শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

চকলেট ডে, মিষ্টি উপহারে শুরু হোক নতুন সম্পর্কের শুরু

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ : ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৬:৩৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ভালোবাসা প্রকাশের সপ্তাহ—ভ্যালেন্টাইনস উইক—চলছেই। রোজ ডে ও প্রোপোজ ডে পেরিয়ে সোমবার, (৯ ফেব্রুয়ারি) পালিত হচ্ছে চকলেট ডে। এ দিনটি মূলত প্রিয়জনকে চকলেট উপহার দিয়ে ভালোবাসা, যত্ন আর মিষ্টি অনুভূতি ভাগ করে নেওয়ার দিন।

৭ ফেব্রুয়ারি রোজ ডে দিয়ে শুরু হয় ভ্যালেন্টাইনস সপ্তাহ। এরপর ৮ ফেব্রুয়ারি ছিল প্রোপোজ ডে, আর আজ তৃতীয় দিনে এসে হাজির চকলেট ডে। ভালোবাসা দিবসকে ঘিরে সাত দিনের এই বিশেষ আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণই হলো চকলেট ডে।

ভিক্টোরিয়ান যুগে ইউরোপ ও আমেরিকায় প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্যে উপহার হিসেবে চকলেট জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ধীরে ধীরে এটি ভালোবাসা প্রকাশের একটি প্রতীকে পরিণত হয়। গবেষণায়ও দেখা গেছে, চকলেট খেলে মন ভালো থাকে, মানসিক চাপ কমে এবং আনন্দের অনুভূতি বাড়ে। তাই ভালোবাসার দিনে চকলেট যেন অনুভূতির ভাষা হয়ে উঠেছে।

তবে চকলেট ডে শুধু প্রেমিক-প্রেমিকাদের জন্য—এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। যারা সিঙ্গেল, তারাও হতাশ হবেন না। চকলেট খাওয়ার জন্য কাপল হওয়ার প্রয়োজন নেই। মন চাইলে নিজেই নিজের জন্য কিনে নিতে পারেন প্রিয় স্বাদের চকলেট। নিজেকে ভালোবাসার শুরুটাও তো এখান থেকেই।

ইতিহাস বলছে, ১৯৫০ সাল থেকে জাপানে ভ্যালেন্টাইনস ডে উপলক্ষে চকলেট উপহার দেওয়ার প্রথা চালু হয়। মোরোজফ নামের একটি চকলেট প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে শুরু হওয়া এই রীতি পরে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। জাপানে এখনো মূলত নারীরাই পুরুষদের চকলেট উপহার দিয়ে থাকেন।

চকলেটের ইতিহাস প্রায় দুই হাজার বছরেরও বেশি পুরোনো। মায়ান ও আজটেক সভ্যতায় কোকোবীজ থেকে তৈরি তেতো পানীয় ছিল জনপ্রিয়, এমনকি কোকোবীজ একসময় মুদ্রা হিসেবেও ব্যবহৃত হতো। পরে স্প্যানিশদের হাত ধরে চকলেটে চিনি ও মধু যোগ হয়, আর ধীরে ধীরে এটি মিষ্টি খাবার হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পায়।

১৫৫০ সালে ইউরোপে চকলেট প্রবেশের পর এটি অভিজাতদের বিলাসী খাবারে পরিণত হয়। ১৮৪৮ সালে প্রথম শক্ত চকলেট বার বাজারে আসে। এরপর নানা স্বাদ ও আকারে চকলেট মানুষের দৈনন্দিন আনন্দের অংশ হয়ে ওঠে।

প্রতি বছর ৭ জুলাই পালিত হয় বিশ্ব চকলেট দিবস। তবে ফেব্রুয়ারির এই বিশেষ দিনে—ভ্যালেন্টাইনস উইকের চকলেট ডে—চকলেটের আবেদন যেন আরও একটু বেশি।

আজ তাই প্রিয় মানুষকে চকলেট উপহার দিয়ে ভালোবাসার মুহূর্তটাকে আরও মধুর করে তুলতেই পারেন। আর যদি প্রিয় মানুষ কেউ না-ই থাকে, তাতেও সমস্যা নেই—নিজের জন্য হলেও আজ একটা চকলেট তো প্রাপ্যই।

ভোরের আকাশ/তা.কা

 

চকলেট ডে

শেয়ার করুন: