শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

১৩ কোটি টাকার সেতুতে উঠতে হয় মই দিয়ে, দুর্ভোগে মানুষ

স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার

প্রকাশ : ৭ মে ২০২৬, ৬:৩৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

কক্সবাজারের ঈদগাঁও খালের ওপর প্রায় ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু পাঁচ বছর ধরে ব্যবহার অনুপযোগী অবস্থায় পড়ে আছে। 

সেতুর উভয় পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না হওয়ায় এলাকাবাসী বাধ্য হয়ে মই বেয়ে চরম ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছে। এতে বিশেষ করে শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অর্থায়নে ঈদগাঁও উপজেলার গজালিয়া এলাকায় ঈদগাঁও খালের ওপর ৯০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ১৩ মিটার প্রস্থের সেতুটি নির্মাণ করা হয়। 

এটি ঈদগাঁও উপজেলার সঙ্গে রামুর পাহাড়ি জনপদ ঈদগড়ের সংযোগ সড়কের অংশ হিসেবে নির্মিত হয়েছিল। তবে নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার দীর্ঘ পাঁচ বছর পরও সংযোগ সড়ক না থাকায় সেতুটি এখনো কার্যকর হয়নি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও ঠিকাদারের স্বেচ্ছাচারিতার কারণেই সেতুটি চালু করা সম্ভব হয়নি। তাদের দাবি, সেতুটি চালু হলে ঈদগড়, বাইশারি ও গর্জনিয়ার সঙ্গে ঈদগাঁও উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসত। 

পাশাপাশি বিকল্প এই সড়ক চালু হলে পূর্বের রুটে সংঘটিত ডাকাতি ও অপহরণের ঘটনাও অনেকাংশে কমে যেত।

এলাকাবাসী জানান, বর্তমানে কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মই বেয়ে সেতু পারাপার করছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

ইসলামাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বলেন, “সেতুটি চালু করা জনগণের প্রাণের দাবি। দ্রুত উভয় পাশের সংযোগ সড়ক নির্মাণে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য জুবায়েদ উল্লাহ জুয়েল জানান, পাঁচ বছর আগে সেতুর মূল নির্মাণ কাজ শেষ হলেও পশ্চিম পাশের সংযোগ সড়কের জমি ব্যক্তি মালিকানাধীন হওয়ায় জটিলতা তৈরি হয়। এছাড়া ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর ঠিকাদার গা ঢাকা দেওয়ায় সংযোগ সড়কের কাজ আরও অনিশ্চয়তায় পড়ে যায়।

এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের ঈদগাঁও উপজেলা প্রকৌশলী আল মুইন শাহরিয়ার বলেন, “সেতুর উভয় পাশের সংযোগ সড়কের কাজ নির্ধারিত সময়ে সম্পন্ন না হওয়ায় আইনানুগ প্রক্রিয়ায় পূর্বের টেন্ডার বাতিল করা হয়েছে। 

আরও পড়ুন

কুড়িগ্রামে বিশ্ব রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবস উদযাপন

অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন করতে নতুন টেন্ডার আহ্বানের প্রক্রিয়া চলছে। প্রক্রিয়া শেষ হলে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় দ্রুত কাজ শুরু করা হবে। 

ভোরের আকাশ/ র.ই


 

সংযোগ সড়কজুবায়েদ উল্লাহ জুয়েল

শেয়ার করুন: