শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে ঢাকার ৫০ মোড়ে এআই ক্যামেরা

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ২৪ আগস্ট ২০২৬, ২:২৭ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

যানবাহনের নিয়ম মেনে চলা ও সুশৃঙ্খল পথচারী পারাপার নিশ্চিত করতে ঢাকার সড়কে প্রসার ঘটছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ন্ত্রিত সিগন্যাল ব্যবস্থার। গেল বছরের মাঝামাঝি সময়ে পরীক্ষামূলকভাবে ঢাকার ১৩টি ইন্টারসেকশনে সেমি অটোমেটেড ও এআই ট্রাফিক সিগন্যাল বসানোর পর এবার আরও ৫০টি স্থানে এই প্রযুক্তি যুক্ত করা হচ্ছে।

দুই সিটি করপোরেশন এলাকার নতুন ৫০টি পয়েন্টের মধ্যে ২৮টি বসছে ঢাকা উত্তর এবং ২২টি বসছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে। বুয়েটের তত্ত্বাবধানে তৈরি এই বিশেষ প্রযুক্তি চালকদের মধ্যে নিয়ম মানার প্রবণতা বাড়াতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে বলে জানা গেছে।

নতুন ট্রাফিক ব্যবস্থার সুফল সম্পর্কে যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা জানান, সম্পূর্ণ অটোমেটেড এই সিগন্যালগুলো চালাতে আলাদা কোনো অপারেটরের প্রয়োজন পড়বে না। এটি সড়কের যানবাহনের চাপের ওপর ভিত্তি করে অটোমেটিক কাজ করবে। পাশাপাশি ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা চাইলে হাতের ট্যাব ব্যবহার করেও সিগন্যাল পরিবর্তন করতে পারবেন।

সড়কে এই প্রযুক্তির ব্যবহার চালকদের মানসিকতায় পরিবর্তন আনছে বলে মনে করছেন চালকেরা। অনেক চালক জানান, মামলা খাওয়ার ভয় ও সতর্ক থাকার তাগিদ থেকে এআই সিগন্যাল মেনে চলার এই উদ্যোগ বেশ কার্যকর।

আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রতিনিধিরাও প্রযুক্তিভিত্তিক এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. আনিছুর রহমান জানান, মানুষকে পুরনো অভ্যাস থেকে বের করে এনে শৃঙ্খলায় ফেরানো সহজ নয়। তবে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে এই ব্যবস্থার প্রতি ইতিবাচক সাড়াদান পাওয়া যাচ্ছে।

আরও পড়ুন

জীবননগরে ফ্রি স্বাস্থ্যসেবা দিল উপশম প্লাস

তবে সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে এআই ক্যামেরার সক্ষমতা নিয়ে কিছুটা মিশ্র অভিজ্ঞতাও রয়েছে। মাঠপর্যায়ের ট্রাফিক কর্মকর্তারা বলছেন, ফুটপাত দখল, যত্রতত্র পথচারীদের রাস্তা পারাপার এবং ফিটনেসবিহীন ও ব্যাটারিচালিত রিকশার উপস্থিতির কারণে অনেক সময় এআই সিস্টেম সঠিকভাবে কাজ করতে সমস্যার মুখে পড়ে।

প্রযুক্তিগত এই সেবা সার্বক্ষণিক পরিচালনা করতে নতুন লোকবল নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। সিগন্যালিং ব্যবস্থা সচল রাখা ও দক্ষ তদারকির জন্য ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে 'ট্রাফিক টেকনিক্যাল ইউনিট' নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিটকে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রস্তুত করা হচ্ছে।

ভোরের আকাশ/জেআ

শেয়ার করুন: