শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সুনামগঞ্জে বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ডুবিয়ে দিল বোরো ফসল

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৩ মে ২০২৬, ৭:৫৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

সুনামগঞ্জে জলাবদ্ধতা ও আগাম বন্যার সম্মিলিত জলরাশি ডুবিয়ে দিল বোরো ফসল। 

গত ৯ বছরে একের পর এক ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণ করার পরও কোন বাঁধই টেকসই না হওয়ায় অতি সহজেই ফসলহানির ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। এরকম অমানবিক অবস্থা দীর্ঘদিনের পিআইসি সিন্ডিকেটের পরিকল্পিত দুর্নীতির বিরুদ্ধে জেলাবাসীকে নতুন করে বার্তা দিচ্ছে কথিত পিআইসির কাজ বন্ধ করে নদী ও খাল খননের উপর সর্বাধিক গুরুত্বারোপ করার। কথাগুলো বলেছেন,হাওর ও নদীরক্ষা আন্দোলনের নেতা ওবায়দুল হক মিলনের। 

অন্যদিকে হাওরপাড়ে দেখা গেছে আরেক অমানবিক চিত্র। “আকাশ যেন আজ শোকের কালো চাদর মেলে দিয়েছে। মেঘের বুক ফেটে ঝরে পড়া প্রতিটি ফোঁটা বৃষ্টি যেন কৃষকের সপ্নভাঙার অশ্রু হয়ে মিশে যাচ্ছে ভেজা মাটির বুকে। খোলা আকাশের নিচে পড়ে আছে কৃষকের তপ্ত ঘামের এক ফসলি বোরো ধান। 

জমি থেকে ধান কেটে যখন পরম তৃপ্তিতে খলায় সাজিয়ে রেখেছিলেন, তখন চোখে ছিল নতুন চালের ভাতের মায়া, ছিল ঋণের শৃঙ্খল ভাঙার সস্তির নি:শ্বাস ও হাসি। সেই হাসিই আজ নিঃশব্দে মিলিয়ে গেছে বৃষ্টির অবিরাম ঝরনায়। অবিরাম বর্ষণ আর স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় সোনালি ধান আজ আর সোনা নেই। 

প্রতিটি দানায় জন্ম নিচ্ছে সবুজ অঙ্কুর,যেন কৃষকের বুকের ভেতর গজিয়ে ওঠা বেদনার চারা। যে ফসল ছিল জীবনের ভরসা, সেটাই আজ চোখের সামনে মুখথুবড়ে পড়ে আছে মৃত্যুর দিকে ধাবিত হয়ে| প্রতিটি অঙ্কুর যেন একটি করে ভাঙা সপ্ন, একটি করে অপূর্ণ প্রতিশ্রুতি,একটি করে না বলা কান্না। 

হাওরের বুকজুড়ে এখন আর শুধু পানি নয়। ভেসে বেড়াচ্ছে অসহায়ত্ব, হতাশা আর নিঃশব্দ আর্তনাদ। প্রকৃতি আজ যেন নির্দয় বিচারক,আর কৃষক তার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা এক নীরব অভিযুক্ত”। 

অনুসন্ধানে জানা যায়,উপজেলার বৃহত্তর মাটিয়াইন হাওরে গত ২০২৮ সাল থেকে গত ৯ বছরে পিআইসি প্রকল্পের আওতায় প্রচুর পরিমাণ হাওররক্ষা বাঁধ নির্মাণ করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। এসব বাঁধের মাটির সাথে মিশে আছে প্রচুর পরিমাণ বালি। কিন্তু বালিমেশানো মাটি কোনক্রমেই ফসল রক্ষার প্রতিরোধে ন্যূনতম ভূমিকা রাখতে পারেনা। 

ফলে সহজেই পাহাড়ী ঢলের পানি এসব বাঁধ অতিক্রম করে হাওরে প্রবেশ করে প্রথমে জলাবদ্ধতা পরবর্তীতে বন্যার সৃষ্টি হয়। জলাবদ্ধতা ও আগাম বন্যার সম্মিলিত জলরাশিই এবার হাওরবাসীর কাল হয়ে দাড়িয়েছে। মাত্র ৪০ ভাগ ফসল কোনরকমে কাটা হলেও এখনও গোলায় উঠেনি ধান। 

আরও পড়ুন

গফরগাঁওয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গাছ কাটা শ্রমিকের মৃত্যু

স্থবীর আবহাওয়ার কারণে অঙ্কুরেই নষ্ট হয়ে গেছে এসব খাদ্যসামগ্রী। সারা সুনামগঞ্জ জেলার আজ একইচিত্র। এরজন্য দায়ী পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত অপ্রয়োজনীয় পিআইসি ও মনিটরিং কমিটির ব্যর্থতা বলে জানিয়েছেন ভূক্তভোগী কৃষকরা।

ভোরের আকাশ/ র.ই

 

বোরো ধানআহম্মদ কবির

শেয়ার করুন: