শিরোনাম
আইইডিসিআর পরিচালককে মারধর, অভিযুক্ত ড্যাব নেতার পদ স্থগিতভবিষ্যতের সব নির্বাচন একই মানদণ্ডে আনার লক্ষ্যে কাজ করছে ইসিস্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষ, নিহত ৩৯গুলিস্তানে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ, ফের দখল করলে গ্রেপ্তারদেশে ডেঙ্গুতে আরও ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯৮২ঠাকুরগাঁওয়ে নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দর হবে, উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেইচালকের আচরণ ও গাড়ির ফিটনেসের কথা বললেই অনেকের গাত্রদাহ হয়: সড়কমন্ত্রীঅর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে : জাতিসংঘে আইরিন খানআইইডিসিআর পরিচালককে মারধর, অভিযুক্ত ড্যাব নেতার পদ স্থগিতভবিষ্যতের সব নির্বাচন একই মানদণ্ডে আনার লক্ষ্যে কাজ করছে ইসিস্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষ, নিহত ৩৯গুলিস্তানে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ, ফের দখল করলে গ্রেপ্তারদেশে ডেঙ্গুতে আরও ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯৮২ঠাকুরগাঁওয়ে নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দর হবে, উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেইচালকের আচরণ ও গাড়ির ফিটনেসের কথা বললেই অনেকের গাত্রদাহ হয়: সড়কমন্ত্রীঅর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে : জাতিসংঘে আইরিন খান

বিএনপির অস্বস্তি বিদ্রোহী সুযোগ দেখছে জামায়াত

মাজাহারুল ইসলাম

প্রকাশ : ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বাকি আর মাত্র ১০ দিন। এ নির্বাচনে দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ ৫১টি দল অংশ নিয়েছে। দলগুলোর এবং স্বতন্ত্র মিলিয়ে ভোট যুদ্ধে অংশ নিয়েছে প্রায় দুই হাজার প্রার্থী। জয়ের টাগের্টে প্রচার-প্রচারণায় রয়েছে প্রার্থীরা। ভোটের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই জটিল হয়ে উঠছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট আর জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট প্রার্থীদের জয়-পরাজয়ের সমীকরণ-এমনই চিত্র ফুঠে উঠেছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকসহ রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টিতে।

তাদের মতে, ভোটের মাঠে শক্তিশালী অবস্থানে থাকলেও স্বস্তিতে নেই বিএনপি। কারণ হিসেবে রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা বলছে, দলটির হাইকমাণ্ডের নিদের্শনা উপক্ষো করে এখনও ভোটের মাঠে ৭৮আসনে বিএনপির ৯২ জন বিদ্রাহী রয়েছে। এমনকি জয়ের লক্ষে জোরালো প্রচার-প্রচারণায় বিএনপির এই বিদ্রোহী প্রার্থীরা। যদিও দল থেকে তাদের বহিস্কার করা হয়েছে। তারপরও বিদ্রোহী প্রার্থীরা যে ভোট পাবে, এই ভোট মূলত বিএনপির ঘরেই যেত। কাজেই বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর জয় পাওয়াটা কঠিন হয়ে যেতে পারে। 

অন্যদিকে জামায়াতে কোন বিদ্রোহী প্রার্থী নেই। বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী থাকা আসনগুলোতে জয় পাওয়ার সুযোগ হতে পারে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট মনোনীত প্রার্থীর-এটাই মনে করছে বিশিষ্টজনরা। রাজনীতি বিশ্লেষকদের ধারণা, আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে আসন্ন সংসদ নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা রয়েছে বিএনপি ও জামায়াত। বিএনপি থেকে বহিস্কৃত  স্বতন্ত্র প্রার্থী ভোট কাটবেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর। ফলে স্বতন্ত্র প্রার্থীরাই হচ্ছে  বিএনপির গলার কাঁটা। এর সুবিধা নেবে বিএনপির প্রতিপক্ষ দল জামায়াত-এটাই স্বাভাবিক। ফলে বিদ্রোহীর কারণে ঝুঁকিতে পড়েছেন বিএনপি জোটের শরিক দলের প্রার্থীরাও।

