শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ট্রলিংয়ের বিরুদ্ধে আত্মবিশ্বাসী রুবিনার দিলাইক

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ : ১৭ মে ২০২৬, ৪:২১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

শোবিজ জগতের তারকাদের জীবন মানেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। তবে খ্যাতির পাশাপাশি তাদের প্রায়ই পড়তে হয় বডি শেমিং ও ট্রলিংয়ের মুখে। এবার সেই চেনা ট্রলিং ও বডি শেমিংয়ের বিরুদ্ধে জবাব দিলেন জনপ্রিয় ভারতীয় টেলিভিশন অভিনেত্রী রুবিনা দিলাইক। তাকে দেখতে নাকি ‘বুড়ি বুড়ি’ লাগে, আবার কখনো দাবি করা হয় কৃত্রিম উপায়ে যৌবন ধরে রাখতে প্লাস্টিক সার্জারির করেছেন তিনি।

নেটদুনিয়ার একাংশের ধারণা, রুবিনা নাকি ‘বোটক্স’ কিংবা ‘ফেসলিফট’-এর মতো কৃত্রিম প্রক্রিয়ার সাহায্যে নিজের সৌন্দর্য ধরে রেখেছেন। এক সাক্ষাৎকারে এই প্রসঙ্গে মুখ খুলে অভিনেত্রী স্বীকার করেছেন, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে এসব মন্তব্য তাকে ভীষণভাবে প্রভাবিত করত এবং তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়তেন।

বছরের পর বছর ধরে বডি শেমিংয়ের শিকার হওয়া রুবিনা বলেন, ‘আমি প্রচুর কটাক্ষ শুনেছি। লোকে বলতো বুড়ি হয়ে গেছে, অদ্ভুত দেখতে লাগছে, মনে হচ্ছে বোটক্স করিয়েছে। শরীরে ও মুখে নিশ্চয়ই কোনো সার্জারি করিয়েছে, আজব দেখতে লাগছে। একটা সময় এসব শুনে প্রচণ্ড কষ্ট হতো, নিজের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ত।’

‘তবে এখন আমি ধীরে ধীরে এই নেতিবাচকতাকে এড়িয়ে যেতে শিখেছি। বুঝতে পেরেছি যে, লোকে কী ভাবল তা আমার নিয়ন্ত্রণে নেই। বরং সেই সমস্ত কথায় আমি কী প্রতিক্রিয়া দেব, সেটা সম্পূর্ণ আমার হাতে।’

আরও পড়ুন

চাঙ্কি পান্ডের সঙ্গে এক ফ্রেমে চঞ্চল চৌধুরী

রুবিনা আরও বলেন, ‘আমি পরে বুঝলাম, আমার অনুভূতির চাবি অন্যদের হাতে দিলে তারা আমাকে আরও কোণঠাসা করে দেবে। তাই এগুলোর মুখোমুখি হওয়ার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো নিজেকে বোঝানো যে, আমার যা আছে তা অন্যদের নেই। আর যা অন্যদের নেই, তা নিয়ে তারা কথা বলবেই।’

তার কথায়, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে আজকাল মোটা ঠোঁট, শার্প জ-লাইন বা টিকলো নাক নাহলে কাউকে দেখতে খারাপ এই চিন্তাভাবনাটা স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে। প্রত্যেক মেয়ে বা নারী চান তাদের একটি নির্দিষ্ট ছাচে দেখতে লাগুক। কিন্তু এতে তো সবাইকে একই রকমের দেখতে লাগে! যদি সবাই একই রকম হয়ে যায়, তবে ঈশ্বরের সৃষ্টির অভিনবত্ব কোথায় থাকবে?’

ভোরের আকাশ/সু.পা

রুবিনার দিলাইক

শেয়ার করুন: