শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

নেত্রকোনায় ধান শুকানোর মাঠ ভাঙচুরের অভিযোগ

নেত্রকোনা প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১ মার্চ ২০২৬, ৩:১৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- ভোরের আকাশ
ছবি- ভোরের আকাশ

নেত্রকোনার খালিয়াজুরী উপজেলার চাকুয়া ইউনিয়নের ফরিদপুর গ্রামে কয়েক একর পৈতৃক জমি জোরপূর্বক দখল এবং পাকা চাতাল ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে সমির উদ্দিন ও তার লোকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে।

অভিযোগে জানা গেছে, নেত্রকোনার খালিয়াজুরী উপজেলার ফরিদপুর গ্রামের খলিলুর রহমানের কয়েক একর পৈতৃক জমি সম্প্রতি সমির উদ্দিনের লোকজন দখল করে নেয়। পরে জমির চারপাশে কাঁটাতারের বেড়া স্থাপন করা হয়। ভুক্তভোগীদের দাবি, জমির ওপর নির্মিত একটি বড় পাকা চাতালের (ধান শুকানোর মাঠ) কংক্রিটের ঢালাইও ভেঙে ফেলা হয়েছে।

খলিলুর রহমানের পরিবারের সদস্যরা জানান, ওই চাতালটি শুধু তাদের নয়, গ্রামের বহু কৃষকের বোরো ধান শুকানোর একমাত্র ভরসা ছিল। প্রতি মৌসুমে গ্রাম উৎপাদিত হাজার হাজার মণ ধান সেখানে শুকিয়ে ঘরে তোলা হতো। চাতালটি ভেঙে ফেলায় চলতি বোরো মৌসুমে তারা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়বেন বলে আশঙ্কা করছেন।

ভুক্তভোগী খলিলুর রহমানের বোন বেবী আক্তার ও রওশনা আক্তার এবং ভাই ইছহাক মিয়া বলেন, আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি জোর করে দখল করে নিয়েছে। চাতাল ভেঙে আমাদের সর্বনাশ করা হয়েছে। আমরা প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু বিচার চাই। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা দখল ও চাতাল ভাঙার বিষয়ে প্রতিবাদ জানালেও সমির উদ্দিন ও তার লোকজন তা আমলে নেয়নি।

অভিযোগ অস্বীকার করে সমির উদ্দিন দাবি করেন, বিরোধপূর্ণ জমিটি তার উত্তরাধিকার ও ক্রয়সূত্রে প্রাপ্ত। এ সংক্রান্ত সব বৈধ কাগজপত্র তার কাছে রয়েছে। সম্প্রতি আদালত তার পক্ষে ডিক্রি দিয়েছেন। ডিক্রি পাওয়ার পর আইনজীবীর পরামর্শ অনুযায়ী তিনি জমির দখল নেন এবং সেখানে থাকা স্থাপনা অপসারণ করেন বলে জানান।  

ভোরের আকাশ/ র.ই
 

অভিযোগখলিলুর রহমান

শেয়ার করুন: