শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

দিনাজপুর

বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সব ইউনিটে উৎপাদন বন্ধ

দিনাজপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ৫:৩০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১নং ইউনিটের বয়লারের টিউব ফেটে যাওয়ার ফলে কেন্দ্রটির বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। 

(রোববার, ১৮ জানুয়ারি) সকালে এই যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলেও রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক। কর্তৃপক্ষ জানায়, ১২৫ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন ১নং ইউনিটের বয়লারের টিউবটি রবিবার সকালে হঠাৎ ফেটে যায়। এর ফলে তাৎক্ষণিকভাবে ইউনিটটির উৎপাদন বন্ধ করে দিতে হয়। প্রধান প্রকৌশলী জানান, সচল থাকা একমাত্র ইউনিটটি বন্ধ হওয়ায় বর্তমানে কেন্দ্রটি থেকে জাতীয় গ্রিডে কোনো বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। বয়লারের ভেতরের তাপমাত্রা প্রায় এক হাজার ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকে। বর্তমানে এটি ঠান্ডা হওয়ার জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে। 

প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন, বয়লারটি পর্যাপ্ত ঠান্ডা না হওয়া পর্যন্ত ভেতরে প্রবেশ করে মেরামত কাজ শুরু করা সম্ভব নয়। সবকিছু ঠিক থাকলে এই ইউনিটটি পুনরায় চালু করতে অন্তত এক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। ১নং ইউনিটটি বন্ধ হওয়ার মাধ্যমে কেন্দ্রটি এখন সম্পূর্ণ উৎপাদনহীন হয়ে পড়েছে। ২য় ইউনিট (১২৫ মেগাওয়াট) যান্ত্রিক ত্রুটি ও প্রয়োজনীয় সংস্কারের জন্য বিপুল অর্থের প্রয়োজন হওয়ায় ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে এটি বন্ধ রয়েছে। এটি চালু করার বিষয়ে এখনো মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছে কর্তৃপক্ষ। ৩য় ইউনিট (২৭৫ মেগাওয়াট) গত বছরের ১ নভেম্বর থেকে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এটি বন্ধ। তবে আশার কথা হলো, চীন থেকে এর প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ আসার প্রক্রিয়া চলছে। কর্তৃপক্ষ আশা করছে, আগামী মার্চ মাস নাগাদ এই ইউনিটটি উৎপাদনে ফিরতে পারে।

কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, বড়পুকুরিয়ার তিনটি ইউনিটের সবকটিই এখন বন্ধ থাকায় উত্তরাঞ্চলসহ জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহে বাড়তি চাপ সৃষ্টি হতে পারে। দ্রুততম সময়ে ১নং ইউনিটটি সচল করার লক্ষ্যে কাজ করছে কারিগরি দল।

ভোরের আকাশ/র.ই

আবু বকর সিদ্দিকদিনাজপুর

শেয়ার করুন: