জানেন কী এর আড়াই হাজার বছরের ইতিহাস?
এক স্কুপ ভালোবাসা! প্রিয়জনকে আইসক্রিম খাওয়ানোর দিন আজ

ছোট-বড় সবার প্রিয় খাবারের তালিকায় আইসক্রিমের অবস্থান সবসময়ই শীর্ষে। গরমের দিনে এক স্কুপ ঠান্ডা আইসক্রিম যেমন স্বস্তি এনে দেয়, তেমনি বছরের যেকোনো সময়ই এটি আনন্দের উপলক্ষ। সেই জনপ্রিয় খাবারটিকে ঘিরেই আজ পালিত হচ্ছে ন্যাশনাল আইসক্রিম ডে ।
১৯৮৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান জুলাই মাসের তৃতীয় রোববারকে ‘ন্যাশনাল আইসক্রিম ডে’ এবং পুরো জুলাই মাসকে ‘আইসক্রিম মান্থ’ হিসেবে ঘোষণা করেন। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্রের ৯০ শতাংশেরও বেশি মানুষ আইসক্রিম পছন্দ করেন।
আইসক্রিমের ইতিহাসও বেশ প্রাচীন। ইতিহাসবিদদের ধারণা, প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে আচেমেনিড সাম্রাজ্যের পারস্যে বরফ, গোলাপজল, ফল ও বিভিন্ন সুগন্ধি উপকরণ দিয়ে ঠান্ডা মিষ্টান্ন তৈরি করা হতো। পরবর্তীতে সেই ধারণা থেকেই আধুনিক আইসক্রিমের বিকাশ ঘটে।
বর্তমানে ভ্যানিলা, চকোলেট, স্ট্রবেরি, পেস্তাসহ অসংখ্য স্বাদের আইসক্রিম পাওয়া যায়। শুধু কাপ বা কোনেই নয়, আইসক্রিম দিয়ে তৈরি হয় কেক, মিল্কশেক, স্যান্ডউইচ এবং বানানা স্প্লিটের মতো জনপ্রিয় ডেজার্টও।
দিবসটি উদযাপনের সবচেয়ে সহজ উপায় হলো পরিবার, বন্ধু বা প্রিয়জনদের সঙ্গে আইসক্রিম খাওয়া। চাইলে ঘরেই বিভিন্ন ফল, বাদাম, চকোলেট কিংবা অন্যান্য উপকরণ দিয়ে নতুন স্বাদের আইসক্রিম তৈরি করেও দিনটি উদযাপন করা যেতে পারে।
একসময় আইসক্রিম ছিল রাজপরিবার ও ধনীদের বিলাসী খাবার। তবে আধুনিক হিমায়ন প্রযুক্তির কল্যাণে এখন বিশ্বের প্রায় সব দেশেই বছরের যেকোনো সময় সহজেই আইসক্রিম পাওয়া যায়।
ভোরের আকাশ/এনএ