শিরোনাম
সিটি গ্রুপকে নতুন ঋণ দিতে ব্যাংক-কোম্পানি আইনে ছাড়, মিলবে ১,৭০০ কোটি টাকার ঋণআঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতায় বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ : রিজভীপোশাকশিল্পে চলমান সহিংসতার নেপথ্যে রাজনৈতিক স্বার্থান্বেষী মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীএবার শীতে ৬ শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাসপাহাড়ে ‘বিচার’, জঙ্গলে পড়ে রইলো দুই জনের লাশ৪ ডিসেম্বর হচ্ছে না মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষাএকনেকে ৫৮ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদনচীনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারের আহ্বান রাষ্ট্রপতিরসিটি গ্রুপকে নতুন ঋণ দিতে ব্যাংক-কোম্পানি আইনে ছাড়, মিলবে ১,৭০০ কোটি টাকার ঋণআঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতায় বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ : রিজভীপোশাকশিল্পে চলমান সহিংসতার নেপথ্যে রাজনৈতিক স্বার্থান্বেষী মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীএবার শীতে ৬ শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাসপাহাড়ে ‘বিচার’, জঙ্গলে পড়ে রইলো দুই জনের লাশ৪ ডিসেম্বর হচ্ছে না মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষাএকনেকে ৫৮ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদনচীনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতায় বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ : রিজভী

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৭:২৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার শক্তিশালী এবং গঠনমূলক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক কেবল দুই দেশের সমৃদ্ধিই নয়, বরং সমগ্র অঞ্চলের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় অর্থবহ অবদান রাখতে পারে।

বুধবার দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে সফররত চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিংয়ের সঙ্গে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

রিজভী বলেন, বিএনপির পররাষ্ট্রনীতি জাতীয় স্বার্থের ওপর ভিত্তি করে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির দ্বারা পরিচালিত। বাংলাদেশে আপনাদের এই সফর আমাদের দুই দেশ এবং দুই রাজনৈতিক দলের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব, পারস্পরিক আস্থা এবং স্থায়ী অংশীদারত্বকেই প্রতিফলিত করে। বিএনপি সরকার একটি স্বাধীন, ভারসাম্যপূর্ণ ও দূরদর্শী পররাষ্ট্র নীতি অনুসরণ করতে বদ্ধপরিকর, যেখানে সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ ও পারস্পরিক কল্যাণকর সম্পর্ক বজায় রাখাই আমাদের লক্ষ্য।

চলতি বছরের ২২ থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত চীনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারি সফরের বিষয়টি স্মরণ করে রিজভী বলেন, ওই সফরের মধ্যদিয়ে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো, প্রযুক্তি ও উন্নয়ন খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার করার যৌথ প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত হয়েছে। এই সফরের সুফল আগামী দিনে সহযোগিতার নতুন দ্বার উন্মোচন করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এক চীন নীতি’র প্রতি বিএনপির দৃঢ় সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করে তিনি জানান, বিশ্বে একটাই চীন এবং তাইওয়ান চীনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ–এই নীতিতে বাংলাদেশ অবিচল।

আরও পড়ুন

পোশাকশিল্পে চলমান সহিংসতার নেপথ্যে রাজনৈতিক স্বার্থান্বেষী মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশে উৎপাদন, জ্বালানি, তথ্যপ্রযুক্তি, টেক্সটাইল, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ ও ফার্মাসিউটিক্যালস খাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি চীনা বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রবেশাধিকার আরও সম্প্রসারিত করার আহ্বান জানান। এছাড়া, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে প্রায় ৩০টি চীনা কোম্পানির ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সম্ভাব্য বিনিয়োগের লক্ষ্যে প্রস্তাবিত ‘চীন অর্থনৈতিক ও শিল্প অঞ্চল’ উদ্যোগকে স্বাগত জানানো হয়, যা দেশে প্রায় এক লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে।

একইসঙ্গে শিক্ষা খাতের প্রসারে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের চিকিৎসাবিজ্ঞানে উচ্চশিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি এবং মানবসম্পদ উন্নয়নে বাংলাদেশে একটি প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়ে বিবেচনা করতে চীন সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান রিজভী। 

ভোরের আকাশ/এনএস

শেয়ার করুন: