শিরোনাম
ঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

বীজ আলুর দাম পুনর্বিবেচনার দাবি জামালপুরের চাষিদের

জামালপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৩ মে ২০২৫, ১:৩৬ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
বীজ আলুর দাম পুনর্বিবেচনার দাবি জামালপুরের চাষিদের
বীজ আলুর দাম পুনর্বিবেচনার দাবি জামালপুরের চাষিদের

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ আলু চাষিরা আলুর বীজের মূল্য বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন। সোমবার জামালপুর প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- বিএডিসি আলুবীজ চুক্তিবদ্ধ চাষি ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রুহুল আমিন মিলন, যুগ্ম সম্পাদক হাবিবুর রহমান রুমেল, জেলা কৃষক ফোরামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তসলিম উদ্দিন, আলু বীজ চাষি আবুল কালাম।

মানববন্ধনে বিএডিসি আলুবীজ চুক্তিবদ্ধ চাষি ফোরামের নেতৃবৃন্দ বলেন, ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) থেকে ৪৮ থেকে ৫৪ টাকা দরে বীজ ক্রয় করেছিলাম। বীজ থেকে উৎপাদিত আলুর দর পেয়েছি ৩৫ থেকে ৩৭ টাকা কেজি। অথচ বাইরে বাজারে এই আলু বিক্রি হয়েছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা দরে। কিন্তু আমরা বিএডিসির সাথে চুক্তিবদ্ধ বলে বাইরে কোনো আলু বিক্রি করিনি। যার ফলশ্রুতিতে বিএডিসি ব্যাপক লাভবান হয়েছে।
২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে বিএডিসি ভিত্তি বীজের দাম নিয়েছে ৬০/৬২ টাকা দরে। 

এত উচ্চমূল্যে বীজ, সার, কীটনাশক, ব্যবহার করে বীজের উৎপাদন খরচ বেড়ে অঞ্চলভেদে দাঁড়িয়েছে ৩০/৩৫ টাকায়। কিন্তু দুঃখের বিষয়, কিছু কিছু জোন থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে যে উৎপাদন খরচ দেখিয়েছে, তা চাষিদের উৎপাদিত খরচের সাথে কোনো সামঞ্জস্য নেই। এই অসামঞ্জস্যপূর্ণ উৎপাদন খরচ এবং খাবার আলুর নিম্নমুখী দর দেখে চলতি অর্থবছরে মূল্য নির্ধারণ করেছে প্রতি কেজি ২৬/২৮ টাকা। বিগত বছর ৪৮/৫৪ টাকা দরে ভিত্তি বীজ কিনে দর পেয়েছি প্রতি কেজি ৩৫/৩৭ টাকা। আর এ বছর ৬০/৬২ টাকা দরে ভিত্তি বীজ কিনে দর পেলাম ২৬/২৮ টাকা। এতে চুক্তিবদ্ধ চাষিগণ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে সর্বস্বান্ত হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বিএডিসি আলু বীজের চুক্তিবদ্ধ চাষিদের উৎপাদন খরচের সাথে সামঞ্জস্য রেখে আলু বীজের মূল্য গত অর্থবছরের চাইতেও এবার প্রতি কেজিতে আরো দুই টাকা বাড়িয়ে অথ্যাৎ ৩৭/৩৯ টাকা নির্ধারণের দাবি জানান। দাবি মানা না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে যাবার হুমকি দিয়েছে বীজ আলু চাষিরা।

ভোরের আকাশ/আজাসা

শেয়ার করুন: