শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বয়ফ্রেন্ডকে আড়ালে রাখছেন তরুণীরা, কেন বাড়ছে এই প্রবণতা?

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ : ২৫ জুলাই ২০২৬, ৪:৩৭ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

একসময় সম্পর্ক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা ছিল অনেকের কাছে কথিত গর্বের বিষয়। যুগল ছবি, ভালোবাসার পোস্ট কিংবা সম্পর্কের ঘোষণা—সবই ছিল অনলাইন জীবনের অংশ। তবে সময়ের সঙ্গে সেই চিত্র বদলাচ্ছে। এখন অনেক তরুণী ইচ্ছাকৃতভাবেই প্রেমিককে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আড়াল করে রাখছেন। প্রশ্ন উঠছে—এটি কি সম্পর্ক নিয়ে অনিশ্চয়তা, নাকি সচেতন ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত?

বিশেষজ্ঞদের মতে, এর পেছনে রয়েছে একাধিক কারণ। সবচেয়ে বড় কারণ হলো ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা। অনলাইনে সম্পর্ক প্রকাশ করলে তা নিয়ে অতিরিক্ত আলোচনা, সমালোচনা বা অযাচিত মন্তব্যের মুখে পড়তে হয়। তাই অনেকেই সম্পর্ককে ব্যক্তিগত পরিসরেই সীমাবদ্ধ রাখতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ নিজস্ব পরিচয় ও ব্যক্তিগত ব্র্যান্ড। বিশেষ করে কনটেন্ট ক্রিয়েটর বা ইনফ্লুয়েন্সারদের অনেকেই চান, তাদের পরিচয় যেন শুধুই তাদের কাজের মাধ্যমে গড়ে ওঠে। সম্পর্কের কারণে যেন তাদের ব্যক্তিগত সাফল্য বা পরিচয় আড়ালে না পড়ে।

মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, বর্তমানে অনেক তরুণ-তরুণী বুঝতে শিখেছেন যে, একবার কোনো তথ্য বা ছবি অনলাইনে প্রকাশ হলে সেটি পুরোপুরি মুছে ফেলা কঠিন। সম্পর্ক ভেঙে গেলে সেই স্মৃতিগুলোও অনলাইনে থেকে যেতে পারে। তাই শুরু থেকেই অনেকেই সতর্ক থাকছেন।

কেউ কেউ আবার মনে করেন, ভালোবাসা যত ব্যক্তিগত থাকবে, ততই সম্পর্কের ওপর বাইরের চাপ কম থাকবে। সামাজিক স্বীকৃতির চেয়ে পারস্পরিক বিশ্বাস ও বোঝাপড়াকেই তারা বেশি গুরুত্ব দেন।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্পর্ক প্রকাশ করা বা না করা—কোনোটিই ভালোবাসার মানদণ্ড নয়। একটি সুস্থ সম্পর্কের ভিত্তি হলো পারস্পরিক সম্মান, বিশ্বাস, আন্তরিকতা ও নিরাপত্তাবোধ। সম্পর্ক অনলাইনে কতটা দৃশ্যমান, তার চেয়ে বাস্তবে তা কতটা দৃঢ়—সেটিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

সূত্র: বিবিসি, ব্রিটিশ ভোগ ম্যাগাজিন।

ভোরের আকাশ/এনএ

তরুন-তরুণীবয়ফ্রেন্ড

শেয়ার করুন: