শিরোনাম
আইইডিসিআর পরিচালককে মারধর, অভিযুক্ত ড্যাব নেতার পদ স্থগিতভবিষ্যতের সব নির্বাচন একই মানদণ্ডে আনার লক্ষ্যে কাজ করছে ইসিস্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষ, নিহত ৩৯গুলিস্তানে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ, ফের দখল করলে গ্রেপ্তারদেশে ডেঙ্গুতে আরও ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯৮২ঠাকুরগাঁওয়ে নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দর হবে, উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেইচালকের আচরণ ও গাড়ির ফিটনেসের কথা বললেই অনেকের গাত্রদাহ হয়: সড়কমন্ত্রীঅর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে : জাতিসংঘে আইরিন খানআইইডিসিআর পরিচালককে মারধর, অভিযুক্ত ড্যাব নেতার পদ স্থগিতভবিষ্যতের সব নির্বাচন একই মানদণ্ডে আনার লক্ষ্যে কাজ করছে ইসিস্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষ, নিহত ৩৯গুলিস্তানে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ, ফের দখল করলে গ্রেপ্তারদেশে ডেঙ্গুতে আরও ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯৮২ঠাকুরগাঁওয়ে নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দর হবে, উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেইচালকের আচরণ ও গাড়ির ফিটনেসের কথা বললেই অনেকের গাত্রদাহ হয়: সড়কমন্ত্রীঅর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে : জাতিসংঘে আইরিন খান

কঙ্গোতে পৃথক নৌকাডুবিতে ১৯৩ জনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:২৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
সংগৃহীত ছবি
সংগৃহীত ছবি

ডি আর কঙ্গোতে এ সপ্তায় পৃথক দুই নৌকা দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ১৯৩ জনের মৃত্যু হয়েছে, নিখোঁজ রয়েছে বহু মানুষ।

বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) ও বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) ইকুয়াতর প্রদেশে ১৫০ কিলোমিটার ব্যবধানে এ দুটি দুর্ঘটনা ঘটে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় লুকোলেলা অঞ্চলের মালাঞ্জে গ্রাম সংলগ্ন কঙ্গো নদীতে প্রায় ৫০০ যাত্রীবোঝাই একটি নৌকা আগুন ধরে উলটে যায়।

মানবিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় ১০৭ জন নিহত হয়েছেন এবং অন্তত ২০৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। সামাজিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একটি নথি অনুযায়ী, আরও ১৪৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

এর একদিন আগে, বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) একই প্রদেশের বাসানকুসু এলাকায় মোটরচালিত একটি নৌকা ডুবে অন্তত ৮৬ জনের মৃত্যু হয়। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, নিহতদের অধিকাংশই শিক্ষার্থী। তবে নিখোঁজের সঠিক সংখ্যা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।

দুর্ঘটনার কারণ স্পষ্ট নয়। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বুধবারের দুর্ঘটনার জন্য অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই ও রাতের অদক্ষ নৌযাত্রাকে দায়ী করেছে। স্থানীয় নাগরিক সমাজ সংগঠনগুলো সরকারের অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করে দাবি করেছে, সরকারি হিসাবের চেয়ে মৃতের সংখ্যা আরও বেশি।

নৌবাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবীরা উদ্ধার তৎপরতা চালালেও দুর্ঘটনাস্থলগুলো দুর্গম এলাকায় হওয়ায় এবং পর্যাপ্ত সরঞ্জাম না থাকায় উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ আহতদের চিকিৎসা, নিহতদের স্বজনদের সহায়তা এবং জীবিতদের নিজ নিজ এলাকায় পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

নৌদুর্ঘটনাডি আর কঙ্গোনৌকাডুবিমৃত্যু

শেয়ার করুন: