শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ভারত থেকে পাইপলাইনে আসছে ৭ হাজার টন ডিজেল

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ২৯ মার্চ ২০২৬, ৫:২০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় দেশের জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সমুদ্রপথের পাশাপাশি পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল আমদানিতে জোর দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। এর অংশ হিসেবে ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে ৭ হাজার টন ডিজেল আমদানি শুরু হয়েছে।

শনিবার(২৮ মার্চ) সন্ধ্যা থেকে পাইপলাইনে তেল আসা শুরু হয়। পুরো চালান পৌঁছাতে আরও এক থেকে দুই দিন সময় লাগতে পারে। বিপিসির চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান জানিয়েছেন, বিকল্প সরবরাহব্যবস্থা সচল থাকায় আপাতত জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা নেই।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দেশের কৃষি, সড়ক পরিবহন ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে ডিজেলের ওপর নির্ভরতা সবচেয়ে বেশি। ফলে সরবরাহে সামান্য বিঘ্নও বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। চলতি মাসে ১৭টি জাহাজে ডিজেল আসার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত এসেছে ৯টি। একটি জাহাজ পথে রয়েছে এবং বাকি ৭টির সূচি এখনো অনিশ্চিত।

এই পরিস্থিতিতে পাইপলাইনের ওপর নির্ভরতা বাড়ানো হয়েছে। ইতোমধ্যে ভারত থেকে প্রায় ১৫ হাজার টন ডিজেল এসেছে। এর আগে ২৫ মার্চ ৫ হাজার টন ডিজেল সরবরাহ শুরু হয়।

কর্মকর্তারা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে জ্বালানি পরিবহন ব্যয় বেড়েছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে জাহাজ সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়সূচি বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় পাইপলাইনকে তুলনামূলক স্থিতিশীল ও নির্ভরযোগ্য বিকল্প হিসেবে দেখা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে নুমালিগড় রিফাইনারির সঙ্গে চুক্তির ভিত্তিতে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাইপলাইন নির্মাণ করা হয়, যেটি ২০২২ সালের ডিসেম্বরে চালু হয়। প্রায় ১৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল সরাসরি দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপোতে পৌঁছায়। চুক্তি অনুযায়ী বছরে ১ লাখ ২০ হাজার টন ডিজেল সরবরাহের কথা রয়েছে, অতিরিক্ত ৬০ হাজার টন সরবরাহের সুযোগও রয়েছে।

তবে, সীমিত সংরক্ষণ সক্ষমতার কারণে একবারে বড় পরিমাণ তেল আমদানি করা সম্ভব হয় না। বর্তমানে দ্রুত খালাসের সুবিধা থাকায় ৭ হাজার টন করে আনা সম্ভব হচ্ছে। পাইপলাইনে প্রতি ব্যারেল ডিজেল পরিবহন ব্যয় প্রায় সাড়ে ৫ ডলার, যা অনেক ক্ষেত্রে সমুদ্রপথের তুলনায় কম।

জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অস্থিরতার সময়ে বিকল্প সরবরাহব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি হলেও দীর্ঘমেয়াদে সংরক্ষণ সক্ষমতা বাড়ানো না গেলে এর পুরো সুবিধা পাওয়া যাবে না। ইতোমধ্যে কিছু এলাকায় ডিজেল সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সামনে কৃষি মৌসুম থাকায় সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৬৩ শতাংশই ডিজেল। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ডিজেলের চাহিদা ছিল প্রায় ৪৩ লাখ ৫০ হাজার টন, যার বড় অংশই আমদানিনির্ভর।

ভোরের আকাশ/এনএস

ডিজেলভারত

শেয়ার করুন: