শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বজ্রপাতের ভয়াবহতা কমাতে জরুরি সতর্কতা

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ৭ জুন ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

কালবৈশাখীর এই সময়ে বজ্রপাত এক ভয়াবহ ঝুঁকিতে পরিণত হয়েছে। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাদের মতে, আকাশে বজ্রধ্বনি শোনা মানেই সম্ভাব্য ঝুঁকির মধ্যে থাকা। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বজ্রপাতের শব্দ যে দূরত্ব পর্যন্ত শোনা যায়, অনেক ক্ষেত্রেই সেই এলাকাতেই বজ্রপাত আঘাত হানতে পারে। তাই মেঘের গর্জন শুনলেই দেরি না করে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

১০ মাইলের মরণফাঁদ

বিজ্ঞানীদের মতে, বজ্রপাতের শব্দ সাধারণত প্রায় ১০ মাইল দূর থেকে শোনা যায়। বিস্ময়কর তথ্য হলো, একটি বজ্রপাত তার মূল মেঘপুঞ্জ থেকে প্রায় ১০ মাইল দূরেও আঘাত হানতে সক্ষম। অর্থাৎ, আপনি যদি বজ্রপাতের শব্দ শুনতে পান, তবে এর অর্থ হলো আপনি এমন এক ব্যাসার্ধের মধ্যে আছেন যেখানে পরবর্তী বজ্রপাতটি আপনার ওপর আছড়ে পড়ার যথেষ্ট ঝুঁকি রয়েছে।

জীবন রক্ষায় ‘৩০ মিনিটের গোল্ডেন রুল’

বজ্রপাত থেকে বাঁচতে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি নিয়ম হলো ‘৩০ মিনিটের অবস্থান’। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বজ্রপাতের একাধিক শব্দের মধ্যে আপনি যখন সর্বশেষ শব্দটি শুনবেন, সেই সময় থেকে পরবর্তী অন্তত ৩০ মিনিট বাড়ির বাইরে বের হবেন না। অনেক সময় দেখা যায়, আকাশ কিছুটা পরিষ্কার হয়ে এলেও বজ্রপাতের ঝুঁকি থেকে যায়। এই ৩০ মিনিট ঘরে অবস্থান করলে আকস্মিক বজ্রপাতের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।

বজ্রপাতের সময় বিশেষ সতর্কতা

আরও পড়ুন

চার্জ দেওয়ার সময় ফোন গরম হওয়ার কারণ কী?

  • উন্মুক্ত স্থান বর্জন: বজ্রপাতের শব্দ শুনলে সাথে সাথে খোলা মাঠ, উঁচু স্থান বা গাছের নিচ থেকে সরে গিয়ে পাকা দালানে আশ্রয় নিন।
  • ইলেকট্রনিক ডিভাইস: ঘরের ভেতরে থাকলেও বজ্রপাতের সময় মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ বা অন্য কোনো বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। সম্ভব হলে মেইন সুইচ বা প্লাগ খুলে রাখুন।
  • ধাতব বস্তু থেকে দূরে থাকুন: কলতলার ট্যাপ, জানালার গ্রিল বা অন্য কোনো ধাতব বস্তু স্পর্শ করবেন না।
  • যানবাহনে থাকলে: যদি গাড়িতে থাকেন, তবে গাড়ির ভেতরেই থাকুন। তবে খেয়াল রাখবেন যেন গাড়িটি কোনো বড় গাছের নিচে পার্ক করা না থাকে।

বিশেষজ্ঞের অভিমত

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, “বজ্রপাত একটি তাৎক্ষণিক প্রাকৃতিক দুর্যোগ। এখানে সতর্কতাই প্রধান প্রতিরক্ষা। মেঘের ডাক শোনার পর অন্তত আধা ঘণ্টা ঘরে থাকা জীবন ও মৃত্যুর মধ্যে পার্থক্য গড়ে দিতে পারে।

ভোরের আকাশ/জেআ

প্রাকৃতিক দুর্যোগকালবৈশাখী ঝড়আবহাওয়াবজ্রপাতবজ্রপাতের ঝুঁকি

শেয়ার করুন: