যারা নির্বাচন চায় না তারা দেশের পক্ষের শক্তি নয়: সালাহউদ্দিন

নির্বাচিত সরকার রাষ্ট্র সংস্কার করবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, রাষ্ট্র কাঠামো গণতান্ত্রিক সংস্কারের মধ্যে প্রত্যাশিত রাষ্ট্র গঠন হবে। এ সময় তিনি আরও বলেন, বিদেশে বন্ধু থাকবে, প্রভু নয়। যারা নির্বাচন চায় না তারা দেশের পক্ষের শক্তি না।
বুধবার (৬ আগস্ট) রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সামনে বিএনপির বিজয় র্যালির আগে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এ সব কথা বলেন। গত বছরের জুলাই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছিল এবং ছাত্র-জনতার বিজয়ের ইতিহাস রচিত হয়েছিল ঠিক এই সময়েই। সেই বিজয়ের বর্ষপূর্তিকে ঘিরেই এই কর্মসূচি।
এর আগে, আজ রাজধানীর গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, জুলাই ঘোষণাপত্র নিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ইতিবাচকভাবে চিন্তা করা উচিত।
মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় ‘৩৬ জুলাই উদযাপন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
প্রধান উপদেষ্টার ঘোষণাপত্র পাঠের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেছেন, জুলাইয়ের যে আকাক্সক্ষা এই ঘোষণাপত্রে সেটার তেমন কোনো প্রতিফলন হয়নি। একটা পাশ কাটিয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা আমরা দেখেছি। এটা কোন তারিখ থেকে বাস্তবায়ন হবে? কালকে থেকেই বাস্তবায়িত হবে? সেটা কিন্তু স্পষ্ট করেনি। গুরুত্বপূর্ণ একটা ইস্যুকে হালকাভাবে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার যে ঘোষণাপত্র দেখলাম তাতে আমরা হতাশ। এই জাতি হতাশ।
জামায়াত নেতার এই বক্তব্যের বিষয়ে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া হয়তো তারা (জামায়াত) এখনো দেয়নি। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তারা বলেছে (হতাশার কথা)। তবে আমরা আশা করবো, তারা একটা ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এই জাতীয় সংকটের এবং গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথটাকে পরিষ্কার করবে।
তিনি বলেন, পরবর্তী নির্বাচিত সংসদ সংস্কার বাস্তবায়ন করবে প্রধান উপদেষ্টার এ বক্তব্যই কাজটি করার একমাত্র বৈধ প্রক্রিয়া। সংস্কার বিষয়ে ঐকমত্য হওয়া বিষয়গুলো পরের নির্বাচিত সংসদ বাস্তবায়ন করবে এটি একমাত্র সাংবিধানিকভাবে বৈধ প্রক্রিয়া বলেও ফের জানান তিনি।
ভোরের আকাশ/এসএইচ