খুলনায় ৪টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, গ্রেফতার ২

খুলনা নগরীর খালিশপুর থানায় গত শনিবার (২৪ অক্টোবর) দায়ের করা মোটরসাইকেল চুরি মামলার তদন্তে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁদের দেওয়া তথ্য ও দেখানো স্থান থেকে চারটি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে একজনের বিরুদ্ধে একাধিক চুরির মামলার তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
খালিশপুর থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ অক্টোবর ভোর আনুমানিক ৩টা ৪৫ মিনিটে বটিয়াঘাটা থানার শান্তিনগর এলাকা থেকে মামলার প্রধান আসামি আকবর হোসেন মুন্নাকে (২৬) গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার আলিপুর এলাকার মজিবুর রহমান ও আসমার ছেলে। বর্তমানে তিনি খুলনার বটিয়াঘাটা থানার দারোগাভিটা এলাকায় বসবাস করতেন।
পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে বাগেরহাট সদর থানা এলাকার নিজ বাসা থেকে রাব্বি (২০) নামের আরেক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি বাগেরহাট সদর উপজেলার বারুইপাড়া বাজার-সংলগ্ন সুতাইল এলাকার রকিব নকিব ও রজিনা বেগমের ছেলে।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার দুই আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাগেরহাটের ফকিরহাট থানা এলাকায় পলাতক আসামি তারিকুল ইসলাম চঞ্চলের (৩০) বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় আকবর হোসেন মুন্নার দেখানো ও শনাক্ত করা স্থান থেকে মামলার চোরাই আলামত হিসেবে চারটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার হওয়া মোটরসাইকেলগুলো হলো—বাজাজ পালসার ১৫০ সিসি, নীল রঙের সুজুকি জিক্সার, লাল রঙের হোন্ডা লিভো এবং নীল রঙের এফজেড ভার্সন ফোর।
খালিশপুর থানার মামলা নম্বর ২১, তারিখ ২৪ অক্টোবর ২০২৬। মামলাটি দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৩৭৯ ধারায় করা হয়েছে।
পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তার আকবর হোসেন মুন্নার বিরুদ্ধে একাধিক চুরির মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। গ্রেপ্তার দুই আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। উদ্ধার হওয়া মোটরসাইকেলগুলোর বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
পলাতক আসামি তারিকুল ইসলাম চঞ্চলকে গ্রেপ্তারে কোনো অগ্রগতির তথ্য দেওয়া হয়নি।
ভোরের আকাশ/ এনউব