শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

চায়ে চিনি বাদ দিয়ে গুড়-মধু, ভুল করছেন না তো?

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ২৭ আগস্ট ২০২৬, ৬:১০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ওজন কমানো, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ কিংবা সুস্থ জীবনযাত্রার উদ্দেশ্যে অনেকেই আজকাল চা বা কফিতে সাদা চিনির বদলে গুড় বা মধু ব্যবহার করছেন। 

সাধারণ ধারণা হলো—চিনি প্রক্রিয়াজাত এবং স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, কিন্তু গুড় ও মধু সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক তাই তা শতভাগ নিরাপদ। তবে পুষ্টিবিদদের মতে, না বুঝে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণে গুড় বা মধু ব্যবহার করাও একটি ভুল সিদ্ধান্ত হতে পারে।

চিনি, গুড় ও মধুর পুষ্টিগত তুলনা

ক্যালোরি ও গ্লাইসেমিক ইনডেক্স: চিনি, গুড় এবং মধু—তিনটি উপাদানই মূলত শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট। চিনিতে প্রতি গ্রামে যে পরিমাণ ক্যালোরি থাকে, গুড় ও মধুতেও প্রায় কাছাকাছি (সামান্য কম-বেশি) ক্যালোরি থাকে। তিনটিরই গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (GI) বেশি, যা রক্তে দ্রুত শর্করা বাড়াতে সক্ষম।

মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট: সাদা চিনি তৈরি করার সময় এর সব পুষ্টি উপাদান নষ্ট হয়ে যায় (যাকে খালি ক্যালোরি বা Empty Calories বলা হয়)। তবে গুড়ে আয়রন, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম থাকে এবং মধুতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান থাকে।

কোথায় ভুল হচ্ছে?

ডায়াবেটিস রোগীদের ভুল ধারণা: অনেকেই ভাবেন গুড় বা মধু খেলে রক্তের চিনি বা সুগার বাড়বে না। এটি সম্পূর্ণ ভুল। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য চিনির মতোই গুড় ও মধু রক্তের গ্লুকোজ লেভেল দ্রুত বাড়িয়ে দেয়।

ওজন কমানোর বিভ্রান্তি: চিনি ছেড়ে দিয়ে যদি কেউ অতিরিক্ত পরিমাণে গুড় বা মধু চায়ে মেশাতে থাকেন, তবে দিনের শেষে মোট ক্যালোরি গ্রহণ একই থেকে যায়। ফলে ওজন কমানোর লক্ষ্য বাধাগ্রস্ত হয়।

গরম চায়ে মধু মেশানোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: অত্যন্ত ফুটন্ত গরম চায়ে মধু মেশালে মধুর গুণাগুণ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি কিছু এনজাইম রাসায়নিক পরিবর্তনের মাধ্যমে শরীরে টক্সিক প্রভাব ফেলতে পারে।

সঠিক নিয়ম ও পরামর্শ

পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ: আপনি যদি ডায়াবেটিস মুক্ত হন এবং পুষ্টির কথা ভেবে গুড় বা মধু বেছে নেন, তবে তা পরিমিত পরিমাণে (দিনে ১ চা চামচ) খাওয়া উচিত।

কুসুম গরম পানিতে ব্যবহার: চায়ে মধু দিতে চাইলে ফুটন্ত চা সামান্য ঠান্ডা (কুসুম গরম) হওয়ার পর মেশানো উচিত।

সেরা বিকল্প: স্বাস্থ্যগত দিক থেকে চায়ে চিনি, গুড় বা মধু—কোনোটিই না দিয়ে লিকার চা, গ্রিন টি বা লেবু-আদা চা পানের অভ্যাস গড়ে তোলাই সবচেয়ে উত্তম।

সাদা চিনির তুলনায় প্রাকৃতিক গুড় বা মধু নিঃসন্দেহে কিছুটা পুষ্টিকর, তবে মিষ্টি বা ক্যালোরির বিচারে এগুলো চিনির বিকল্প হিসেবে সম্পূর্ণ ঝুঁকিমুক্ত নয়। তাই সুস্থ থাকতে যেকোনো ধরনের মিষ্টি উপাদান ব্যবহারের ক্ষেত্রে সচেতন ও পরিমিত হওয়াই বুদ্ধিমত্তার কাজ।

ভোরের আকাশ/জেআ

শেয়ার করুন: