শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ইন্দোনেশিয়ায় বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬৩১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:৩৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- সংগৃহীত
ছবি- সংগৃহীত

ইন্দোনেশিয়ার বন্যায় মৃতের সংখ্যা ৬৩১ এ পৌঁছেছে। তাছাড়া আরও অন্তত ৫০০ মানুষ নিখোঁজ আছে। এছাড়া আহত হয়েছে কয়েক হাজার মানুষ।

জানা গেছে, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় খাবারের মজুত শেষ হয়ে আসছে। তাছাড়া ইন্টারনেট না থাকায় বাধাগ্রস্ত হচ্ছে যোগাযোগ।

সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, মালাক্কা প্রণালিতে বিরল ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে এই ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ১৪ লাখ মানুষ। এছাড়া আরও প্রায় ৫০০ মানুষ এখনো নিখোঁজ আছেন।

ইন্দোনেশিয়ার পাশপাশি বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া এবং শ্রীলঙ্কাও। এ দেশগুলোতে শত শত মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ইন্দোনেশিয়ার উত্তর সুমাত্রার আচেহ এবং পশ্চিম সুমাত্রা সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে। সেখানকার হাজার হাজার মানুষ এখনো ইন্টারনেট ও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে আছেন। আরিনি আমালিয়া নামে এক নারী বিবিসিকে বলেছেন, বন্যার পানির স্রোত ‘সুনামির মতো ছিল। আমার দাদি জানিয়েছেন, এমন বন্যা আগে কখনো দেখেনননি। এটি ছিল ভয়াবহ, সবচেয়ে ভয়াবহ।

রাস্তাঘাট ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উদ্ধারকারীরা পায়ে হেটে ও মোটরসাইকেলে করে সাধারণ মানুষকে উদ্ধার করতে যাচ্ছেন। অনেক মানুষ এখনো খাদ্য সহায়তার জন্য অপেক্ষা করছেন। কেউ কেউ দুই থেকে তিনদিন ধরে না খেয়ে আছেন।

সুমাত্রার মধ্য তাপানুলির বাসিন্দা মায়শান্তি বিবিসিকে জানিয়েছেন, উদ্ধারকারীরা তার এলাকায় আসতে পারছেন না। তিনি বলেন, সবকিছু ভেসে গেছে। আমাদের খাবার ফুরিয়ে যাচ্ছে। আমরা খেতে পারছি না। এখন নুডলস নিয়েও মানুষ লড়াই করছে। আমাদের খাবার নেই। আমাদের খাবার এবং চাউল দরকার। আমাদের এখানে আসার রাস্তা পুরোপুরি বন্ধ। সূত্র: বিবিসি

ভোরের আকাশ/এসএইচ

ইন্দোনেশিয়াবন্যামৃত্যু

শেয়ার করুন: