শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

রোজার পর হঠাৎ ভারী খাবার খেলে হতে পারে বিপদ

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ২৪ মার্চ ২০২৬, ৩:১৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

এক মাসের রোজার পর ঈদ উদযাপনে হঠাৎ ভারী খাবার খেয়ে ফেলেন অনেকেই। তবে হঠাৎ ভারী খাবার খেলে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে শরীরে। রোজার পর বেশির ভাগ সময়ই স্বাভাবিক থেকে অনেক বেশি মিষ্টি, ভাজাপোড়া বা তেলযুক্ত খাবার খাওয়া হয়। তবে রোজার পর এমন আচরণ শরীরের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

চিকিৎসদের মতে, এক মাস রোজার পর হঠাৎ অতিরিক্ত খাবার খেলে শরীরে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে।

হঠাৎ বেশি খাবারের সমস্যা: দীর্ঘ সময় রোজা রাখার পর হঠাৎ প্রচুর খাবার খাওয়ার ফলে হজম প্রক্রিয়া বিপর্যস্ত হয়। ফলে পেট ফুলে যাওয়া, অম্বল বা গ্যাস্ট্রিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। এছাড়া হঠাৎ বেশি মিষ্টি খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বৃদ্ধি পায়, যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বিপজ্জনক।

অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবারের প্রভাব: রোজার শেষে ভাজাপোড়া বা তেলযুক্ত খাবার অতিরিক্ত খেলে পেট ভারী হয়, বুক জ্বালা এবং হজমে সমস্যা তৈরি হয়। চিতিৎসকরা বলেন, হঠাৎ বেশি খাওয়া হলে লিভার এবং প্যানক্রিয়াসের ওপর চাপ পড়ে এবং দীর্ঘমেয়াদে ওজন বৃদ্ধিও হতে পারে।

হৃদরোগ ও রক্তচাপের ঝুঁকি:যাদের উচ্চ রক্তচাপ বা হৃদরোগ আছে, তাদের জন্য হঠাৎ বেশি খাবার বা অতিরিক্ত লবণ ও মিষ্টি গ্রহণ বিপজ্জনক। রক্তচাপ ওঠানামা বা হৃৎস্পন্দনের বৃদ্ধি হতে পারে।

চিকিৎসকরা বলেন, এই ধরনের মানুষদের খাওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা থাকা উচিত।
নিরাপদ থাকতে যা করবেন

১. একসঙ্গে অনেক বেশি খাবার খাবেন না। ভালো করে চিবিয়ে অল্প অল্প করে খাবেন।

২. খেতে বসার আধঘণ্টা আগে বা আধঘণ্টা পরে পানি খাবেন। খাবারের মধ্যে অতিরিক্ত পানি খাবেন না।

৩. গরমকালে খাবার বেশিক্ষণ বাইরে রাখবেন না। সম্ভব হলে খাবার ফ্রিজে রাখুন।খাদ্যতালিকায় সহজপাচ্য খাবার রাখুন।

৪. খালি পেটে চা বা ফল না খাওয়াই ভালো। ফুলকপি, বাঁধাকপি, ভুট্টা, কর্নফ্লেকস খেলে অনেকের হজমের সমস্যা হতে পারে।

৫. খাওয়ার পরপর শুয়ে পড়লে খাবার হজমে অসুবিধা হয়, এদিকে খেয়াল রাখবেন। রাতের খাবার আটটার মধ্যে সেরে ফেলুন।

৫. ভারী খাবারের শেষে নিয়মিত কিছুক্ষণ হাঁটার অভ্যাস করুন। হাঁটা শেষ করে ১-২ ঘণ্টার মধ্যে শুয়ে পড়ুন। ভারী খাবারের পর বাসায় তৈরি বোরহানি বা জিরাপানি খেতে পারেন।

বিশেষ সতর্কতা দরকার: দীর্ঘমেয়াদি রোগ যেমন ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা হৃদরোগ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাবার গ্রহণ করা জরুরি। এতে হঠাৎ স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়িয়ে ফেলা যায়।

ভোরের আকাশ/এনউব

হঠাৎ ভারী খাবার

শেয়ার করুন: