বগুড়ায় কাঁচা চামড়ার গুণগত মান রক্ষায় কর্মশালা

বগুড়ায় “কাঁচা চামড়ার গুণগত মান রক্ষায় চামড়া ছাড়ানোর সময় লেস—কাট নিয়ন্ত্রণ এবং সঠিক পদ্ধতিতে চামড়া সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও পরিবহণ” বিষয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকালে বগুড়া জেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ ট্যানার্স এসোসিয়েশন (বিটিএ) ও বাণিজ্য মন্ত্রাণালয় এর আওতাধীন লেদার সেক্টর বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল (এলএসবিপিসি) এর যৌথ উদ্যোগে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
চামড়া ব্যবসায়ীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত সভায় বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজির প্রভাষক মোঃ সামাউল আলম ও বিটিএ’র হেড অব এডমিন মিজানুর রহমান।
প্রশিক্ষণে বৈজ্ঞানিক উপায়ে চামড়া সংরক্ষণ ও লবণজাত করার পদ্ধতি এবং পরিবহনের সময় করণীয় সম্পর্কে ব্যবসায়ীদের বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হয়। এছাড়া- চামড়া ছাড়ানোর বিষয়ে চামড়ার বিভিন্ন অংশ ও তার গুণমান, সঠিক উপায়ে গবাদী পশু জবাই ও চামড়া ছাড়ানো, কাঁচা চামড়ার সৃষ্ট ত্রুটিসমূহ রোধকরণ, চামড়া সংরক্ষণ পদ্ধতি, কাঁচা চামড়া সংগ্রহ ও পরিবহন কৌশল, চামড়ার মান ঠিক রাখতে করনীয় বিষয়েও আলোচনা করা হয়।
কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন বগুড়া জেলা চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান, সহ-সভাপতি মোহাম্মদ মুক্তার হোসেন ও আলহাজ সিরাজুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোঃ মুকুল হোসেন, উপদেষ্টা মোঃ শহিদুল ইসলাম, এ্যাডঃ গোলাম ফারুক, দপ্তর সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলর মাহফুজার রহমান মাফু, আনোয়ার হোসেন, শাহজালাল হাকীম, মোঃ লিটন, জাহাঙ্গুীর হোসেন সহ জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্য, স্থানীয় মাংস ব্যবসায়ী, মাদ্রাসা শিক্ষক, মসজিদের ইমামসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
সভায় বক্তারা বলেন, দেশের অর্থনীতিতে চামড়া শিল্পের গুরুত্ব অপরিসীম| বগুড়ায় প্রচুর পশু কোরবানী হয়ে থাকে। একারণে এই অঞ্চলের চামড়া অর্থনীতিতে অবদান রাখছে। সঠিক ভাবে চামড়া ছাড়ানো গেলে অর্থনীতিতে আরো সফলতা পাওয়া যাবে| বিশেষ করে কোরবানির ঈদের সময় সঠিক জ্ঞান না থাকায় বিপুল পরিমাণ কাঁচা চামড়া নষ্ট হয়। চামড়া ছাড়ানোর সময় ‘লেস—কাট’ বা ছুরির আঁচড় নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে পশুর চামড়ার আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখা সম্ভব।
ভোরের আকাশ/নি