শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

নিজেকে যেভাবে ইতিবাচক রাখবেন

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ : ১১ এপ্রিল ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
সংগৃহীত
সংগৃহীত

চারদিকে যেন শুধুই নেতিবাচক মানুষ, খবর, হতাশার গল্প আর উদ্বেগের ছায়া। প্রতিদিনের জীবনযাত্রায় এই চাপগুলো ধীরে ধীরে আমাদের মন ও শরীরের উপর প্রভাব ফেলতে শুরু করে। নেতিবাচক চিন্তা শুধু মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে না, বরং কর্মক্ষমতা, সৃজনশীলতা এবং আত্মবিশ্বাসকেও কমিয়ে দেয়। ফলে অজান্তেই আমাদের জীবনে জায়গা করে নেয় বিষাদ ও উদ্বেগ।

বাস্তব জীবনে পরিবার, কর্মক্ষেত্র বা সমাজে এমন মানুষদের এড়িয়ে চলা সবসময় সম্ভব হয় না, যারা বারবার নেতিবাচক কথা বলেন বা পরিস্থিতিকে জটিল করে তোলেন। তাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো-তাদের উপস্থিতিতে নিজেকে কীভাবে স্থির ও ইতিবাচক রাখা যায় তা শেখা।

নেতিবাচক মানুষের সবচেয়ে বড় চেষ্টা থাকে আপনাকে তাদের আবেগের মধ্যে টেনে আনা। তারা চায় আপনি প্রতিক্রিয়া দিন, উত্তেজিত হন বা তর্কে জড়িয়ে পড়ুন। কিন্তু এই অবস্থায় সবচেয়ে কার্যকর কৌশল হলো শান্ত থাকা। তাদের কথা মন দিয়ে শুনলেও আবেগে না জড়িয়ে নিরপেক্ষ থাকা জরুরি। এতে পরিস্থিতি অপ্রয়োজনীয়ভাবে জটিল হয় না এবং অনেক সময় তারা নিজেরাই ধীরে ধীরে থেমে যায়।

নিজের মানসিক শক্তি রক্ষা করার জন্য ‘না’ বলতে শেখা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কেউ যদি বারবার নেতিবাচক কথাবার্তা বা চাপ তৈরি করে, তাহলে বিনয়ের সঙ্গে সেখান থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়া উচিত। এটি কোনো দুর্বলতা নয়, বরং মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ।

নেতিবাচক মানুষদের কথা বা আচরণ অনেক সময় আমাদের ব্যক্তিগতভাবে আঘাত করে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, তাদের অনেক কথাই তাদের নিজের ভেতরের অস্থিরতা থেকে আসে। তাই তাদের মন্তব্যকে নিজের পরিচয় বা মূল্য হিসেবে না নেওয়াই ভালো। মানসিক দূরত্ব বজায় রাখা এখানে খুব জরুরি।

নেতিবাচকতার প্রভাব কমানোর সবচেয়ে ভালো উপায় হলো নিজের চারপাশে ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করা। এমন মানুষের সঙ্গে সময় কাটানো, যারা অনুপ্রেরণা দেয় বা মানসিকভাবে ভালো অনুভূতি তৈরি করে, তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি বই পড়া, গান শোনা, প্রিয় শখের কাজ করা গুলো মনকে হালকা রাখে এবং মানসিক শক্তি বাড়ায়।

দৈনন্দিন কাজের মাঝে ছোট ছোট বিরতি নেওয়া মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। যখনই মন ভারী লাগবে, তখন কিছু সময়ের জন্য কাজ থেকে দূরে গিয়ে একটু হাঁটা, পানি পান করা বা গভীর শ্বাস নেওয়া উপকারী হতে পারে। প্রকৃতির দিকে তাকানো বা কিছু সময় নীরব থাকা মনকে পুনরায় স্থির করতে সাহায্য করে।

নিজের চিন্তাভাবনাকে সচেতনভাবে ইতিবাচক দিকে নিয়ে যাওয়া একটি অভ্যাস। নেতিবাচক ভাবনা এলে সেটিকে চিহ্নিত করে সচেতনভাবে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন করার চেষ্টা করতে হয়। ধীরে ধীরে এই অভ্যাস মানসিক স্থিতিশীলতা তৈরি করে।

জীবনের সব পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণে না থাকলেও, আমরা কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবো তা পুরোপুরি আমাদের হাতে। তাই নেতিবাচকতার ভিড়েও নিজের ভেতরের ইতিবাচকতা ধরে রাখা সম্ভব, যদি আমরা সচেতনভাবে মানসিক যত্ন নিতে শিখি এবং নিজের সীমারেখা বজায় রাখি।

সূত্র: ভেরি ওয়েল মাইন্ড, মিডিয়াম, হিন্দুস্তান টাইমস ও অন্যান্য

নিজেকে যেভাবে ইতিবাচক রাখবেন

শেয়ার করুন: