ব্যারিকেড ভেঙে
যমুনা অভিমুখে ইনকিলাব মঞ্চ, জলকামান-টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ

জাতিসংঘের অধীনে শহিদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান কর্মসূচি ঘিরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পুলিশকে লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করতে দেখা গেছে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে অবস্থান নিয়ে যমুনা অভিমুখে যাত্রার ঘোষণা দেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা। পরে বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড় থেকে যমুনা অভিমুখে রওনা করেন নেতাকর্মীরা। আন্দোলনকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে সামনে এগোতে চাইলে পুলিশ তাদের বাঁধা দেয়। এ সময় আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ জলকামান ও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে।
এর আগে, এদিন সকালে নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও বাস্তবায়নের এক দফা দাবিতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশ করেন সরকারি কর্মচারিরা। পরে তারা মিছিল নিয়ে যমুনা অভিমুখে যাত্রা শুরু করেন। যমুনা অভিমুখে যাওয়ার সময় শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে প্রথমে আন্দোলনকারীদের ব্যারিকেড দিয়ে বাঁধা দেয় পুলিশ। পরে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে যমুনার দিকে যেতে থাকেন আন্দোলনকারীরা।
এ সময় আন্দোলনকারীদের ওপর জলকামান নিক্ষেপ করা হলেও তারা মিছিল নিয়ে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের দিকে যান। সেখানেও পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে যমুনার দিকে যান এবং যমুনার সামনে গিয়ে সড়কে অবস্থান নেন। পরে তাদের ছত্রভঙ্গ করতে বেলা পৌনে ১২টার দিকে পুলিশ তাদের ওপর জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। পাশাপাশি লাঠিচার্জও করা হয়।
একপর্যায়ে পুলিশের লাঠিচার্জ, জলকামান ও টিয়ার গ্যাসে যমুনার সামনে থেকে আন্দোলনকারীদেরএকটি দল সরে গিয়ে ইন্টারকন্টিনেন্টালের মোড়ে এবং আরেকটি দল কাকরাইল মোড়ে অবস্থান নিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যান।
এ ছাড়াও বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে কয়েক দফা আলটিমেটাম দিয়ে জাতিসংঘের অধীনে শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার তদন্তের দাবিতে যমুনার প্রবেশমুখে অবস্থান নেয় ইনকিলাব মঞ্চের আন্দোলনকারীরা।
ভোরের আকাশ/ র.ই