব ফাঁকি বাড়ায় এ পরিস্থিতি তৈরী হয়েছে বলছেন বাণিজ্য সংশিষ্টরা। তবে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ বছর শেষে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্র অর্জিত হওয়ার সম্ভবনা ব্যক্ত করেছেন।বেনাপোল আমদানি,রফতানি সমিতির সহসভাপতি আমিনুল হক জানান, দেশের চলমান ১৪ টি বন্দরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি,রফতানি হয়ে থাকে বেনাপোল বন্দর দিয়ে। প্রতি অর্থবছর শুরুতেই আমদানি পণ্য থেকে নিদিষ্ট পরিমানে রাজস্ব আয়ের লক্ষমাত্রা নির্ধারন করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এনবিআর। ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে বেনাপোল কাস্টম হাউসকে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা দেয় ৮ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা ।আর অর্থবছরটির প্রথম ৬ মাসে (জুলাই থেকে ডিসেম্বর) এই এই লক্ষমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছিল ৪ হাজার ১৩৩ কোটি টাকা। তবে ৬ মাসে মাত্র আদায় হয়েছে ৩ হাজার ১২০ দশমিক ০৫ কোটি টাকা। প্রথম ছয় মাসে দেখা গেছে লক্ষমাত্রার চেয়ে ঘাটতি হয়েছে ১ হাজার ১৩ কোটি টাকা।আমদানিকারক হাবিবুর রহমান জানান, বেনাপোল বন্দর দিয়ে বছরে প্রায় ১০ হাজার কোটি রাজস্ব আঢ হবার কথা। তবর ০৫ আগস্ট দেশে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর বাণিজ্যর নিরাপত্তা ঘাটতির সুযোগে আমদানি পণ্য পাচার করে শুল্কফাঁকি এবং আমদানি বাণিজ্য বেশ কিছু পণ্যের উপর নিষেধাজ্ঞায় রাজস্ব ঘাটতির কবলে পড়ে কাস্টমস হাউস।বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ব্যবসায়ী সংঠনের দপ্তর সম্পাদক মোস্তাফিজ্জোহা সেলিম জানান, বৈধ সুবিধা না পেয়ে বেনাপোল বন্দর ব্যবহার কমিয়েছেন অনেক ব্যবসায়ীরা। এছাড়া বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞার কারনেও আমদানি কমেছে। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, দ্রুত পণ্য খালাস ও বৈধ সুযোগ সুবিধা বাড়ানো হলে এপথে আমদানির ও রাজস্ব আয় বাড়বে।বন্দর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক শহীদ আলী জানান, বন্দরে আমদানি কমায় বেকার হয়ে পড়েছে শ্রমিকরা। এ পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে দুই দেশের সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে।বেনাপোল ট্রান্সপোর্ট মালিক সমিতির সাধারন সম্পাদক আজিম উদ্দীন বলেন, বন্দরে আমরাও নিরাপত্তা চাই। তবে নিরাপত্তার নামে দির্ঘক্ষন ধরে ট্রাক আটকে তল্লাশীতে এপথে ব্যবসায়ীরা আমদানি কমিয়েছেন। যতি ভারতের মত বেনাপোল বন্দরে পণ্য প্রবেশ দ্বারে স্কানিং মেশিন থাকে তবে হয়রানি কুমবে।বেনাপোল কাস্টমস হাউসের সহকারি কমিশনার রাহাত হোসেন জানান, বেনাপোল কাস্টমস হাউজে ২০২৫- ২৬ অর্থবছরের জুলাই মাসের জন্য রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দেন ৫০৮ কোটি টাকা। সেখানে আদায় হয়েছে ৫৪৪:০৪ কোটি টাকা। আগস্ট মাসের জন্য লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ৪৯৩ কোটি টাকা। সেখানে আদায় হয়েছে ৪৪৭'৯৩ কোটি টাকা। সেপ্টেম্বর মাসে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬০১ কোটি টাকা। সেখানে আদায় হয়েছে ৫১৩' ৫৮ কোটি টাকা। অক্টোবর মাসে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬৪৫ কোটি টাকা। সেখানে আদায় হয়েছে ৪৪৯.২৮ কোটি টাকা। নভেম্বর মাসে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭৫৫ কোটি টাকা। সেখানে আদায় হয়েছে ৫৬৪.৪১ কোটি টাকা। অথ্যাৎ ডিসেম্বর মাসে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১১৩১ কোটি টাকা। এ মাসে আদায় হয়েছে মাত্র ৬০০. ৮১ কোটি টাকা। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে প্রথম ৬ মাসে বেনাপোল কাস্টমস হাউসের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪ হাজার ১৩৩ কোটি টাকা। এই ছয় মাসে রাজস্ব আদায় হয়েছে ৩ হাজার ১২০ দশমিক ০৫ কোটি টাকা। যারা শুল্কফাঁকির সাথে জড়িত তাদের চিহ্নিত করে জরিমানাসহ কাস্টমস আইনে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। প্রথম ৬ মাসে রাজস্ব কুমলে ও বছর শেষে লক্ষমাত্রা পুরণ হতে আশা করছি।বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামিম হোসেন জানান, সবশেষ ১০ জানুয়ারি বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে আমদানি হয়েছে ২৫৬ মাত্র ট্রাক বিভিন্ন ধরনের পণ্য এবং রফতানির পরিমান ছিল ৮০ ট্রাক। অথচ স্বাভাবিক সময়ে আমদানি হতো ৬ থেকে ৭০০ ট্রাক পণ্য এবং রফতানি ২৫০ থেকে ৩০০ ট্রাক। বাণিজ্যে নিরাপত্তা বাড়াতে দায়িত্ব পালনে অবহেলার কারনে অনেকের বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে।ভোরের আকাশ/মো.আ.
৬ দিন আগে
দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে ১ হাজার ৫০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা।শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম বাড়ানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। আগামীকাল রোববার থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৩৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪২৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।এর আগে, সবশেষ চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ১ হাজার ৫০ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৬ হাজার ৮০৬ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৬ হাজার ৪৮৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৬৬৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল ৯ জানুয়ারি থেকে।এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে ৫ম বারের মতো সমন্বয় করা হলো স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৩ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ২ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।ভোরের আকাশ/এসএইচ
১ সপ্তাহ আগে