স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর কাছে তানিশার অভিযোগ, কী ঘটেছিল?

বলিউড অভিনেত্রী কাজলের বোন হিসেবেই দর্শকদের কাছে বেশি পরিচিত তানিশা মুখোপাধ্যায়। যদিও বেশ কয়েকটি সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি, তবে বলিউডে সেভাবে নিজের অবস্থান তৈরি করতে পারেননি। প্রতি বছরই মুম্বাইয়ের পারিবারিক দুর্গাপূজায় দেখা যায় এই অভিনেত্রীকে। সম্প্রতি একটি ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবিসের দ্বারস্থ হয়েছেন তানিশা।
বিদ্যুৎ বিল নিয়ে মহারাষ্ট্র স্টেট ইলেকট্রিসিটি বোর্ডের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন অভিনেত্রী তানিশা। তার অভিযোগ, লোনাভালায় তাদের পুরোনো বাড়িতে বিপুল অঙ্কের বিদ্যুৎ বিল এসেছে। এমনকি বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবিস এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ উগরে সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট দেন তানিশা। সেই পোস্টে অভিনেত্রী লিখেছেন— লোনাভালায় মহারাষ্ট্র স্টেট ইলেকট্রিসিটি বোর্ড মাফিয়ার মতো আচরণ করছে। বিপুল অঙ্কের বিল পাঠাচ্ছে এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে টাকা দিতে বাধ্য করছে— এটি অপরাধ। এমনকি বিল জমা দেওয়ার শেষ তারিখ পেরিয়ে না গেলেও ওরা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে আসছে।
এর পরেই মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবিস, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে ট্যাগ করে বিষয়টি জানিয়েছেন তানিশা। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানিয়ে তিনি আরও লিখেছেন— দয়া করে লোনাভালায় আসুন। এখানে কোনো আইনকানুন নেই। যে যা খুশি করছে।
লোনাভালার এই বাড়ির সঙ্গে মুখোপাধ্যায় পরিবারের অনেক দিনের আবেগ জড়িয়ে রয়েছে। বাড়িটি তানিশার দিদিমা তথা প্রয়াত অভিনেত্রী শোভনা সমর্থের। এর আগে বাড়িটির সঙ্গে তার পরিবারের সম্পর্কের কথা জানিয়েছিলেন অভিনেত্রী। সেই সময় তানিশা জানিয়েছিলেন— তার নিজের শৈশবের একটা বড় সময় এবং তার মা তনুজারও শৈশব কেটেছে এ বাড়িতে।
কিছু দিন আগে বাড়িটির কয়েকটি ছবি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করে নিয়েছিলেন তানিশা। সেখানে তিনি লিখেছিলেন— আমার দিদিমা শোভনা সমর্থের বাড়ি। এই বাড়ির প্রতিটি দেওয়াল, প্রতিটি কোণে একটি করে গল্প রয়েছে।
বাড়িটি সংস্কারের প্রসঙ্গেও নিজের ভাবনার কথা জানিয়েছিলেন তানিশা। অভিনেত্রী বলেছিলেন, দিদিমা যেমনটা চাইতেন, সেভাবেই বাড়িটির সংস্কারের চেষ্টা করেছেন। বাড়িটিকে অতিরিক্ত আধুনিক করে তুলতে চাননি তিনি। এমনকি দিদিমার হাতে লাগানো কোনো গাছও কাটতে চাননি।
ভোরের আকাশ/জেআ