বিএনপি নেতাকর্মীদের অভিযোগ, বিএনপির মনোনীত প্রার্থী তালিকায় অনেক আসনে নব্য, বিগত দিনের সুবিধাভোগী, আন্দোলন-সংগ্রামে নিস্ক্রিয় ছাড়াও প্রবাসের অনেককে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। ত্যাগী, যোগ্য ও জনপ্রিয় নেতাদের বঞ্চিত করা হয়েছে। এতে মনোনীত প্রার্থীর পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে ক্ষুব্ধ ও জনপ্রিয় নেতারাই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে মাঠে নেমেছে। দল থেকে কঠোর হুঁশিয়ারিতেও তারা মাঠ ছাড়েনি। পরে দল থেকে সর্বোচ্চ সাংগঠনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা বহিষ্কারেও তেমন কোনো উন্নতি হয়নি। এর মধ্যে আবার অনেকে নিজ জনপ্রিয়তায় এবং দলের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের নিয়ে ভোটের মাঠে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে। এসব এলাকায় জামায়াত জোট, জাতীয় পার্টি ও বাম জোটের প্রার্থীও রয়েছে। ফলে ঘরে-বাইরে বহুমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা।

কয়েকটি আসনের চিত্র উল্লেখ করা হলো : ঢাকা-৭ আসনে বিএনপির মনোনীত হামিদুর রহমান কিন্তু দলটির বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে ভোটের মাঠে রয়েছে ইসহাক সরকার। যার ফলে ভোটে জয় পাওয়ার সুযোগ খুজচ্ছে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ও ১০ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী হাফেজ হাজী মো. এনায়েত উল্লাহ। এত আলটিমেটলি ক্ষতির মুখে পড়ছে বিএনপি। নোয়াখালী-২ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হচ্ছে দলটির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক।  কিন্তু বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য কাজী মফিজুর রহমান।

এরফলে, ভোটে জয় পেতে সুযোগ খুজচ্ছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট প্রার্থী। কাজেই কিছুটা অস্বস্তিতে রয়েছে এ আসনের বিএনপির প্রার্থী। এছাড়াও শেরপুর-১-এ বিএনপির  মনোনীত প্রার্থী ডা. সানসিলা জেব্রিন প্রিয়াঙ্কা। বিদ্রোহী প্রার্থী শেরপুর জেলা শাখার বহিষ্কৃত যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম মাসুদ। এতে জামায়াত প্রার্থী ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি রাশেদুল ইসলাম কিছুটা হলেও সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। ময়মনসিংহ-৬ আসনে জামায়াতের শক্তিশালী অবস্থান রয়েছে। এ আসনেও বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন।

পটুয়াখালী-৩ আসনটি বিএনপি গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হকের জন্য ছেড়ে দিয়েছে। এই আসনে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি এবং বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান মামুনও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অপরদিকে ঢাকা-১৪ আসনটিতে বিএনপি গুম হওয়া ব্যক্তিদের স্বজনদের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’ এর সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম তুলিকে প্রার্থী করেছে। কিন্তু স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রয়ে গেছেন দারুস সালাম থানা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক সাজু। আসনে জামায়াত জোটের প্রার্থী মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান। এখানেও সুযোগ হাতছাড়া করতে চায় না জামায়াত।

তবে দফায় দফায় আলোচনা, বারবার সতর্কবার্তা এবং বহিষ্কারের পরও বিএনপি নেতৃত্ব বিদ্রোহ নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছে। বরং বিদ্রোহী প্রার্থী এবং তাদের পক্ষে প্রচারণা চালানো স্থানীয় নেতাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা তৃণমূল পর্যায়ে ক্ষোভ বাড়িয়েছে। এতে শঙ্কা বাড়ছে, ভোট বিভাজনের ফলে দল নির্বাচনে কিছুটা হলেও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া। তার বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ-সম্পাদক মোহাম্মদ দুলাল হোসেন। তার প্রতীক জাহাজ। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় তিনি বহিষ্কৃত হয়েছেন।

তবে দুলাল হোসেন জানান, তিনি আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন এবং দল থেকে বহিষ্কৃত হওয়া সত্ত্বেও ভোটের মাঠে আছেন। এ আসনে জামায়াত জোটের প্রার্থী আনোয়ার হোসেন মোল্লা। নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে ঢাকা বিভাগীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম এই আসনে বিএনপির প্রার্থী। তার বিরুদ্ধে নির্বাচন করছেন তিনবারের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আতাউর রহমান খান আঙ্গুর। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তিনি কলস প্রতীক পেয়েছেন। তবে এ আসনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের ইলিয়াস মোল্লা। জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।

নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আজহারুল ইসলাম। তার বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত সাবেক প্রতিমন্ত্রী রেজাউল করিম এবং সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন। রেজাউল করিমের প্রতীক ঘোড়া এবং গিয়াস উদ্দিনের প্রতীক ফুটবল। জামায়াতের প্রার্থী ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া।

