শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

তিন বছরে প্রায় ৪০০ পোশাক কারখানা বন্ধ হয়েছে : বিজিএমইএ

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ৭:৫৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

গত তিন বছরে দেশে প্রায় ৪০০টি পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে এবং বর্তমানে আরো বহু কারখানা আর্থিক ঝুঁকির মুখে রয়েছে বলে জানিয়েছে তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ)।

রবিবার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ভবনে আয়োজিত এক প্রাক-বাজেট আলোচনায় সংগঠনের পক্ষ থেকে এই উদ্বেগের কথা জানানো হয়। অনুষ্ঠানে বিজিএমইএর পক্ষ থেকে একটি লিখিত বক্তব্য পাঠ করা হয়।

লিখিত বক্তব্যে বিজিএমইএ জানায়, দেশের শীর্ষ রপ্তানি আয় অর্জনকারী তৈরি পোশাক খাত একটি সংকটময় সময় পার করছে।

বিগত ৩ বছরে প্রায় ৪০০টি পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে এবং আরো বহু কারখানা বর্তমানে আর্থিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। শিল্পের বর্তমান এই স্থবিরতা ও মন্থর গতির পেছনে মূলত দুটি কাঠামোগত কারণকে দায়ী করেছে সংগঠনটি। প্রথমত, ধারাবাহিকভাবে বেড়ে চলা ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় এবং দ্বিতীয়ত, উপযুক্ত ব্যবসাবান্ধব পরিবেশের ঘাটতি।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে আরো জানানো হয়, নীতি স্থিতিশীলতার অভাব, প্রাতিষ্ঠানিক জটিলতা ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে শিল্পটি পিছিয়ে পড়ছে।

এর সঙ্গে অর্থায়ন ও লজিস্টিক ব্যয়ের ঊর্ধ্বগতি সম্মিলিতভাবে এই খাতের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে, যা সামগ্রিক রপ্তানি বাণিজ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
অনুষ্ঠানে বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবুসহ পোশাক খাতের অন্যান্য শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় আসন্ন বাজেটে এই সংকট উত্তরণে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ ও নীতি সহায়তার দাবি জানানো হয়।

ভোরের আকাশ/এনউব

বিজিএমইএ

শেয়ার করুন: