শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

৬ মাসে ইসলামী ব্যাংকের ১ হাজার ৩১৬ কোটি টাকা লোকসান

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ৩০ জুলাই ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে সমন্বিতভাবে ১ হাজার ৩১৬ কোটি ৪৮ লাখ টাকা লোকসান করেছে। গত বছরের একই সময়ে ব্যাংকটি ৬৭ কোটি ৪০ লাখ টাকা মুনাফা করেছিল। ফলে এক বছরের ব্যবধানে ব্যাংকটির আর্থিক অবস্থার বড় ধরনের অবনতি হয়েছে। বুধবার (২৯ জুলাই) প্রধান কার্যালয়ে পরিচালনা পর্ষদের বৈঠক শেষে প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

টিবিএস এক প্রতিবেদনে জানায়, ২০২৬ সালের জানুয়ারি-জুন সময়ে ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি লোকসান (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ৮ টাকা ১০ পয়সা। এর আগে চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে ব্যাংকটি ২৮৮ কোটি টাকা লোকসান করলেও দ্বিতীয় প্রান্তিকে লোকসান বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ২৮ কোটি ২৬ লাখ টাকা।

সহযোগী প্রতিষ্ঠান বাদ দিয়ে একক হিসাবেও ব্যাংকটির ছয় মাসের লোকসান হয়েছে ১ হাজার ৩২৬ কোটি ৮১ লাখ টাকা। এ সময়ে একক শেয়ারপ্রতি লোকসান দাঁড়িয়েছে ৮ টাকা ২৪ পয়সা।

বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরই মুনাফায় ছিল ইসলামী ব্যাংক। এর মধ্যে ২০২৫ সালে ১৩৬ কোটি ৩৪ লাখ, ২০২৪ সালে ১০৮ কোটি ৭৮ লাখ এবং ২০২৩ সালে সর্বোচ্চ ৬৩৫ কোটি ৩৩ লাখ টাকা মুনাফা করে ব্যাংকটি।

ব্যাংকটির ভাষ্য, আমানতের বিপরীতে মুনাফা পরিশোধের ব্যয় বৃদ্ধি, খেলাপি বিনিয়োগ বাড়ায় বিনিয়োগ আয় কমে যাওয়া এবং অন্যান্য ব্যাংকে রাখা অর্থ থেকে আয় হ্রাস পাওয়ায় এ লোকসান হয়েছে।

এ বিষয়ে ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, এস আলম গ্রুপের কাছে বিপুল পরিমাণ ঋণ আটকে থাকায় সেখান থেকে কোনো আয় হচ্ছে না। অথচ আমানতকারীদের মুনাফা নিয়মিত পরিশোধ করতে হচ্ছে। বর্তমানে ব্যাংকের মোট আমানত প্রায় ১ লাখ ৬২ হাজার কোটি টাকা হলেও এর মধ্যে মাত্র ৬০ হাজার কোটি টাকার বিপরীতে নিয়মিত অর্থ আদায় হচ্ছে বলে জানান তিনি।

সংকট উত্তরণে বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি (এএমসি) গঠন বা বিশেষ ব্যবস্থায় অনাদায়ী ঋণের একটি অংশ ব্যালান্স শিটের বাইরে রাখার সুযোগ দেওয়া হলে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন ওই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গুলিতে আরসা সদস্য নিহত, গ্রেপ্তার-২

তিনি জানান, গত দুই দিনে প্রায় ৫০০ কোটি টাকার নতুন আমানত এসেছে এবং নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠনের মাধ্যমে গ্রাহকদের আস্থা আরও বাড়বে বলে তারা আশা করছেন।

ইসলামী ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আলতাফ হোসেন বলেন, ‘একটি বড় শিল্পগোষ্ঠীতে বিপুল বিনিয়োগ আটকে থাকায় সেখান থেকে কোনো আয় আসছে না। অন্যদিকে আমানতকারীদের মুনাফা পরিশোধ অব্যাহত রাখতে হচ্ছে। এ কারণেই ব্যাংকটি লোকসানে পড়েছে।’

ভোরের আকাশ/ইউএম
 

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশলোকসান

শেয়ার করুন: