সিরাজগঞ্জে জামায়াতের দুই নেতাকে ছুরিকাঘাত
বিএনপি নেতাসহ ১০ জনের নামে মামলা

সিরাজগঞ্জে জামায়াত নেতা আব্দুস সবুর শেখ ও নুরন্নবীর উপর হামলা ও ছুরিকাঘাতে আহত করার ঘটনায় সদর উপজেলার সয়দাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিকসহ বিএনপি ১০ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া মামলায় ৫-১০ জনকে অজ্ঞাত করা হয়েছে।
আহত জামায়াত নেতা আব্দুস সবুর শেখের স্ত্রী শোহর ভানু বাদী হয়ে শনিবার রাতে সিরাজগঞ্জ সদর থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসান মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আহত আব্দুস সবুর শেখ সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার সয়দাবাদ ইউনিয়ন জামায়াতের সাবেক আমির।
মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার সয়দাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক, বিএনপিকর্মী মো. সোহাগ, মো. আলভী, জুলমাত আলী, মো. হাসান, পারভেজ, হাসান আলী, মো. সানিল ও মো. দুলাল ।
মামলা ও জামায়াত নেতাদের সুত্রে জানাযায়, ১৯ সেপ্টেম্বর ১১ দলীয় জোটের লং মার্চে আগত নেতাকর্মীদের স্বাগত জানাতে জামায়াত নেতা আব্দুস সবুর শেখের নেতৃত্বে ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা যমুনা সেতু পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কের সিরাজগঞ্জের সদর উপজেলার সয়দাবাদ মোড়ে অবস্থান নেয়।
এসময় উল্লেখি আসামিসহ অজ্ঞাত নামা ৫-১০ জন আসামীরা ধারালো অস্ত্র, রামদা, চাইনিজ কুড়াল, হাসুয়া, ছুরি, ফাল ও লোহার রড নিয়ে লং মার্চে আসা নেতাদের উপর হামলার পরিকল্পনা করে এবং তারাও সয়দাবাদ মোড়ে মহাসড়কের পাশে অবস্থান নেয়। কিন্তু ১১ দলীয় জোটের নেতা কর্মীসহ প্রশাসনের বাধার মুখে আসামিরা ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়।
কিছুক্ষন পর যোহরের আজান হলে জামায়াত নেতা আব্দুস সবুর শেখ সহ নেতাকর্মী নামাজ আদায় করার জন্য সয়দাবাদ মোড়ে মসজিদে নামাজ শেষে বের হলে আসামিরা তাদের উপর হামলা করে। তারা ছুরিকাঘাত করে জামায়াত নেতা আব্দুস সবুর ও নুরুন্নবীকে আহত করে। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। গুরুতর আহত জামায়াত নেতা আব্দুস সবুর বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এই হামলার ঘটনায় জামায়াত নেতার স্ত্রী বাদী হয়ে রাতে মামলা দায়ের করেন।
ভোরের আকাশ/ইউএম