শরিকদের আসনেও অস্বস্তি: বিএনপি ১২টি আসনে নিজেদের প্রার্থী না দিয়ে জোটের শরিকদের আসন ছেড়ে দিয়েছে। কোথাও শরিকরা নিজস্ব প্রতীকে, আবার কোথাও ধানের শীষ প্রতীকে লড়ছেন। তবে, সংকট তৈরি হয়েছে বিদ্রোহী প্রার্থীদের নিয়ে। শরিকদের ছেড়ে দেওয়া প্রায় প্রতিটি আসনেই বিএনপির প্রভাবশালী স্থানীয় নেতারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়ে গেছেন। এতে যেমন জোটের মধ্যে বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তেমনি এসব আসনে জয় নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। জোটের প্রার্থীরা ধানের শীষ নিয়ে লড়লেও প্রায় প্রতিটি আসনে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য ও বহিষ্কৃত নেতারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে সক্রিয়। ফলে জোটের রাজনৈতিক আস্থার সম্পর্ক যেমন দুর্বল হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান বলেন, সারা দেশে ৩০০ আসনে বিএনপির কয়েক হাজার প্রার্থী আছেন যারা এমপি হওয়ার যোগ্যতা রাখেন। তাদের অনেক ত্যাগ আছে। আসন কিন্তু ৩০০। বিএনপিরও তো সীমাবদ্ধতা আছে। চাইলেও তো সবাইকে মনোনয়ন দেওয়া সম্ভব নয়। ভোটের মাঠে বিএনপি সবচেয়ে যোগ্য নেতাদের হাতেই ধানের শীষ প্রতীক তুলে দিয়েছে। নির্বাচনে হার-জিত থাকবে। সেখানে জনপ্রিয় নেতারা এগিয়ে থাকবেন- এটাই স্বাভাবিক। তবে কিছু ব্যত্যয় ঘটতে পারে। এটা ঠিক যে, স্বতন্ত্র প্রার্থী থাকায় প্রতিপক্ষের কিছু সুবিধা বাড়বে।

এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বিদ্রোহী প্রার্থী ও দলীয় পদে থাকা যারা নির্বাচনে ছিলেন, তারা অনেকে নির্বাচন থেকে সরে গেছেন।

বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন বলেন, বিএনপি একটি বড় দল। প্রতিটি আসনে একাধিক যোগ্য প্রার্থী আছেন। এ ক্ষেত্রে সবাইকে খুশি করা সম্ভব হয়নি। তাই অনেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। ইতোমধ্যে অনেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি। সিলেট-৫ আসন জমিয়তের উবায়দুল্লাহ ফারুককে ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। তবে এখানে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন দলের জেলা শাখার সহসভাপতি মামুনুর রশীদ। এ আসন জামায়াত ছেড়েছে খেলাফত মজলিসকে। বিএনপির ভোট ভাগে সুবিধা হয়েছে দলটির।

মৌলভীবাজার-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মুজিবুর রহমান চৌধুরীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী শ্রীমঙ্গল পৌরসভার পাঁচবারের মেয়র বহিষ্কৃত বিএনপির নেতা মহসিন মিয়া মধু। এ আসনে প্রার্থী এনসিপির প্রীতম দাশ। হবিগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী রেজা কিবরিয়ার বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন জেলা শাখার বহিষ্কৃত যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ সুজাত মিয়া। এ আসনে জামায়াত জোটের বাংলাদেশ খেলাফত প্রার্থীর সুবিধা হয়েছে ভোট ভাগে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে এনসিপি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনে বাংলাদেশ খেলাফত, কুমিল্লা-৭ আসনে খেলাফত মজলিস, নোয়াখালী-২ এবং ৬ আসনে এনসিপি, চট্টগ্রাম-১৪ আসনে এলডিপির প্রার্থীরা সুবিধা পাবেন এসব আসনে বিএনপির বিদ্রোহী থাকায়। নোয়াখালী-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী দুইজন। এতে নির্বাচন সহজ হয়েছে জামায়াত জোটের সমর্থিত এনসিপির প্রার্থী আবদুল হান্নান মাসউদের।

এ প্রসঙ্গে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং নির্বাচন পরিচালন কমিটির সদস্য সচিব আবদুল হালিম বলেন, দেশের যে কোনো যোগ্য নাগরিক নির্বাচন করতে পারেন। কাউকে বিএনপির বিদ্রোহী নয়, প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবেই গণ্য করছে জামায়াত জোট। তারা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় কিছু জায়গায় জামায়াতের সুবিধা হতে পারে। তবে তাদের ভরসায় নয়, জামায়াত নিজের শক্তি এবং জনগণের ভরসায় নির্বাচন করছে।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

জাতীয় সংসদ নির্বাচন

শেয়ার করুন: