শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

এক মাসে সড়কে ঝরল চার শতাধিক প্রাণ

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২:৪৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরের জানুয়ারিতে দেশে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ৫৫৯টি। এসব দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৪৮৭ জন, এছাড়া আহত হয়েছেন ১১৯৪ জন।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।

ফাউন্ডেশনের তথ্য বলছে, নিহতদের মধ্যে নারী ৬৮ ও শিশু ৫৭ জন। এক মাসে হওয়া ২০৮টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান ১৯৬ জন, যা মোট নিহতের ৪০ দশমিক ২৪ শতাংশ। অর্থাৎ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৩৭ দশমিক ২০ শতাংশ। এছাড়া সড়কে প্রাণ হারিয়েছেন ১৩২ জন পথচারী, যা মোট নিহতের ২৭ দশমিক ১০ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৬৭ জন, অর্থাৎ ১৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

ফাউন্ডেশন বলছে, এই সময়ে ৪টি নৌ-দুর্ঘটনায় ৬ জন নিহত এবং ৭ জন আহত হয়েছেন। ৪১টি রেল ট্র্যাক দুর্ঘটনায় ৩২ জন নিহত এবং ১৭ জন আহত হয়েছেন।

দুর্ঘটনার সময় বিশ্লেষণে দেখা যায় বেশিরভাগ দুর্ঘটনা ঘটেছে ভোরে ৬ দশমিক ৬১ শতাংশ। সকালে দুর্ঘটনা ঘটেছে ২৬ দশমিক ৬৫ শতাংশ, দুপুরে ১৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ। এছাড়া বিকালে দুর্ঘটনা ঘটেছে ১৩ দশমিক ৯৫ শতাংশ, সন্ধ্যায় ১৩ দশমিক ৫৯ শতাংশ এবং রাতে ২৩ দশমিক ৬১ শতাংশ।

দুর্ঘটনার বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যান বলছে, দুর্ঘটনার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে, ২৫ দশমিক ৫৮ শতাংশ, এতে প্রাণহানির হার ২৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ। এছাড়া রাজশাহী বিভাগে দুর্ঘটনার হার ১৩ দশমিক ৭৭ শতাংশ, প্রাণহানি ১৪ দশমিক ৯৮ শতাংশ, চট্টগ্রাম বিভাগে দুর্ঘটনা ২০ দশমিক ৩৯ শতাংশ, প্রাণহানি ২০ দশমিক ৭৩ শতাংশ, খুলনা বিভাগে দুর্ঘটনা ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশ, প্রাণহানি ৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ।

ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ১৪৩টি দুর্ঘটনায় ১১৯ জন নিহত হয়েছেন। সিলেট বিভাগে সবচেয়ে কম ২৪টি দুর্ঘটনায় ১৮ জন নিহত হয়েছেন। রাজধানী ঢাকায় ২৬টি দুর্ঘটনায় ১৮ জন নিহত এবং ৪১ জন আহত হয়েছেন।

দুর্ঘটনা পর্যালোচনায় ফাউন্ডেশন বলেছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন গড়ে নিহত হয়েছিল ১৯ দশমিক ৬১ জন। চলতি বছরের জানুয়ারিতে নিহত হয়েছে ১৫ দশমিক ৭০ জন। এই হিসেবে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি কমেছে ১৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ। দুর্ঘটনায় প্রাণহানি কমার এই হার কোনো টেকসই উন্নতির সূচক নির্দেশ করছে না। কারণ সড়ক পরিবহন ব্যবস্থাপনায় কোনো দৃশ্যমান উন্নতি নেই।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনে মতে, অধিকাংশ দুর্ঘটনা ঘটছে অতিরিক্ত গতির কারণে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে। এই গতি নিয়ন্ত্রণে প্রযুক্তির মাধ্যমে নজরদারী এবং চালকদের মোটিভেশনাল প্রশিক্ষণ দরকার। যানবাহনের বেপরোয়া গতি এবং পথচারীদের অসচেতনতার কারণে পথচারী নিহতের ঘটনা বাড়ছে। এজন্য সরকারি উদ্যোগে গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে জীবনমুখি সচেতনতামূলক প্রচারণা চালাতে হবে।

ভোরের আকাশ/তা.কা

 

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনপ্রাণহানিমোটরসাইকেল দুর্ঘটনাসড়ক দুর্ঘটনা

শেয়ার করুন: