শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

যানজটের অবসানে কুড়িগ্রাম শাপলা চত্বরের রূপান্তর, আইকনিক প্রবেশদ্বার গড়ার উদ্যোগ

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৭ আগস্ট ২০২৬, ৭:২৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

দীর্ঘদিনের যানজট ও জনভোগান্তির অবসান ঘটাতে কুড়িগ্রাম শহরের গুরুত্বপূর্ণ শাপলা চত্বরকে নতুন রূপে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। 

সড়ক প্রশস্তকরণের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পশ্চিম পাশে একটি বাইপাস সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, এই দুই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে শহরের প্রধান প্রবেশমুখে যানজট অনেকটাই কমবে এবং শাপলা চত্বর একটি দৃষ্টিনন্দন আইকনিক স্থানে পরিণত হবে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সংলগ্ন শাপলা চত্বরের পূর্ব পাশে দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত থাকা প্রায় ১৫ ফুট জায়গা সড়কের সঙ্গে যুক্ত করার কাজ শুরু করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং পৌর প্রশাসন। স্থানীয় রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে স্থানটি পরিমাপ করে কাজের সূচনা করা হয়।

সড়ক ও জনপথ বিভাগ জানিয়েছে, শাপলা চত্বর শহরের সবচেয়ে ব্যস্ত মোড়গুলোর একটি। এখানে পর্যাপ্ত টার্নিং স্পেস না থাকায় প্রতিদিনই ভারী যানবাহন ও দূরপাল্লার বাস চলাচলে বিঘ্ন ঘটে এবং সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজট। জেলা সমন্বয় সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শেষে সর্বসম্মতিক্রমে সড়ক প্রশস্ত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

প্রশাসনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, শুধু সড়ক সম্প্রসারণেই সীমাবদ্ধ থাকছে না প্রকল্পটি। শহীদ মিনারের পশ্চিম পাশ দিয়ে একটি বিকল্প বাইপাস সড়ক নির্মাণ করা হবে, যা বাস্তবায়িত হলে যানবাহনের চাপ বিভক্ত হবে এবং শাপলা চত্বরে যানজটের স্থায়ী সমাধান মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে শহীদ মিনার চত্বরকে সবুজায়ন, সৌন্দর্যবর্ধন এবং সৌরবিদ্যুৎচালিত আলোকসজ্জার আওতায় আনার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

এদিকে শাপলা চত্বর সম্প্রসারণকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শহীদ মিনারের ক্ষতি বা সম্মানহানির অভিযোগ তুলে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তবে এ অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন শহীদ মিনার প্রতিষ্ঠাকালীন সংগঠক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং প্রশাসনের দায়িত্বশীলরা।

তাদের ভাষ্য, সড়কের সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে কেবল শাপলা ভাস্কর্যের পূর্ব পাশে দীর্ঘদিনের অব্যবহৃত একটি অংশ। শহীদ মিনারের মূল বেদি, নকশা কিংবা শাপলা ভাস্কর্যের কোনো অংশে হাত দেওয়া হচ্ছে না। ফলে শহীদ মিনারের ঐতিহ্য বা মর্যাদার কোনো ক্ষতি হওয়ার প্রশ্নই আসে না।

শহীদ মিনার প্রতিষ্ঠাকালীন সংগঠক ও সংস্কৃতিকর্মী দুলাল বস বলেন, বহু বছর ধরে এই মোড়ে যানজটের কারণে সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়ছেন। অতীতেও বিভিন্ন সময়ে সড়ক প্রশস্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। বর্তমান উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে নগরবাসী সুফল পাবে। তিনি দ্রুত বাইপাস সড়ক নির্মাণেরও দাবি জানান।

আরও পড়ুন

সিরাজদিখানে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু

জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ বলেন, সচেতন নাগরিকদের দাবি, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং জেলা সমন্বয় সভার অনুমোদনের ভিত্তিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর উদ্দেশ্য শুধুমাত্র জনদুর্ভোগ কমানো এবং আধুনিক, পরিকল্পিত নগরব্যবস্থা গড়ে তোলা। শহীদ মিনারের মূল কাঠামো বা বেদির সঙ্গে এই কাজের কোনো সম্পর্ক নেই। যারা এটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করছেন, তারা বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছেন।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মীর নিজাম উদ্দিন আহমেদ বলেন, শাপলা চত্বরের সড়ক প্রশস্তকরণ ছিল সময়ের দাবি। পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ শেষ হলে যানবাহন চলাচল অনেক সহজ হবে। পাশাপাশি বাইপাস সড়ক নির্মিত হলে এই এলাকাকে কুড়িগ্রাম শহরের একটি আধুনিক ও আইকনিক প্রবেশদ্বার হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

ভোরের আকাশ/রই 

মীর নিজাম উদ্দিন আহমেদ

শেয়ার করুন: