শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

জামায়াত আমিরের জন্য ঐতিহাসিক বাড়ি বরাদ্দ

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৮:২৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- সংগৃহীত
ছবি- সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বিরোধীদলীয় নেতাদের জন্য বাড়ি বরাদ্দ থাকে। রাজধানীর মিন্টো রোডে অবস্থিত ২৯ নম্বরের বাড়ি তার জন্য বরাদ্দ দিয়েছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।

গণপূর্ত অধিদপ্তর জানিয়েছে, বাসভবনটি বসবাসের উপযোগী করে তুলতে আরও এক থেকে দেড় মাস সময় লাগতে পারে। ইতোমধ্যে কাঠামোগত কাজ প্রায় সম্পন্ন হয়েছে, এখন চলছে রঙের ফিনিশিং ও প্রবেশপথের উন্নয়ন। আসবাবপত্র ও অভ্যন্তরীণ সাজসজ্জা নতুন বাসিন্দার চাহিদা অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে।

ঐতিহাসিক গুরুত্বসম্পন্ন এই ‘লাল বাড়ি’ স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবন হিসেবে নির্ধারিত হয়। ১৯৯১ সালে পঞ্চম জাতীয় সংসদের সময় শেখ হাসিনা এখানে বসবাস শুরু করেন। পরবর্তী সময়ে ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত একই বাসভবনকে রাজনৈতিক কার্যক্রমের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করেন খালেদা জিয়া। সে সময় বাড়িটি ছিল রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের সমাগমে মুখর।

২০০১ সালে বাসভবনটি খালি হওয়ার পর প্রায় ২৫ বছর এখানে কোনো বিরোধীদলীয় নেতা অবস্থান করেননি। ফলে দীর্ঘদিনের অব্যবহারে ভবনটির বিভিন্ন অংশ জরাজীর্ণ হয়ে পড়ে।

জামায়াতে ইসলামীর একটি সূত্র জানিয়েছে, দলের আমির বিরোধীদলীয় নেতা নির্বাচিত হলেও মিন্টো রোডের বাড়িতে ওঠা নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি। সংসদ অধিবেশন শুরু হলে দলীয় নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

মিন্টো রোডের মন্ত্রিপাড়া এলাকায় অবস্থিত এই বাসভবনের আশপাশে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, বিভাগীয় কমিশনার, ডিএমপি কমিশনারসহ উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের সরকারি বাসভবন রয়েছে। দীর্ঘদিন পর আবারও কোনো বিরোধীদলীয় নেতার বসবাসে ফিরতে যাচ্ছে ঐতিহাসিক এই ‘লাল বাড়ি’।

ভোরের আকাশ/এসএইচ
 

জামায়াতে ইসলামীজামায়াত আমির

শেয়ার করুন: