শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীর মাছ-মাংস-ডিমের দামে অস্বস্তি, চাপে নিম্নবিত্তরা

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৪৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর বাজারে মাছ, মুরগি ও ডিমের বাজারে এখনো স্বস্তি ফেরেনি। মাছ ও মাংসের দামে বড় কোনো পরিবর্তন নেই, আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। ডজন প্রতি ডিমের দাম এখন ১৫৫ টাকা। মাছের বাজারে একদিন ২০ থেকে ৩০ টাকা কমছে তো পরদিনই আবার বাড়ছে বলে জানিয়েছেন মাছ বিক্রেতারা। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে এ চিত্র দেখা যায়।

বাজারে গিয়ে দেখা যায়, সপ্তাহের ব্যবধানে ডিমের দাম ১০ টাকা বেড়ে ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা ডজন বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে এক ডজনের দাম ছিল ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা। আবার মাছের দাম প্রায় স্থিতিশীল রয়েছে। কোনো মাছের দাম ২০ থেকে ৩০ টাকা প্রতি কেজিতে বেড়েছে। আবার কোনো মাছের দাম ১০-২০ টাকা কমেছে। তবে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকায়। ব্রয়লার মুরগি গত সপ্তাহের মতো আজকেও ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। সোনালি, হাইব্রিড ও লেয়ার মুরগির দাম কেজিতে ১০টাকা কমেছে। সোনালি মুরগি ৩১০ থেকে ৩২০ টাকা, হাইব্রিড ২৯০ থেকে ৩০০ এবং লেয়ার ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে পুকুরে চাষ করা মাছ পাঙাশ প্রতি কেজি ২৩০ টাকা, তেলাপিয়া ২৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। মানভেদে চিংড়ির কেজি ৮০০ থেকে ৯০০, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪৫০, বড় আকারের রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ ও ট্যাংরা ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে। মাঝারি আকারের রুই কেনা যাচ্ছে ২৭০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে। এ ছাড়া, রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে হাজারের বেশি টাকা গুনতে হবে।

রাজধানীর বাজারে মাছ, মুরগি ও ডিমের বাজারে এখনো স্বস্তি ফেরেনি। মাছ ও মাংসের দামে বড় কোনো পরিবর্তন না থাকলেও ডিমের দাম বেড়েছে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। বাজারে গিয়ে দেখা যায়, সপ্তাহের ব্যবধানে ডিমের দাম ডজনে বেড়েছে ১০ টাকা। বর্তমানে প্রতি ডজন ডিম ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে যা ছিল ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা।

মাছের বাজারে অবশ্য দামের বড় কোনো পরিবর্তন নেই। তবে বিক্রেতারা বলছেন, কোনো কোনো মাছের দাম একদিন কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা কমলেও পরদিন আবার বেড়ে যাচ্ছে। আবার কিছু মাছের দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা কমেছে।

বর্তমানে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগি গত সপ্তাহের মতোই ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে সোনালি, হাইব্রিড ও লেয়ার মুরগির দাম কেজিতে প্রায় ১০ টাকা কমেছে। সোনালি মুরগি ৩১০ থেকে ৩২০ টাকা, হাইব্রিড ২৯০ থেকে ৩০০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারে পুকুরে চাষ করা পাঙাশ প্রতি কেজি ২৩০ টাকা ও তেলাপিয়া ২৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। মানভেদে চিংড়ি ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, বড় আকারের রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা এবং ট্যাংরা ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা ও শোল ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে। মাঝারি আকারের রুই পাওয়া যাচ্ছে ২৭০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি দরে।

এ ছাড়া রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে কেজিপ্রতি হাজার টাকার বেশি গুনতে হচ্ছে। সাগরের মাছের দামও হাজার টাকার নিচে নেই। রূপচাঁদা কিনতে গেলেও গুনতে হচ্ছে হাজার টাকার বেশি।

রায়ের বাজারে মাছ কিনতে আসা মৌসুমী আখতার বলেন, মাছের দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেশি মনে হচ্ছে।

মাছের দাম বাড়ায় সবচেয়ে বেশি বেকায়দায় পড়েছেন নিম্নবিত্ত ও সীমিত আয়ের মানুষ। বাজারে তুলনামূলক কম দামের পাঙাশ ও তেলাপিয়াও এখন অনেকের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। এসব মাছ কিনতে কেজিপ্রতি অন্তত ২৫০ টাকা গুনতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা। বাড়তি দামের কারণে অনেক নিম্নবিত্ত পরিবার মাছ কেনার পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছেন। কেউ কেউ নিয়মিত মাছ কেনাও বন্ধ করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন।

আরও পড়ুন

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সকলকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান চসিক মেয়রের

আবুল হোসেন নামে এক দিনমজুর বলেন, ‘আমরা পাঙাশ ও তেলাপিয়া কিনতাম। এখন সেগুলোর দামও বেশি। দিন দিন দাম বাড়ছে, কমার কোনো নাম-গন্ধ নেই।’

রায়ের বাজারের মুরগি বিক্রেতা আনিস আহমেদ বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় এ সপ্তাহে মুরগির দাম কিছুটা কমেছে। তবে এখনো ব্রয়লার মুরগি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। সোনালি মুরগির দামও কিছুটা কমেছে। ডিম ব্যবসায়ী মাছুম বলেন, ডিমের দাম কমেনি। আগের তুলনায় এখনো বেশি। প্রতি ডজন ডিম ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ভোরের আকাশ/সু.পা

শেয়ার করুন: