শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

চোখ রাঙাচ্ছে শীতকালীন সবজি ও চালের বাজার

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ১০ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:১৬ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে চাল, ডাল ও শীতকালীন সব সবজির দাম। ভরা মৌসুমে শুধু টমেটোই বিক্রি হচ্ছে ১০০-১২০ টাকায়। অন্যান্য সবজির দামও কেজিতে বেড়েছে ১০-২০ টাকা। শীত মৌসুমের সব সবজির সরবরাহ বাড়লেও দাম নিয়ে অস্বস্তি কাটছে না ক্রেতাদের। এদিকে দেশি মসুর (ছোট দানা) ডালের দাম সপ্তাহের ব্যবধানে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। অন্যদিকে, বাজারে নতুন চাল আসার প্রাক্কালে পুরোনো চালের দাম কেজিতে ৩ থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত বেড়ে যাওয়ায় অস্বস্তিতে পড়েছেন সাধারণ ভোক্তারা।

শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাজধানীর কারওয়ান বাজার, নাখালপাড়া, হাতিরপুল, মুগদা কাচাঁবাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে সবজির দাম বাড়তি দেখা গেছে।

রাজধানীর খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, প্রচণ্ড শীতে সবজি তুলতে পারছেন না কৃষকরা। তাপমাত্রা বাড়লে কমবে সবজির দাম।

এক সপ্তাহ আগে প্রতি পিস মাঝারি আকারের ফুল কপি মিলেছে ১৫-২৫ টাকায়। ১০-১৫ টাকা বেড়ে তা এখন বিক্রি হচ্ছে ৩৫-৪০ টাকায়। এছাড়া ১০ টাকা বেড়ে প্রতিকেজি মুলা ৪০ টাকায়, বেগুন ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ২০ টাকা বেড়ে প্রতিকেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ৫০-৭০ টাকায়। কিছুটা বেড়ে প্রতিকেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকায়। প্রতিকেজি শালগম, পেঁপে, ব্রকলি মিলছে ৩০-৫০ টাকায়। বছরের এই সময়ে টমেটোর দাম থাকে ক্রেতার নাগালের মধ্যে। তবে বাজারে পাকা, কাচাঁ ও আধাপাকা তিন ধরনের টমেটোর দাম ১০০-১২০ টাকা। গত সপ্তাহে ৮০ টাকায় মিলেছে পাকা টমেটো। প্রতিকেজি ঢ্যাঁড়শ, পটল বিক্রি হচ্ছে ৯০-১২০ টাকায়।

নাখালপাড়া বাজারে ক্রেতা আল আমিন বলেন, সবজির দাম কিছুটা বাড়তি। রোজা আসার আগে দাম আরও বাড়বে বলে মনে হচ্ছে। আরেক ক্রেতা বলেন, এই মৌসুমে পাকা টমেটোর দাম থাকে ৪০-৫০ টাকা, কিন্তু বিক্রি হচ্ছে দ্বিগুণ দামে। ব্যবসায়ীরা বলছেন তীব্র শীতে টমেটো পাকছে না। আবার খবরে দেখি কৃষক দাম পায় না।

সবজির বাড়তি দাম প্রসঙ্গে কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী শরিফুল ইসলাম বলেন, ঢাকার বাইরে থেকে সবজি আসছে কম। তীব্র শীতে কৃষকরা ঘর থেকে বের হতে পারছেন না। ক্ষেত থেকে সময় ও চাহিদা অনুযায়ী সবজি তুলতে পারছে না। যার প্রভাব পড়েছে সবজি সরবরাহে।

এদিকে সপ্তাহের ব্যবধানে মিনিকেট ও নাজিরশাইল চালের দাম বেড়েছে কেজিতে ৫ টাকা পর্যন্ত। প্রতি কেজি মঞ্জুর ও সাগর ব্র্যান্ডের মিনিকেট চালের দাম ৩-৪ টাকা বেড়ে ৮৩ থেকে ৮৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া রশিদ মিনিকেটের দাম ৭২ টাকা থেকে বেড়ে ৭৫ টাকা, নন-ব্র্যান্ডের মিনিকেট ৬৫ থেকে ৭০ টাকায় এবং দামি মিনিকেট মোজাম্মেলের দাম কেজিতে ১ থেকে ২ টাকা বেড়ে ৮৫ থেকে ৮৬ টাকা হয়েছে।

একইভাবে বেড়েছে নাজিরশাইল চালের দামও। ধরনভেদে দেশি নাজিরশাইল চাল বিক্রি হয়েছে ৭২ থেকে ৮৫ টাকা কেজি দরে, যা সপ্তাহখানেক আগে ৩ থেকে ৪ টাকা কম ছিল। আর আমদানি করা নাজিরশাইলের দাম কেজিতে ৩ টাকা পর্যন্ত বেড়ে ৭৫ থেকে ৭৮ টাকা হয়েছে।

বছরের এই সময়ে আউশ, আমন ও নাজিরশাইল চাল বাজারে আসার কথা। খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, সাধারণত প্রতিবছর এসব চাল বাজারে আসার পরে পুরোনো চালের দাম কেজিতে ১ থেকে ২ টাকা বাড়ে। কিন্তু এবার নতুন চাল বাজারে আসার আগেই পুরোনো চালের দাম ৩ থেকে ৪ টাকা বেড়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে খুচরা দোকানে নতুন চাল বিক্রি হতে শুরু করবে। বিক্রেতাদের আশঙ্কা, নতুন চাল আসার পরে পুরোনো চালের দাম আরও বাড়তে পারে।

তবে বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পেঁয়াজ, ডিম, মুরগিসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম স্বাভাবিক রয়েছে।

গত সপ্তাহের মতো প্রতি ডজন ফার্মের বাদামি রঙের ডিম ১০৫-১১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লারের কেজি ১৫৫ থেকে ১৬৫ টাকা আর সোনালি জাতের মুরগির কেজি কেনা যাচ্ছে ২৪০ থেকে ২৫০ টাকায়। প্রতিকেজি গরুর মাংস মিলছে ৭৫০-৮০০ টাকায়।

প্রতিকেজি পাঙাশ ১৭০-২০০ টাকায়, পাবদা ৪০০-৫৩০ টাকায়, কৈ মাচ ২৫০-৩৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতিকেজি রুই ৩২০-৪২০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০-২৮০ টাকা, কাতলা ৩৪০-৪৪০ টাকা, শিং ৩৪০-৬৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, কয়েকটি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু ও মাঝারি শৈত্য প্রবাহ চলছে। এ ছাড়া ৫ দিনে আবহাওয়ার খুব বেশি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তীব্র শীতে জনজীবনে বিপর্যয় নেমে এসেছে।

ভোরের আকাশ/মো.আ.

শীতকালীন সবজিনিত্যপণ্যের বাজারবাজার উর্ধ্বমুখী

শেয়ার করুন: